ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানব রচিত আইন এ বাংলায় চলতে দেওয়া হবে না: চরমোনাইর পীর বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আগামী বছরের মধ্যে গোটা রাখাইন দখলের ঘোষণা আরাকান আর্মির অবরোধ ভাঙতে চাইলে ইরানের ‘অ্যাটাক শিপ’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে দেশ নতুন সাংবিধানিক সংকটে পড়বে:শিশির মনির সরকারের কাঁধে শেখ হাসিনার ভূত চেপেছে: মামুনুল হক খোলা চিঠিতে ‘বিদায়ের বার্তা’ দিলেন মানবাধিকার কমিশনের সব সদস্য পুলিশ কমিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কারাগার থেকেই বার কাউন্সিল নির্বাচনে অংশ নিতে চান ব্যারিস্টার সুমন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের নামে ‘সংসদীয় স্বৈরতন্ত্র’ কায়েম হচ্ছে: সারোয়ার তুষার

আবারও জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন বি. চৌধুরী ও ড. কামাল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারার সভাপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (বি. চৌধুরী) ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন একটি বড় রাজনৈতিক জোট গড়তে আবারও জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন। গণমাধ্যমে বৃহস্পতিবার পাঠনো এক যৌথ ঘোষণায় তারা ওই ঐক্যের ডাক দেন। বি. চৌধুরীর প্রেস সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংবিধানের আলোকে জনগণের মৌলিক চাহিদা, ন্যায্য অধিকার ও আশা-আকাঙ্ক্ষাগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনগণের পক্ষে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে। স্বাধীনতার লক্ষ্য, চেতনা ও মূল্যবোধকে অবহেলা করা হলে কিংবা জনগণের অধিকারগুলো বাস্তবায়িত না হলে বুঝতে হবে জনগণ ক্ষমতার মালিকানা হারাতে বসেছে।

এ পরিস্থিতিতে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি অহিংস বিকল্প রাজনৈতিক ধারা গড়ে তোলা সময়ের দাবি। ঐক্যবদ্ধ জনগণকে একটি মহাশক্তি উল্লেখ করে যৌথ ঘোষণায় এ দুই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আরও বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে পৃথিবীতে অনেককেই মাথা নত করতে দেখেছি।

১৯৫২ থেকে ’৯০ -এর বিভিন্ন গণআন্দোলনে এবং ’৭১-এর স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনগণ বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের জনগণকে রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার অর্থবহ পরিবর্তনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

যৌথ ঘোষণায় তারা আরও বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির অংশগ্রহণ এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনি আইন ও নির্বাচন ব্যবস্থার দাবিতে এবং সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি ছাত্র সমাজ, শিক্ষিত ও সুধীজন, আইনজ্ঞ, চিকিৎসক, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, কৃষক, সাবেক সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সব পেশাজীবী মানুষের সমন্বয়ে বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে।

তারা আরও বলেন, দেশকে যারা ভালবাসেন, যারা দেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী তাদেরকে একটি প্রগতিশীল, পাহাড় ও সমতলের মানুষসহ সব সম্প্রদায়ের পূর্ণ অধিকারসম্পন্ন একটি বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, এর আগেও ২০১২ সালে একটি হোটেলে এবং পরবর্তী সময়ে প্রেসক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানেও ড. কামাল হোসেন ও বি. চৌধুরী জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে, তাদের ওই আহ্বানে খুব একটা সাড়া মেলেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মানব রচিত আইন এ বাংলায় চলতে দেওয়া হবে না: চরমোনাইর পীর

আবারও জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন বি. চৌধুরী ও ড. কামাল

আপডেট সময় ১১:০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারার সভাপতি অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (বি. চৌধুরী) ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন একটি বড় রাজনৈতিক জোট গড়তে আবারও জাতীয় ঐক্যের ডাক দিলেন। গণমাধ্যমে বৃহস্পতিবার পাঠনো এক যৌথ ঘোষণায় তারা ওই ঐক্যের ডাক দেন। বি. চৌধুরীর প্রেস সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

যৌথ ঘোষণায় বলা হয়, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংবিধানের আলোকে জনগণের মৌলিক চাহিদা, ন্যায্য অধিকার ও আশা-আকাঙ্ক্ষাগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জনগণের পক্ষে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে। স্বাধীনতার লক্ষ্য, চেতনা ও মূল্যবোধকে অবহেলা করা হলে কিংবা জনগণের অধিকারগুলো বাস্তবায়িত না হলে বুঝতে হবে জনগণ ক্ষমতার মালিকানা হারাতে বসেছে।

এ পরিস্থিতিতে জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি অহিংস বিকল্প রাজনৈতিক ধারা গড়ে তোলা সময়ের দাবি। ঐক্যবদ্ধ জনগণকে একটি মহাশক্তি উল্লেখ করে যৌথ ঘোষণায় এ দুই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আরও বলেন, জনগণের ঐক্যবদ্ধ শক্তির কাছে পৃথিবীতে অনেককেই মাথা নত করতে দেখেছি।

১৯৫২ থেকে ’৯০ -এর বিভিন্ন গণআন্দোলনে এবং ’৭১-এর স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ জনগণ বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের জনগণকে রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থার অর্থবহ পরিবর্তনের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

যৌথ ঘোষণায় তারা আরও বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির অংশগ্রহণ এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনি আইন ও নির্বাচন ব্যবস্থার দাবিতে এবং সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি ছাত্র সমাজ, শিক্ষিত ও সুধীজন, আইনজ্ঞ, চিকিৎসক, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার, ব্যবসায়ী, শ্রমিক, কৃষক, সাবেক সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সব পেশাজীবী মানুষের সমন্বয়ে বৃহত্তম একটি রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে।

তারা আরও বলেন, দেশকে যারা ভালবাসেন, যারা দেশের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী তাদেরকে একটি প্রগতিশীল, পাহাড় ও সমতলের মানুষসহ সব সম্প্রদায়ের পূর্ণ অধিকারসম্পন্ন একটি বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, এর আগেও ২০১২ সালে একটি হোটেলে এবং পরবর্তী সময়ে প্রেসক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানেও ড. কামাল হোসেন ও বি. চৌধুরী জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে, তাদের ওই আহ্বানে খুব একটা সাড়া মেলেনি।