ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নানা প্রলোভন দেখানো হচ্ছে: চরমোনাই পীর নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপতৎপরতা কঠোর হস্তে দমনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার

‘জুট মিল নয়, লুটপাট বন্ধ করুন’,জোনায়েদ সাকি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জুট মিল নয় বরং দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচার হচ্ছে সে সব বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

সমাবেশে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়নের যুগ্ম-সম্পাদক আলিফ দেওয়ান ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ওদিকে পাটকল শ্রমিকদের অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে দেশের সব পাটকলের শ্রমিকরা বুধবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

জোনায়েদ সাকি বলেন, করোনাকালেও আওয়ামী লীগ সরকার লুটপাট-দুর্নীতি এমনকি মাস্ক নিয়েও দুর্নীতি করে। যখন ভর্তুকি দিয়ে আরও মিল-কারখানা সচল করার দাবি উঠেছে, তখন এ সরকার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সময়ে সরকার তার মালিকানাধীন অর্থাৎ জনগণের মালিকানাধীন কলকারখানা বন্ধ করে দেবে। এ সরকারের লুটপাট-দুর্নীতি কত প্রকার ও কী কী তার বড় উদাহরণ হচ্ছে এ পাটখাত। স্বাধীনতার পরে এ দেশে ৬০টির মতো জুট মিল ছিল। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকার এসে এ মিল-কারখানাগুলো বিশ্বব্যাংকের বুদ্ধিতে বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ বিশ্ব ব্যাংক চায় বাংলাদেশের জুট মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাক, ভারতের জুট মিলগুলো ভালোভাবে চলুক।

তিনি বলেন, ২০০২ সালে বিএনপি সরকার যখন আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দেয় তখন এ আওয়ামী লীগ সরকার বলেছে বিএনপি পাটখাতকে ধ্বংস করছে। কিন্তু এ আওয়ামী লীগ সরকার গত ১১ বছরের ৩১টি জুট মিলের মধ্যে ৬টি বন্ধ করে দিয়েছে। আর বাকিগুলো টুকটাকভাবে চলছিল, কিন্তু সেগুলো বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে।

সরকারের উদ্দেশে সাকি বলেন, দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয় সেগুলো বন্ধ করতে পারেন না। বন্ধ করতে পারেন জুট মিলগুলো। যেখান থেকে শ্রমিকরা রুটি-রুজি পায়। ঋণখেলাপিদের মাফ করে দিতে পারেন, কিন্তু শ্রমিকরা যেখান থেকে রুটি-রুজি পায় সেটা বন্ধ করে দিচ্ছেন। বছরে ৭০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয় সেগুলো ধরতে পারেন না। লুটপাট দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে সেগুলো বন্ধ করতে পারেন না। আপনারা শুধু পারেন মিল-কল-কারখানাগুলো বন্ধ করতে। জুট মিলগুলো বন্ধ করে দেয়া হলে জনগণ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি

‘জুট মিল নয়, লুটপাট বন্ধ করুন’,জোনায়েদ সাকি

আপডেট সময় ০৬:২০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জুট মিল নয় বরং দুর্নীতি, লুটপাট, অর্থপাচার হচ্ছে সে সব বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণসংহতি আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ আহ্বান জানান।

সমাবেশে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়নের যুগ্ম-সম্পাদক আলিফ দেওয়ান ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ওদিকে পাটকল শ্রমিকদের অবসরে পাঠানোর প্রতিবাদে দেশের সব পাটকলের শ্রমিকরা বুধবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

জোনায়েদ সাকি বলেন, করোনাকালেও আওয়ামী লীগ সরকার লুটপাট-দুর্নীতি এমনকি মাস্ক নিয়েও দুর্নীতি করে। যখন ভর্তুকি দিয়ে আরও মিল-কারখানা সচল করার দাবি উঠেছে, তখন এ সরকার শ্রমিক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ সময়ে সরকার তার মালিকানাধীন অর্থাৎ জনগণের মালিকানাধীন কলকারখানা বন্ধ করে দেবে। এ সরকারের লুটপাট-দুর্নীতি কত প্রকার ও কী কী তার বড় উদাহরণ হচ্ছে এ পাটখাত। স্বাধীনতার পরে এ দেশে ৬০টির মতো জুট মিল ছিল। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সরকার এসে এ মিল-কারখানাগুলো বিশ্বব্যাংকের বুদ্ধিতে বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ বিশ্ব ব্যাংক চায় বাংলাদেশের জুট মিলগুলো বন্ধ হয়ে যাক, ভারতের জুট মিলগুলো ভালোভাবে চলুক।

তিনি বলেন, ২০০২ সালে বিএনপি সরকার যখন আদমজী জুট মিল বন্ধ করে দেয় তখন এ আওয়ামী লীগ সরকার বলেছে বিএনপি পাটখাতকে ধ্বংস করছে। কিন্তু এ আওয়ামী লীগ সরকার গত ১১ বছরের ৩১টি জুট মিলের মধ্যে ৬টি বন্ধ করে দিয়েছে। আর বাকিগুলো টুকটাকভাবে চলছিল, কিন্তু সেগুলো বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে।

সরকারের উদ্দেশে সাকি বলেন, দেশে হাজার হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি হয় সেগুলো বন্ধ করতে পারেন না। বন্ধ করতে পারেন জুট মিলগুলো। যেখান থেকে শ্রমিকরা রুটি-রুজি পায়। ঋণখেলাপিদের মাফ করে দিতে পারেন, কিন্তু শ্রমিকরা যেখান থেকে রুটি-রুজি পায় সেটা বন্ধ করে দিচ্ছেন। বছরে ৭০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয় সেগুলো ধরতে পারেন না। লুটপাট দুর্নীতিতে দেশ ছেয়ে গেছে সেগুলো বন্ধ করতে পারেন না। আপনারা শুধু পারেন মিল-কল-কারখানাগুলো বন্ধ করতে। জুট মিলগুলো বন্ধ করে দেয়া হলে জনগণ রাজপথে নামতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।