ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ভুয়া জরিপ ও মিথ্যা প্রচারণা দিয়ে রাজনৈতিক ইতিহাস বদলানো যাবে না : দুদু

আমিরের ‘আমিরি’ বাসা

অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:

মুম্বাইয়ের বান্দ্রার কার্টার রোডের ৮৩-এ ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্টের সঙ্গে হয়তো অনেকেরই সেভাবে পরিচয় নেই। এই বহুতল ভবনে বাস করেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান।

শাহরুখ খানের ‘মান্নত’, কিংবা সালমানের ‘গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট’ আজ মুম্বাই সফরের অন্যতম অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসেন ‘মান্নত’ আর ‘গ্যালাক্সি’ দর্শনে। কিন্তু আমিরের ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্ট সেভাবে জনপ্রিয় নয়।

আমিরের শৈশব থেকে তারকা হওয়ার দিনগুলো কেটেছে বান্দ্রার অত্যন্ত অভিজাত এলাকা পালি হিলের মারিনার ‘বেলে ভিস্তা’ অ্যাপার্টমেন্টে। এই বেলে ভিস্তার সঙ্গে ‘দঙ্গল’ খ্যাত অভিনেতার জড়িয়ে আছে নানান স্মৃতি। মা-বাবা, ভাই ফয়জল, দুই বোন নিখাত ও ফারহাত খানের সঙ্গে বড় হয়ে ওঠা এই বহুতলে। স্ত্রী রীনার সঙ্গে শাদি, পুত্র জুনেইদ ও ইরার জন্ম মারিনার বেলে ভিস্তায়। তাই স্মৃতির স্তূপ এই বহুতলটিকে ঘিরে। আমির কখনই চাননি ‘মারিনা’-কে ছাড়তে। বেলে ভিস্তার এই বাসাটি মেরামতের সময় তিনি সপরিবার চলে আসেন কার্টার রোডে সমুদ্রসৈকতে ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্টে।

পাঁচ হাজার বর্গফুটের দুটো তল নিয়ে কার্টার রোডের এই বহুতলে ভাড়ায় থাকতেন আমির। ভাড়া ছিল প্রতি মাসে ভারতীয় মুদ্রায় ১০ লাখ রুপি প্রতি তলপিছু। কিছু মাস ভাড়া থাকার পর, পরে ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্টের এই দুটি তল তিনি কিনে নেন। শোনা গেছে, আমির এই ফ্ল্যাট দুটির জন্য ভারতীয় মুদ্রায় ৬০ কোটি রুপি দেন। আরব সাগরের তীরের এই বাসাটি আমিরের পত্নী কিরণের অত্যন্ত পছন্দ হয়েছিল। কারণ অবশ্যই আরব সাগরের নির্মল সৌন্দর্য। আমিরের এই বাসা থেকে উপভোগ করা যায় অন্তহীন এই সাগর। জানা গেছে, কিরণের এই ফ্ল্যাটটি পছন্দের অন্যতম কারণ মারিনার থেকে এখানে আলো-বাতাস অনেক বেশি। তবে আমির কখনোই চাননি তাঁর সেই স্মৃতিবিজড়িত মারিনাকে ছাড়তে।

সবুজে ঘেরা এই বহুতলে তাঁর বাসার অন্দরমহলটি তিনি সাজিয়ে তুলেছিলেন এশীয় ও ইউরোপীয় নানান আকর্ষণীয় উপাদানে। এমনকি তিনি চেয়েছিলেন সমগ্র বেলে ভিস্তা অ্যাপার্টমেন্টকে কিনে ফেলতে। তাই এই বলিউড তারকা পালি হিলের এই অ্যাপার্টমেন্টের অন্য বাসিন্দাদের অনুরোধ করেন তাঁদের ফ্ল্যাটগুলো তাঁকে বিক্রি করতে। কিন্তু বেলে ভিস্তার বাসিন্দারা আমিরের অনুরোধ ফিরিয়ে দেন। এখন এই বলিউড সম্রাটের ঠিকানা ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্ট। স্ত্রী কিরণ রাও ও পুত্র আজাদকে নিয়ে তিনি সাজিয়ে তুলেছেন তাঁর স্বপ্নের বাসাখানি। বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ ভীষণ বইয়ের পোকা। তাই তাঁর বাসার দেয়াল জুড়ে আছে নানান বইয়ের সম্ভার। কাচে মোড়া এই বাসার আনাচকানাচে শোভা পাচ্ছে কিরণের পছন্দের দেশ-বিদেশের নানান ঘর সাজানোর জিনিস। ছেলে আজাদের জন্য আছে খেলার ঘর।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি

আমিরের ‘আমিরি’ বাসা

আপডেট সময় ০১:১৪:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ বিনোদন ডেস্ক:

মুম্বাইয়ের বান্দ্রার কার্টার রোডের ৮৩-এ ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্টের সঙ্গে হয়তো অনেকেরই সেভাবে পরিচয় নেই। এই বহুতল ভবনে বাস করেন বলিউড সুপারস্টার আমির খান।

শাহরুখ খানের ‘মান্নত’, কিংবা সালমানের ‘গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট’ আজ মুম্বাই সফরের অন্যতম অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসেন ‘মান্নত’ আর ‘গ্যালাক্সি’ দর্শনে। কিন্তু আমিরের ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্ট সেভাবে জনপ্রিয় নয়।

আমিরের শৈশব থেকে তারকা হওয়ার দিনগুলো কেটেছে বান্দ্রার অত্যন্ত অভিজাত এলাকা পালি হিলের মারিনার ‘বেলে ভিস্তা’ অ্যাপার্টমেন্টে। এই বেলে ভিস্তার সঙ্গে ‘দঙ্গল’ খ্যাত অভিনেতার জড়িয়ে আছে নানান স্মৃতি। মা-বাবা, ভাই ফয়জল, দুই বোন নিখাত ও ফারহাত খানের সঙ্গে বড় হয়ে ওঠা এই বহুতলে। স্ত্রী রীনার সঙ্গে শাদি, পুত্র জুনেইদ ও ইরার জন্ম মারিনার বেলে ভিস্তায়। তাই স্মৃতির স্তূপ এই বহুতলটিকে ঘিরে। আমির কখনই চাননি ‘মারিনা’-কে ছাড়তে। বেলে ভিস্তার এই বাসাটি মেরামতের সময় তিনি সপরিবার চলে আসেন কার্টার রোডে সমুদ্রসৈকতে ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্টে।

পাঁচ হাজার বর্গফুটের দুটো তল নিয়ে কার্টার রোডের এই বহুতলে ভাড়ায় থাকতেন আমির। ভাড়া ছিল প্রতি মাসে ভারতীয় মুদ্রায় ১০ লাখ রুপি প্রতি তলপিছু। কিছু মাস ভাড়া থাকার পর, পরে ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্টের এই দুটি তল তিনি কিনে নেন। শোনা গেছে, আমির এই ফ্ল্যাট দুটির জন্য ভারতীয় মুদ্রায় ৬০ কোটি রুপি দেন। আরব সাগরের তীরের এই বাসাটি আমিরের পত্নী কিরণের অত্যন্ত পছন্দ হয়েছিল। কারণ অবশ্যই আরব সাগরের নির্মল সৌন্দর্য। আমিরের এই বাসা থেকে উপভোগ করা যায় অন্তহীন এই সাগর। জানা গেছে, কিরণের এই ফ্ল্যাটটি পছন্দের অন্যতম কারণ মারিনার থেকে এখানে আলো-বাতাস অনেক বেশি। তবে আমির কখনোই চাননি তাঁর সেই স্মৃতিবিজড়িত মারিনাকে ছাড়তে।

সবুজে ঘেরা এই বহুতলে তাঁর বাসার অন্দরমহলটি তিনি সাজিয়ে তুলেছিলেন এশীয় ও ইউরোপীয় নানান আকর্ষণীয় উপাদানে। এমনকি তিনি চেয়েছিলেন সমগ্র বেলে ভিস্তা অ্যাপার্টমেন্টকে কিনে ফেলতে। তাই এই বলিউড তারকা পালি হিলের এই অ্যাপার্টমেন্টের অন্য বাসিন্দাদের অনুরোধ করেন তাঁদের ফ্ল্যাটগুলো তাঁকে বিক্রি করতে। কিন্তু বেলে ভিস্তার বাসিন্দারা আমিরের অনুরোধ ফিরিয়ে দেন। এখন এই বলিউড সম্রাটের ঠিকানা ফ্রিডা অ্যাপার্টমেন্ট। স্ত্রী কিরণ রাও ও পুত্র আজাদকে নিয়ে তিনি সাজিয়ে তুলেছেন তাঁর স্বপ্নের বাসাখানি। বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ ভীষণ বইয়ের পোকা। তাই তাঁর বাসার দেয়াল জুড়ে আছে নানান বইয়ের সম্ভার। কাচে মোড়া এই বাসার আনাচকানাচে শোভা পাচ্ছে কিরণের পছন্দের দেশ-বিদেশের নানান ঘর সাজানোর জিনিস। ছেলে আজাদের জন্য আছে খেলার ঘর।