ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বঙ্গবন্ধু সেতুর গাইড বাঁধে ধস, হুমকিতে রয়েছে সেতু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব দক্ষিণের গাইড বাঁধে ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বিকাল থেকে এই বাঁধে ধস শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার মিটার অংশ ধসে গেছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গরিলা বাড়ির সেতু এলাকা যমুনা নদীতে এই ভাঙন শুরু হয়েছে।

এদিকে গত শনিবার থেকে অব্যাহত সেতুর বাঁধে ধস ও ভাঙনরোধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)। সেতুটির সাইট অফিসের প্রকৌশলীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান তারা।

দক্ষিণ বেলটিয়া গ্রামের আব্দুল আলীম ও চাঁন মিয়া শিকদারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, বিবিএ কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বালু খেকোরা অবৈধভাবে বাঁধের অংশ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধে ভাঙন ও ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার মিটার বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেছে। এখনও তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব কালিহাতী উপজেলার গরিলাবাড়ি এলাকায় সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধে কয়েকটি গ্রাম রক্ষার্থে যমুনা নদীতে সিসি ব্লক ও কার্পেটিং করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। বাঁধ তৈরির ১৪ বছর পর বিবিএ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সেতুর গাইড বাঁধ অংশ ভেঙে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় এবং যমুনার পানি কমে যাওয়ায় এই বাঁধে ভাঙণ দেখা দিয়েছে। বাঁধটি দ্রুত মেরামত করা না গেলে একদিকে সেতুটি হুমকির মুখে পড়বে অন্যদিকে আশপাশের প্রায় ৭ থেকে ৮টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংঙ্কা রয়েছে। হঠাৎ করে তীব্র ভাঙনের ফলে চরম বিপাকে পড়েছে ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ। ভাঙনের তীব্রতা যেন রেড়েই চলছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাইট অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহীন হোসেন বলেন, ‘সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধের অংশে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে বঙ্গবন্ধু সেতু হুমকিতে রয়েছে।’

এর আগে গত শনিবার বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কতৃর্পক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মো. ওয়াসিম আলী জানিয়েছিলেন, মূল সেতুর বাইরে ধসের ঘটনা ঘটেছে। রাস্তা ভেঙে যায়নি। ধ্বসের অংশটুকু সেতুর মধ্যে পড়ে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বঙ্গবন্ধু সেতুর গাইড বাঁধে ধস, হুমকিতে রয়েছে সেতু

আপডেট সময় ০৪:০৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব দক্ষিণের গাইড বাঁধে ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বিকাল থেকে এই বাঁধে ধস শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার মিটার অংশ ধসে গেছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গরিলা বাড়ির সেতু এলাকা যমুনা নদীতে এই ভাঙন শুরু হয়েছে।

এদিকে গত শনিবার থেকে অব্যাহত সেতুর বাঁধে ধস ও ভাঙনরোধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)। সেতুটির সাইট অফিসের প্রকৌশলীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান তারা।

দক্ষিণ বেলটিয়া গ্রামের আব্দুল আলীম ও চাঁন মিয়া শিকদারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, বিবিএ কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বালু খেকোরা অবৈধভাবে বাঁধের অংশ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধে ভাঙন ও ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার মিটার বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেছে। এখনও তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব কালিহাতী উপজেলার গরিলাবাড়ি এলাকায় সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধে কয়েকটি গ্রাম রক্ষার্থে যমুনা নদীতে সিসি ব্লক ও কার্পেটিং করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। বাঁধ তৈরির ১৪ বছর পর বিবিএ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সেতুর গাইড বাঁধ অংশ ভেঙে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় এবং যমুনার পানি কমে যাওয়ায় এই বাঁধে ভাঙণ দেখা দিয়েছে। বাঁধটি দ্রুত মেরামত করা না গেলে একদিকে সেতুটি হুমকির মুখে পড়বে অন্যদিকে আশপাশের প্রায় ৭ থেকে ৮টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংঙ্কা রয়েছে। হঠাৎ করে তীব্র ভাঙনের ফলে চরম বিপাকে পড়েছে ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ। ভাঙনের তীব্রতা যেন রেড়েই চলছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাইট অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহীন হোসেন বলেন, ‘সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধের অংশে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে বঙ্গবন্ধু সেতু হুমকিতে রয়েছে।’

এর আগে গত শনিবার বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কতৃর্পক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মো. ওয়াসিম আলী জানিয়েছিলেন, মূল সেতুর বাইরে ধসের ঘটনা ঘটেছে। রাস্তা ভেঙে যায়নি। ধ্বসের অংশটুকু সেতুর মধ্যে পড়ে না।