ঢাকা ০৫:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

ইসলামকে জীবনের বড় অংশ হিসেবে ধরে রাখতে চাই: আতিফ আসলাম

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুর দিকে প্রকাশ পাওয়া নিজ কণ্ঠে আজানের মাধ্যমে দারুণভাবে প্রশংসিত হন বলিউড মাতানো পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম।

উপমহাদেশের নন্দিত এ গায়ক আজান, নাত ও কাওয়ালিতে মনোনিবেশ করায়- গান ছেড়ে দিচ্ছেন কিনা এমন একটা জিজ্ঞাসা তৈরি হয়, তার ভক্তকূলের মধ্যে!

করোনাকালে যখন সব দেশেই চলছে লকডাউন তখন বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা অনলাইনে এসে গান শোনাচ্ছেন ভক্তদের। তবে পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম গান নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের গলায় আজান পরিবেশন করে হয়েছেন সমাদৃত। সেইসঙ্গে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জেগেছিল তবে কি তিনি গান ছাড়ছেন?

আতিফ আসলামনিজের দেশ পাকিস্তান ছাড়াও আতিফ আসলাম ভারত বাংলাদেশসহ এই উপমহাদেশে বেশ জনপ্রিয়। এত ভক্তকুলের এই প্রশ্নের জবাব তিনি দিয়েছেন পাকিস্তানের ‘হামিদ মির’ অনলাইন টকশোতে উপস্থিত হয়ে।

৩৭ বছর বয়সী গায়ক আতিফ বলেন, ইসলামকে আমার জীবনের বড় একটা অংশ হিসেবে আগলে ধরে রাখতে চাই। কিন্তু গান ছাড়ছি না। তবে ধর্মের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো আমি তুলে ধরতে চাই। যেমন, আল্লাহ’র ৯৯টি নাম এবং ‘তাজদির-ই-হারাম’।

টকশোতে দেওয়া সাক্ষাৎকারের অংশ উদ্ধৃতি দিয়ে ‘সামা ডটটিভি’ আরও জানায়, আতিফ আসলাম সংগীতের ভুবন ছাড়ছেন না।

আতিফ বলেন, জেনে খুব আনন্দ হচ্ছে যে, মানুষ কেবল আমার গানই শোনে না, আমার অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়েও তারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এটাও একটা বড় প্রাপ্তি।

আজানের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যেদিন জেনেছি হযরত মোহাম্মদ (স.) এর সময়ে মানুষ ছাদে উঠে নামাজে আসার জন্য আজান দিতেন, সেই রাতে আমি আর ঘুমাতে পারিনি। মনে জেগে ওঠলো আজানা দেওয়ার সুতীব্র বাসনা। তাই দেওয়া জন্যই যে আজান দিয়েছি- তা কিন্তু না। ধর্মকে ভালোবেসে, আজানের প্রেমে পড়েই আজান দিয়েছি। আমার অনেক বড় ইচ্ছে হচ্ছে, কাবা শরিফে গিয়ে নামাজের জন্য আজান দেওয়া।

জনপ্রিয় এ গায়ক আরও জানান, গান না ছাড়লেও এখন থেকে ধর্মীয় গুরুত্ব পায় এ রকম সংগীত বেশি বেশি করবেন। কোক স্টুডিও’তে প্রচারিত ‘তাজদির-ই-হারাম’ ও ‘আসমা-উল-হুসনা’ গান দুটি এরই মধ্যে ভক্তদের মধ্যে ভীষণ মুগ্ধতা তৈরি করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

ইসলামকে জীবনের বড় অংশ হিসেবে ধরে রাখতে চাই: আতিফ আসলাম

আপডেট সময় ১০:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুর দিকে প্রকাশ পাওয়া নিজ কণ্ঠে আজানের মাধ্যমে দারুণভাবে প্রশংসিত হন বলিউড মাতানো পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম।

উপমহাদেশের নন্দিত এ গায়ক আজান, নাত ও কাওয়ালিতে মনোনিবেশ করায়- গান ছেড়ে দিচ্ছেন কিনা এমন একটা জিজ্ঞাসা তৈরি হয়, তার ভক্তকূলের মধ্যে!

করোনাকালে যখন সব দেশেই চলছে লকডাউন তখন বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা অনলাইনে এসে গান শোনাচ্ছেন ভক্তদের। তবে পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম গান নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের গলায় আজান পরিবেশন করে হয়েছেন সমাদৃত। সেইসঙ্গে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জেগেছিল তবে কি তিনি গান ছাড়ছেন?

আতিফ আসলামনিজের দেশ পাকিস্তান ছাড়াও আতিফ আসলাম ভারত বাংলাদেশসহ এই উপমহাদেশে বেশ জনপ্রিয়। এত ভক্তকুলের এই প্রশ্নের জবাব তিনি দিয়েছেন পাকিস্তানের ‘হামিদ মির’ অনলাইন টকশোতে উপস্থিত হয়ে।

৩৭ বছর বয়সী গায়ক আতিফ বলেন, ইসলামকে আমার জীবনের বড় একটা অংশ হিসেবে আগলে ধরে রাখতে চাই। কিন্তু গান ছাড়ছি না। তবে ধর্মের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো আমি তুলে ধরতে চাই। যেমন, আল্লাহ’র ৯৯টি নাম এবং ‘তাজদির-ই-হারাম’।

টকশোতে দেওয়া সাক্ষাৎকারের অংশ উদ্ধৃতি দিয়ে ‘সামা ডটটিভি’ আরও জানায়, আতিফ আসলাম সংগীতের ভুবন ছাড়ছেন না।

আতিফ বলেন, জেনে খুব আনন্দ হচ্ছে যে, মানুষ কেবল আমার গানই শোনে না, আমার অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়েও তারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এটাও একটা বড় প্রাপ্তি।

আজানের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যেদিন জেনেছি হযরত মোহাম্মদ (স.) এর সময়ে মানুষ ছাদে উঠে নামাজে আসার জন্য আজান দিতেন, সেই রাতে আমি আর ঘুমাতে পারিনি। মনে জেগে ওঠলো আজানা দেওয়ার সুতীব্র বাসনা। তাই দেওয়া জন্যই যে আজান দিয়েছি- তা কিন্তু না। ধর্মকে ভালোবেসে, আজানের প্রেমে পড়েই আজান দিয়েছি। আমার অনেক বড় ইচ্ছে হচ্ছে, কাবা শরিফে গিয়ে নামাজের জন্য আজান দেওয়া।

জনপ্রিয় এ গায়ক আরও জানান, গান না ছাড়লেও এখন থেকে ধর্মীয় গুরুত্ব পায় এ রকম সংগীত বেশি বেশি করবেন। কোক স্টুডিও’তে প্রচারিত ‘তাজদির-ই-হারাম’ ও ‘আসমা-উল-হুসনা’ গান দুটি এরই মধ্যে ভক্তদের মধ্যে ভীষণ মুগ্ধতা তৈরি করেছে।