ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

করোনা টেস্ট করাতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন, হঠাৎ মাটিতে পড়েই মারা গেলেন

রাস্তায় পড়ে থাকা আবদুর রাজ্জাকের মরদেহ। ছবি : সাংবাদিক সজল মাহমুদের ফেসবুক থেকে নেওয়া

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাক। করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে আজ রোববার ভোরে পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)। বৃদ্ধ মানুষ তাই সঙ্গী দুই ছেলে। তবে সিরিয়াল না পেয়ে বাসায় ফেরার পথে শাহবাগ মোড়ে হঠাৎ মাটিতে পড়েই মৃত্যু তার।

এভাবেই ঘটনাটির বর্ণনা নিজের ফেসবুকে লিখেছেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক সজল মাহমুদ। ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকে তিনি আরও লিখেছেন, বৈশাখের তপ্ত রোদ নির্লজ্জভাবে আলিঙ্গন করেছে সেই বাবার মরদেহ।

মারা যাওয়া ব্যক্তির বড় ছেলে জানান, ওই বৃদ্ধ স্ট্রোক করেছেন। আর ছোট ছেলে ইমনের দাবি, মাস ছয়েক ধরে ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছিলেন তার বাবা। কয়েকদিন ধরে জ্বর। তাই এসেছিলেন করোনার টেস্ট করাতে। রাস্তায় পড়ে যখন ধরফর করছেন তখন বাবাকে বাঁচাতে ছুটে গিয়েছিলেন পাশেই থাকা বারডেমের জরুরি বিভাগে। সেখানে পাত্তা পাননি তিনি। পরে লাশ ঢাকতে একটা কাপড় চেয়েও মেলেনি। অথচ পেশাগত জীবনে রাজ্জাক ছিলেন কাপড় ব্যবসায়ী।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘মারা যাওয়া ওই বৃদ্ধ করোনা টেস্ট করতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। হঠাৎ বুকে ব্যাথা উঠে সেখানেই মারা যান তিনি।’

ওসি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থলে তার দুই ছেলেও উপস্থিত ছিল। পরে আমরা তার ছেলেদের সহায়তায় লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

করোনা টেস্ট করাতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন, হঠাৎ মাটিতে পড়েই মারা গেলেন

আপডেট সময় ১০:০০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা আবদুর রাজ্জাক। করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে আজ রোববার ভোরে পরীক্ষা করাতে এসেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ)। বৃদ্ধ মানুষ তাই সঙ্গী দুই ছেলে। তবে সিরিয়াল না পেয়ে বাসায় ফেরার পথে শাহবাগ মোড়ে হঠাৎ মাটিতে পড়েই মৃত্যু তার।

এভাবেই ঘটনাটির বর্ণনা নিজের ফেসবুকে লিখেছেন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক সজল মাহমুদ। ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ফেসবুকে তিনি আরও লিখেছেন, বৈশাখের তপ্ত রোদ নির্লজ্জভাবে আলিঙ্গন করেছে সেই বাবার মরদেহ।

মারা যাওয়া ব্যক্তির বড় ছেলে জানান, ওই বৃদ্ধ স্ট্রোক করেছেন। আর ছোট ছেলে ইমনের দাবি, মাস ছয়েক ধরে ফুসফুসের জটিলতায় ভুগছিলেন তার বাবা। কয়েকদিন ধরে জ্বর। তাই এসেছিলেন করোনার টেস্ট করাতে। রাস্তায় পড়ে যখন ধরফর করছেন তখন বাবাকে বাঁচাতে ছুটে গিয়েছিলেন পাশেই থাকা বারডেমের জরুরি বিভাগে। সেখানে পাত্তা পাননি তিনি। পরে লাশ ঢাকতে একটা কাপড় চেয়েও মেলেনি। অথচ পেশাগত জীবনে রাজ্জাক ছিলেন কাপড় ব্যবসায়ী।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘মারা যাওয়া ওই বৃদ্ধ করোনা টেস্ট করতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। হঠাৎ বুকে ব্যাথা উঠে সেখানেই মারা যান তিনি।’

ওসি আরও বলেন, ‘ঘটনাস্থলে তার দুই ছেলেও উপস্থিত ছিল। পরে আমরা তার ছেলেদের সহায়তায় লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি।’