ঢাকা ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ ধর্মকে পুঁজি করে চালানো অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক থাকুন: আমিনুল হক কেউ কেউ বসন্তকালে আইসা কুহু কুহু ডাক শুরু করে: জামায়াতের আমির ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পর এই নির্বাচন ইনসাফ প্রতিষ্ঠার নির্বাচন: নাহিদ ইসলাম ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমতের জোয়ার : উপদেষ্টা আদিলুর রহমান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্স পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ কেরানীগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি নেতা গুলিবিদ্ধ

এই গণবিরোধী ও অন্যায় আইন বাতিল করতে হবে: ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনরোষের আগুন থেকে সরকারকে রক্ষার জন্যই অপব্যবহার চলছে এমন অভিযোগ করে অবিলম্বে এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেছেন, এই গণবিরোধী আইন বাতিল করতে হবে। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের এই অন্যায় বন্ধ করতে হবে।

শনিবার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপি সুস্পষ্ট ভাষায় সরকারকে জানাতে চায়, বর্তমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কেবল সরকারকে জনরোষের আগুন থেকে রক্ষার জন্যই অপব্যবহার চলছে। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের এই অন্যায় বন্ধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, এই গণবিরোধী আইন বাতিল করতে হবে। আমরা চলমান বৈশ্বিক করোনা মহামারির সময়ে সারাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইনের অপপ্রয়োগ করে গ্রেপ্তার ও হয়রানির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট, লেখক, ব্যবসায়ীসহ কয়েকজনের গ্রেপ্তারের ঘটনা তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। বলেন, দেশে একটি কার্যকরী মানহানি আইন থাকা সত্ত্বেও নির্যাতন ও হয়রানি উদ্দেশ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকেই বারবার ব্যবহার করছে সরকার।

ফখরুল বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার তো দূরে থাকুক মানুষ তার কষ্টের কথাও যাতে ভার্চুয়াল জগতে প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য একের পর এক পরিপত্র জারি করে চলেছে সরকার। দেশের বিভিন্ন জেলার বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হরদম গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ও আতঙ্কের মধ্যে রাখা হয়েছে। অথচ ত্রাণের চাল চোর ও গম চোররা নিরাপদে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এসবের মধ্যদিয়ে সরকারের নিষ্ঠুর, অমানবিক এবং ফ্যাসিবাদী চরিত্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে।

‘দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতেই কি পরিপত্র জারি হচ্ছে’-এমন প্রশ্ন রেখে ফখরুল বলেন, সরকারের জারিকৃত পরিপত্রগুলো কী রকম ডিক্টেটোরিয়াল (স্বৈরাচারী) চিন্তা করা যায় না। চাল চুরি হচ্ছে, গম চুরি হচ্ছে, সয়াবিন তেল চুরি হচ্ছে, রিলিফ চুরি হচ্ছে -এসব সম্পর্কে যদি লিখতে যান, তাহলে কি সেটা অন্যায় হবে? সত্য উৎঘাটন করাই তো সাংবাদিকদের কাজ।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই যে সত্য খবর লুকানোর কারণটা কী, হাইড করার কারণটা কী? কেন এই ধরনের দমন-নির্যাতন চলছে? তার অর্থ সত্য কথা যাতে বেরিয়ে না আসে। এটা কার স্বার্থে যাচ্ছে? সরকারের স্বার্থে কিন্তু যাচ্ছে না আল্টিমেটলি।

এ সময় চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার ও শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৭৫ বছরের বৃদ্ধকে নায়িকার সঙ্গে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ৭ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

এই গণবিরোধী ও অন্যায় আইন বাতিল করতে হবে: ফখরুল

আপডেট সময় ০৩:০১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনরোষের আগুন থেকে সরকারকে রক্ষার জন্যই অপব্যবহার চলছে এমন অভিযোগ করে অবিলম্বে এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেছেন, এই গণবিরোধী আইন বাতিল করতে হবে। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের এই অন্যায় বন্ধ করতে হবে।

শনিবার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপি সুস্পষ্ট ভাষায় সরকারকে জানাতে চায়, বর্তমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কেবল সরকারকে জনরোষের আগুন থেকে রক্ষার জন্যই অপব্যবহার চলছে। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের এই অন্যায় বন্ধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, এই গণবিরোধী আইন বাতিল করতে হবে। আমরা চলমান বৈশ্বিক করোনা মহামারির সময়ে সারাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইনের অপপ্রয়োগ করে গ্রেপ্তার ও হয়রানির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট, লেখক, ব্যবসায়ীসহ কয়েকজনের গ্রেপ্তারের ঘটনা তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। বলেন, দেশে একটি কার্যকরী মানহানি আইন থাকা সত্ত্বেও নির্যাতন ও হয়রানি উদ্দেশ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকেই বারবার ব্যবহার করছে সরকার।

ফখরুল বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার তো দূরে থাকুক মানুষ তার কষ্টের কথাও যাতে ভার্চুয়াল জগতে প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য একের পর এক পরিপত্র জারি করে চলেছে সরকার। দেশের বিভিন্ন জেলার বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হরদম গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ও আতঙ্কের মধ্যে রাখা হয়েছে। অথচ ত্রাণের চাল চোর ও গম চোররা নিরাপদে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এসবের মধ্যদিয়ে সরকারের নিষ্ঠুর, অমানবিক এবং ফ্যাসিবাদী চরিত্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে।

‘দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতেই কি পরিপত্র জারি হচ্ছে’-এমন প্রশ্ন রেখে ফখরুল বলেন, সরকারের জারিকৃত পরিপত্রগুলো কী রকম ডিক্টেটোরিয়াল (স্বৈরাচারী) চিন্তা করা যায় না। চাল চুরি হচ্ছে, গম চুরি হচ্ছে, সয়াবিন তেল চুরি হচ্ছে, রিলিফ চুরি হচ্ছে -এসব সম্পর্কে যদি লিখতে যান, তাহলে কি সেটা অন্যায় হবে? সত্য উৎঘাটন করাই তো সাংবাদিকদের কাজ।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই যে সত্য খবর লুকানোর কারণটা কী, হাইড করার কারণটা কী? কেন এই ধরনের দমন-নির্যাতন চলছে? তার অর্থ সত্য কথা যাতে বেরিয়ে না আসে। এটা কার স্বার্থে যাচ্ছে? সরকারের স্বার্থে কিন্তু যাচ্ছে না আল্টিমেটলি।

এ সময় চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার ও শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।