ঢাকা ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ইসলামকে জীবনের বড় অংশ হিসেবে ধরে রাখতে চাই: আতিফ আসলাম

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুর দিকে প্রকাশ পাওয়া নিজ কণ্ঠে আজানের মাধ্যমে দারুণভাবে প্রশংসিত হন বলিউড মাতানো পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম।

উপমহাদেশের নন্দিত এ গায়ক আজান, নাত ও কাওয়ালিতে মনোনিবেশ করায়- গান ছেড়ে দিচ্ছেন কিনা এমন একটা জিজ্ঞাসা তৈরি হয়, তার ভক্তকূলের মধ্যে!

করোনাকালে যখন সব দেশেই চলছে লকডাউন তখন বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা অনলাইনে এসে গান শোনাচ্ছেন ভক্তদের। তবে পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম গান নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের গলায় আজান পরিবেশন করে হয়েছেন সমাদৃত। সেইসঙ্গে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জেগেছিল তবে কি তিনি গান ছাড়ছেন?

আতিফ আসলামনিজের দেশ পাকিস্তান ছাড়াও আতিফ আসলাম ভারত বাংলাদেশসহ এই উপমহাদেশে বেশ জনপ্রিয়। এত ভক্তকুলের এই প্রশ্নের জবাব তিনি দিয়েছেন পাকিস্তানের ‘হামিদ মির’ অনলাইন টকশোতে উপস্থিত হয়ে।

৩৭ বছর বয়সী গায়ক আতিফ বলেন, ইসলামকে আমার জীবনের বড় একটা অংশ হিসেবে আগলে ধরে রাখতে চাই। কিন্তু গান ছাড়ছি না। তবে ধর্মের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো আমি তুলে ধরতে চাই। যেমন, আল্লাহ’র ৯৯টি নাম এবং ‘তাজদির-ই-হারাম’।

টকশোতে দেওয়া সাক্ষাৎকারের অংশ উদ্ধৃতি দিয়ে ‘সামা ডটটিভি’ আরও জানায়, আতিফ আসলাম সংগীতের ভুবন ছাড়ছেন না।

আতিফ বলেন, জেনে খুব আনন্দ হচ্ছে যে, মানুষ কেবল আমার গানই শোনে না, আমার অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়েও তারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এটাও একটা বড় প্রাপ্তি।

আজানের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যেদিন জেনেছি হযরত মোহাম্মদ (স.) এর সময়ে মানুষ ছাদে উঠে নামাজে আসার জন্য আজান দিতেন, সেই রাতে আমি আর ঘুমাতে পারিনি। মনে জেগে ওঠলো আজানা দেওয়ার সুতীব্র বাসনা। তাই দেওয়া জন্যই যে আজান দিয়েছি- তা কিন্তু না। ধর্মকে ভালোবেসে, আজানের প্রেমে পড়েই আজান দিয়েছি। আমার অনেক বড় ইচ্ছে হচ্ছে, কাবা শরিফে গিয়ে নামাজের জন্য আজান দেওয়া।

জনপ্রিয় এ গায়ক আরও জানান, গান না ছাড়লেও এখন থেকে ধর্মীয় গুরুত্ব পায় এ রকম সংগীত বেশি বেশি করবেন। কোক স্টুডিও’তে প্রচারিত ‘তাজদির-ই-হারাম’ ও ‘আসমা-উল-হুসনা’ গান দুটি এরই মধ্যে ভক্তদের মধ্যে ভীষণ মুগ্ধতা তৈরি করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত রোনালদোর গোল, জয় পেল আল নাসর

ইসলামকে জীবনের বড় অংশ হিসেবে ধরে রাখতে চাই: আতিফ আসলাম

আপডেট সময় ১০:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২০

আকাশ বিনোদন ডেস্ক: 

চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুর দিকে প্রকাশ পাওয়া নিজ কণ্ঠে আজানের মাধ্যমে দারুণভাবে প্রশংসিত হন বলিউড মাতানো পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম।

উপমহাদেশের নন্দিত এ গায়ক আজান, নাত ও কাওয়ালিতে মনোনিবেশ করায়- গান ছেড়ে দিচ্ছেন কিনা এমন একটা জিজ্ঞাসা তৈরি হয়, তার ভক্তকূলের মধ্যে!

করোনাকালে যখন সব দেশেই চলছে লকডাউন তখন বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা অনলাইনে এসে গান শোনাচ্ছেন ভক্তদের। তবে পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম গান নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের গলায় আজান পরিবেশন করে হয়েছেন সমাদৃত। সেইসঙ্গে ভক্তদের মনে প্রশ্ন জেগেছিল তবে কি তিনি গান ছাড়ছেন?

আতিফ আসলামনিজের দেশ পাকিস্তান ছাড়াও আতিফ আসলাম ভারত বাংলাদেশসহ এই উপমহাদেশে বেশ জনপ্রিয়। এত ভক্তকুলের এই প্রশ্নের জবাব তিনি দিয়েছেন পাকিস্তানের ‘হামিদ মির’ অনলাইন টকশোতে উপস্থিত হয়ে।

৩৭ বছর বয়সী গায়ক আতিফ বলেন, ইসলামকে আমার জীবনের বড় একটা অংশ হিসেবে আগলে ধরে রাখতে চাই। কিন্তু গান ছাড়ছি না। তবে ধর্মের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো আমি তুলে ধরতে চাই। যেমন, আল্লাহ’র ৯৯টি নাম এবং ‘তাজদির-ই-হারাম’।

টকশোতে দেওয়া সাক্ষাৎকারের অংশ উদ্ধৃতি দিয়ে ‘সামা ডটটিভি’ আরও জানায়, আতিফ আসলাম সংগীতের ভুবন ছাড়ছেন না।

আতিফ বলেন, জেনে খুব আনন্দ হচ্ছে যে, মানুষ কেবল আমার গানই শোনে না, আমার অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়েও তারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এটাও একটা বড় প্রাপ্তি।

আজানের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি যেদিন জেনেছি হযরত মোহাম্মদ (স.) এর সময়ে মানুষ ছাদে উঠে নামাজে আসার জন্য আজান দিতেন, সেই রাতে আমি আর ঘুমাতে পারিনি। মনে জেগে ওঠলো আজানা দেওয়ার সুতীব্র বাসনা। তাই দেওয়া জন্যই যে আজান দিয়েছি- তা কিন্তু না। ধর্মকে ভালোবেসে, আজানের প্রেমে পড়েই আজান দিয়েছি। আমার অনেক বড় ইচ্ছে হচ্ছে, কাবা শরিফে গিয়ে নামাজের জন্য আজান দেওয়া।

জনপ্রিয় এ গায়ক আরও জানান, গান না ছাড়লেও এখন থেকে ধর্মীয় গুরুত্ব পায় এ রকম সংগীত বেশি বেশি করবেন। কোক স্টুডিও’তে প্রচারিত ‘তাজদির-ই-হারাম’ ও ‘আসমা-উল-হুসনা’ গান দুটি এরই মধ্যে ভক্তদের মধ্যে ভীষণ মুগ্ধতা তৈরি করেছে।