ঢাকা ১০:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চুক্তির কাছাকাছি ছিলাম, এমন সময় ইরান হঠাৎ জাহাজে হামলা করল: ট্রাম্প সরকার সবসময় দুর্গত মানুষের পাশে আছে : বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী একটি মহলের অতি লোভের কারণে ইসলাম বিজয়ী হয়নি: চরমোনাই পীর ২৫ বছরের আগে পদত্যাগ করলে পেনশন সুবিধা পাবেন না সরকারি চাকরিজীবীরা চলতি বছরেই প্রতি উপজেলা হাসপাতালে স্থাপন হবে ক্যাথ ল্যাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে স্বর্ণপদকজয়ী শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎ শেখ হাসিনার ১ বছরে খাওয়া-দাওয়ার খরচ হয়েছে ৩৫ কোটি টাকা : অর্থমন্ত্রী নাটোরে নবজাতকের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ আমরা সরকার গঠন করে শেখ হাসিনাকে ফাঁসিতে ঝুলাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দরজা খুলেই দেখলেন শাশুড়ির রক্তাক্ত লাশ, পাশের কক্ষে কাঁদছিল দুই বছরের মেয়ে

‘জুট মিল নয়, লুটপাট বন্ধ করুন’,জোনায়েদ সাকি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জুট মিল নয় বরং দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচার হচ্ছে সে সব বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

সমাবেশে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়নের যুগ্ম-সম্পাদক আলিফ দেওয়ান ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ওদিকে পাটকল শ্রমিকদের অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে দেশের সব পাটকলের শ্রমিকরা বুধবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

জোনায়েদ সাকি বলেন, করোনাকালেও আওয়ামী লীগ সরকার লুটপাট-দুর্নীতি এমনকি মাস্ক নিয়েও দুর্নীতি করে। যখন ভর্তুকি দিয়ে আরও মিল-কারখানা সচল করার দাবি উঠেছে, তখন এ সরকার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সময়ে সরকার তার মালিকানাধীন অর্থাৎ জনগণের মালিকানাধীন কলকারখানা বন্ধ করে দেবে। এ সরকারের লুটপাট-দুর্নীতি কত প্রকার ও কী কী তার বড় উদাহরণ হচ্ছে এ পাটখাত। স্বাধীনতার পরে এ দেশে ৬০টির মতো জুট মিল ছিল। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকার এসে এ মিল-কারখানাগুলো বিশ্বব্যাংকের বুদ্ধিতে বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ বিশ্ব ব্যাংক চায় বাংলাদেশের জুট মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাক, ভারতের জুট মিলগুলো ভালোভাবে চলুক।

তিনি বলেন, ২০০২ সালে বিএনপি সরকার যখন আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দেয় তখন এ আওয়ামী লীগ সরকার বলেছে বিএনপি পাটখাতকে ধ্বংস করছে। কিন্তু এ আওয়ামী লীগ সরকার গত ১১ বছরের ৩১টি জুট মিলের মধ্যে ৬টি বন্ধ করে দিয়েছে। আর বাকিগুলো টুকটাকভাবে চলছিল, কিন্তু সেগুলো বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে।

সরকারের উদ্দেশে সাকি বলেন, দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয় সেগুলো বন্ধ করতে পারেন না। বন্ধ করতে পারেন জুট মিলগুলো। যেখান থেকে শ্রমিকরা রুটি-রুজি পায়। ঋণখেলাপিদের মাফ করে দিতে পারেন, কিন্তু শ্রমিকরা যেখান থেকে রুটি-রুজি পায় সেটা বন্ধ করে দিচ্ছেন। বছরে ৭০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয় সেগুলো ধরতে পারেন না। লুটপাট দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে সেগুলো বন্ধ করতে পারেন না। আপনারা শুধু পারেন মিল-কল-কারখানাগুলো বন্ধ করতে। জুট মিলগুলো বন্ধ করে দেয়া হলে জনগণ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ, কিছুই খেতে পারছি না, চুলাও জ্বলছে না’

‘জুট মিল নয়, লুটপাট বন্ধ করুন’,জোনায়েদ সাকি

আপডেট সময় ০৬:২০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জুট মিল নয় বরং দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচার হচ্ছে সে সব বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

সমাবেশে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়নের যুগ্ম-সম্পাদক আলিফ দেওয়ান ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ওদিকে পাটকল শ্রমিকদের অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে দেশের সব পাটকলের শ্রমিকরা বুধবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

জোনায়েদ সাকি বলেন, করোনাকালেও আওয়ামী লীগ সরকার লুটপাট-দুর্নীতি এমনকি মাস্ক নিয়েও দুর্নীতি করে। যখন ভর্তুকি দিয়ে আরও মিল-কারখানা সচল করার দাবি উঠেছে, তখন এ সরকার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সময়ে সরকার তার মালিকানাধীন অর্থাৎ জনগণের মালিকানাধীন কলকারখানা বন্ধ করে দেবে। এ সরকারের লুটপাট-দুর্নীতি কত প্রকার ও কী কী তার বড় উদাহরণ হচ্ছে এ পাটখাত। স্বাধীনতার পরে এ দেশে ৬০টির মতো জুট মিল ছিল। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকার এসে এ মিল-কারখানাগুলো বিশ্বব্যাংকের বুদ্ধিতে বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ বিশ্ব ব্যাংক চায় বাংলাদেশের জুট মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাক, ভারতের জুট মিলগুলো ভালোভাবে চলুক।

তিনি বলেন, ২০০২ সালে বিএনপি সরকার যখন আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দেয় তখন এ আওয়ামী লীগ সরকার বলেছে বিএনপি পাটখাতকে ধ্বংস করছে। কিন্তু এ আওয়ামী লীগ সরকার গত ১১ বছরের ৩১টি জুট মিলের মধ্যে ৬টি বন্ধ করে দিয়েছে। আর বাকিগুলো টুকটাকভাবে চলছিল, কিন্তু সেগুলো বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে।

সরকারের উদ্দেশে সাকি বলেন, দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয় সেগুলো বন্ধ করতে পারেন না। বন্ধ করতে পারেন জুট মিলগুলো। যেখান থেকে শ্রমিকরা রুটি-রুজি পায়। ঋণখেলাপিদের মাফ করে দিতে পারেন, কিন্তু শ্রমিকরা যেখান থেকে রুটি-রুজি পায় সেটা বন্ধ করে দিচ্ছেন। বছরে ৭০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয় সেগুলো ধরতে পারেন না। লুটপাট দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে সেগুলো বন্ধ করতে পারেন না। আপনারা শুধু পারেন মিল-কল-কারখানাগুলো বন্ধ করতে। জুট মিলগুলো বন্ধ করে দেয়া হলে জনগণ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।