ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিদেশিদের করোনা চিকিৎসার তালিকায়ও ছিল রিজেন্ট হাসপাতাল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে ঢাকার বিদেশি কূটনীতিক ও নাগরিকদের জন্য ঢাকার যে চারটি হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছিল, তার মধ্যে ছিল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল। তবে বিদেশিরা কেউই রিজেন্ট হাসপাতালে যাননি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বিদেশি কূটনীতিক ও নাগরিকদের জন্য সরকার থেকে চারটি হাসপাতাল নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে দু’টি ছিল সরকারি আর দু’টি বেসরকারি হাসপাতাল। বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে ছিল আলোচিত মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতাল।

সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রভাব খাটিয়ে মো. সাহেদ বিদেশিদের করোনা চিকিৎসার জন্য রিজেন্ট হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যে চারটি হাসপাতালের তালিকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়, তার মধ্যে ছিল রিজেন্ট।

সূত্র জানায়, ঢাকার বিদেশি কূটনীতিক ও নাগরিকদের করোনা চিকিৎসায় প্রস্তুত করা হয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটাল। হাসপাতালটি দেখিয়ে কূটনীতিকদের আশ্বস্তও করে পররাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়াও বিদেশিদের চিকিৎসায় রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়। আর বেসরকারি হাসপাতালের তালিকায় ছিল এভারকেয়ার (সাবেক অ্যাপোলো) ও রিজেন্ট।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকার বিদেশি মিশনগুলোর কাছে নোট ভারবাল দিয়ে অবহিতও করে। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশিদের করোনা চিকিৎসার জন্য গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটাল ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকে প্রাধান্য দেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিদেশিদের করোনা চিকিৎসার তালিকায়ও ছিল রিজেন্ট হাসপাতাল

আপডেট সময় ১২:০২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে ঢাকার বিদেশি কূটনীতিক ও নাগরিকদের জন্য ঢাকার যে চারটি হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়েছিল, তার মধ্যে ছিল আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতাল। তবে বিদেশিরা কেউই রিজেন্ট হাসপাতালে যাননি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে বিদেশি কূটনীতিক ও নাগরিকদের জন্য সরকার থেকে চারটি হাসপাতাল নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে দু’টি ছিল সরকারি আর দু’টি বেসরকারি হাসপাতাল। বেসরকারি হাসপাতালের মধ্যে ছিল আলোচিত মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের মালিকানাধীন রিজেন্ট হাসপাতাল।

সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রভাব খাটিয়ে মো. সাহেদ বিদেশিদের করোনা চিকিৎসার জন্য রিজেন্ট হাসপাতালকে তালিকাভুক্ত করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে যে চারটি হাসপাতালের তালিকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়, তার মধ্যে ছিল রিজেন্ট।

সূত্র জানায়, ঢাকার বিদেশি কূটনীতিক ও নাগরিকদের করোনা চিকিৎসায় প্রস্তুত করা হয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটাল। হাসপাতালটি দেখিয়ে কূটনীতিকদের আশ্বস্তও করে পররাষ্ট্র ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়াও বিদেশিদের চিকিৎসায় রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল প্রস্তুত করা হয়। আর বেসরকারি হাসপাতালের তালিকায় ছিল এভারকেয়ার (সাবেক অ্যাপোলো) ও রিজেন্ট।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ঢাকার বিদেশি মিশনগুলোর কাছে নোট ভারবাল দিয়ে অবহিতও করে। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশিদের করোনা চিকিৎসার জন্য গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটাল ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকে প্রাধান্য দেয়।