ঢাকা ০৯:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নাটোরে বউ বাজি রেখে মোবাইলে লুডুর জুয়া, সংঘর্ষে আহত ২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নাটোর সদর উপজেলার হালসা এলাকায় মোবাইল অনলাইনে বউ বাজি রেখে লুডুর জুয়া খেলতে গিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ফিরোজা (৪৫) এবং রেখা (৫০) নামে দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ বুধবার বিকেলে পার হালসা আশ্রায়ন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, বিকেলে শাজাহানের ছেলে আশিক (২৭) শুকুরের ছেলে মহসিন (২৫) শফি মন্ডলের ছেলে শহিদ (৩৫) মিলে মোবাইল ফোনে অনলাইন জুয়া খেলছিলেন। এই জুয়ায় তারা নিজেদের স্ত্রীদের বাজি রাখেন। বিষয়টি তাদের পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়। পরে তাদের স্ত্রীরা এসে সেখানে ঝগড়া ঝাটি শুরু করেন। এসময় সেখানে উপস্থিত লোকজনের হস্তক্ষেপে তারা যে যার বাড়ি চলে যান। পরে রেখার ছেলে রাকিব ও রেখার ভাই রঞ্জু আশিকের বাড়িতে গিয়ে তার শাশুড়ি ফিরোজাকে মারপিট করে গুরুতর আহত করেন। এতে মহিউদ্দিনের স্ত্রী রেখা খাতুনও আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে ভিকটিমদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেও তাদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে তারা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

অনলাইন জুয়া খেলার ব্যাপারে তিনি জানান, বিষয়টি তিনি জানতেন না। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাটোরে বউ বাজি রেখে মোবাইলে লুডুর জুয়া, সংঘর্ষে আহত ২

আপডেট সময় ০৬:১৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নাটোর সদর উপজেলার হালসা এলাকায় মোবাইল অনলাইনে বউ বাজি রেখে লুডুর জুয়া খেলতে গিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ফিরোজা (৪৫) এবং রেখা (৫০) নামে দুইজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ বুধবার বিকেলে পার হালসা আশ্রায়ন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, বিকেলে শাজাহানের ছেলে আশিক (২৭) শুকুরের ছেলে মহসিন (২৫) শফি মন্ডলের ছেলে শহিদ (৩৫) মিলে মোবাইল ফোনে অনলাইন জুয়া খেলছিলেন। এই জুয়ায় তারা নিজেদের স্ত্রীদের বাজি রাখেন। বিষয়টি তাদের পরিবারের মধ্যে জানাজানি হয়। পরে তাদের স্ত্রীরা এসে সেখানে ঝগড়া ঝাটি শুরু করেন। এসময় সেখানে উপস্থিত লোকজনের হস্তক্ষেপে তারা যে যার বাড়ি চলে যান। পরে রেখার ছেলে রাকিব ও রেখার ভাই রঞ্জু আশিকের বাড়িতে গিয়ে তার শাশুড়ি ফিরোজাকে মারপিট করে গুরুতর আহত করেন। এতে মহিউদ্দিনের স্ত্রী রেখা খাতুনও আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে ভিকটিমদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেও তাদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে গেলে তারা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

অনলাইন জুয়া খেলার ব্যাপারে তিনি জানান, বিষয়টি তিনি জানতেন না। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।