আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
এমনিতে খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ হয় না বাংলাদেশের। কিন্তু চলতি বছর অন্তত ১০টি টেস্ট খেলার সূচি আগেই নির্ধারিত ছিল। যা টেস্ট অভিষেকের পর এক বছরে সর্বোচ্চ সংখ্যক ম্যাচ হত। অথচ মাত্র দুটি টেস্ট খেলার পরই করোনার প্রভাবে স্থগিত হয়ে যায় বাকি ৮টি। নিয়মিত ওয়ানডে খেলে উন্নতি করা টাইগারদের সুযোগ ছিল টেস্টেও উন্নতি করা। আর সেটি থমকে যাওয়ায় মত আক্ষেপ ঝরছে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খানের কন্ঠেও।
গতকাল (৩০ জুন) এক ভিডিও বার্তায় আকরাম খান বলেন, ‘আপনারা জানেন আমরা অনেকগুলো টেস্ট ম্যাচ খেলতে পারিনি করোনা পরিস্থিতির জন্য। টেস্টগুলো আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ ওয়ানডেতে আমরা যেভাবে খেলে খেলে উন্নতি করেছি টেস্টেও সেটা দরকার। কিন্তু আমাদের আসলে কিছুই করার ছিল না। আশা করেছি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্টগুলো খেলতে পারবো, সেটাও হয়নি।’
চলতি বছরের বেশিরভাগ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ স্থগিত হয়েছে। ঝুলে আছে বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপের মত ইভেন্টের ভাগ্যও। তবে এশিয়া কাপ মাথায় রেখেই এগোতে চায় বিসিবি, ‘এখন টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ আমোদের মাথায় আছে। আল্লাহর রহমতে যদি আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয় তাহলে আমরা মাঠে অনুশীলনের পরিকল্পনা করেছি।’
‘আপনারা জানেন ঈদের আগে কয়েকজন ক্রিকেটার আমাদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলনের অনুমতি চেয়েছে। আমরা সেভাবে ব্যবস্থাও করেছি। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়াতে কেউ হয়তো ঝুঁকি নেয়নি।’ ব্যক্তিগত অনুশীলনের সুযোগ দিতে পরিকল্পনা সাজিয়েও ব্যর্থ হওয়া প্রসঙ্গে যোগ করেন আকরাম খান।
অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানের ক্রিকেটাররা অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে। ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তান তো ম্যাচ খেলার অপেক্ষায়। দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটাররাও অনুশীলন শুরু অনুমতি পেয়েছেন। কিন্তু এখনো সেরকম কিছুর আভাস মিলছে না বাংলাদেশের। মূলত প্রতিনিয়ত খারাপের দিকে যাওয়া করোনা পরিস্থিতিই এর জন্য দায়ী।
অন্য দেশগুলোর বর্তমান করোনা পরিস্থিতির সাথে পার্থক্য তুলে ধরে ক্রিকেট পরিচাপলনা বিভাগের প্রধান বলেন, ‘অন্য দেশগুলো অনুশীলন শুরু করেছে। তাাদের বর্তমান পরিস্থিতিও আমাদের পরিস্থিতির চাইতে অনেক ভালো। আপনারা জানেন আমাদের ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা সব সময়ই অগ্রাধিকার পায়। এ কারণে আমরা ঝুঁকি নিতে পারি না।’
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























