ঢাকা ১১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ অনিবন্ধিত সাংবাদিকরাই সোস্যাল মিডিয়ায় মিসইনফরমেশন উপস্থাপন করেন: তথ্য প্রতিমন্ত্রী রক্তের শর্করা কমাবে ডায়াবেটিসের নতুন ইনজেকশন লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর আরও ‘নিখুঁত’ হামলার আহ্বান ট্রাম্পের উচ্চশিক্ষাকে দক্ষতানির্ভর ও কর্মমুখী করতে নতুন শিক্ষাকাঠামোর উদ্যোগ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে: ড. হামিদুর দীর্ঘমেয়াদি গৃহঋণে নতুন উদ্যোগ, ফ্ল্যাট কেনা সহজ হবে মধ্যবিত্তদের পরমাণু অস্ত্র কখনোই ছাড়বে না উত্তর কোরিয়া, কিমের বোনের ঘোষণা গ্রামে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না: রুমিন ফারহানা সরকারে আসার ঝুঁকি এতটা ভয়াবহ হবে ভাবিনি: ফারুকী

বঙ্গবন্ধু সেতুর গাইড বাঁধে ধস, হুমকিতে রয়েছে সেতু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব দক্ষিণের গাইড বাঁধে ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বিকাল থেকে এই বাঁধে ধস শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার মিটার অংশ ধসে গেছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গরিলা বাড়ির সেতু এলাকা যমুনা নদীতে এই ভাঙন শুরু হয়েছে।

এদিকে গত শনিবার থেকে অব্যাহত সেতুর বাঁধে ধস ও ভাঙনরোধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)। সেতুটির সাইট অফিসের প্রকৌশলীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান তারা।

দক্ষিণ বেলটিয়া গ্রামের আব্দুল আলীম ও চাঁন মিয়া শিকদারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, বিবিএ কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বালু খেকোরা অবৈধভাবে বাঁধের অংশ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধে ভাঙন ও ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার মিটার বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেছে। এখনও তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব কালিহাতী উপজেলার গরিলাবাড়ি এলাকায় সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধে কয়েকটি গ্রাম রক্ষার্থে যমুনা নদীতে সিসি ব্লক ও কার্পেটিং করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। বাঁধ তৈরির ১৪ বছর পর বিবিএ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সেতুর গাইড বাঁধ অংশ ভেঙে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় এবং যমুনার পানি কমে যাওয়ায় এই বাঁধে ভাঙণ দেখা দিয়েছে। বাঁধটি দ্রুত মেরামত করা না গেলে একদিকে সেতুটি হুমকির মুখে পড়বে অন্যদিকে আশপাশের প্রায় ৭ থেকে ৮টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংঙ্কা রয়েছে। হঠাৎ করে তীব্র ভাঙনের ফলে চরম বিপাকে পড়েছে ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ। ভাঙনের তীব্রতা যেন রেড়েই চলছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাইট অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহীন হোসেন বলেন, ‘সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধের অংশে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে বঙ্গবন্ধু সেতু হুমকিতে রয়েছে।’

এর আগে গত শনিবার বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কতৃর্পক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মো. ওয়াসিম আলী জানিয়েছিলেন, মূল সেতুর বাইরে ধসের ঘটনা ঘটেছে। রাস্তা ভেঙে যায়নি। ধ্বসের অংশটুকু সেতুর মধ্যে পড়ে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বহু নারী-শিশুকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ সীমান্তে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ

বঙ্গবন্ধু সেতুর গাইড বাঁধে ধস, হুমকিতে রয়েছে সেতু

আপডেট সময় ০৪:০৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব দক্ষিণের গাইড বাঁধে ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বিকাল থেকে এই বাঁধে ধস শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার মিটার অংশ ধসে গেছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গরিলা বাড়ির সেতু এলাকা যমুনা নদীতে এই ভাঙন শুরু হয়েছে।

এদিকে গত শনিবার থেকে অব্যাহত সেতুর বাঁধে ধস ও ভাঙনরোধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)। সেতুটির সাইট অফিসের প্রকৌশলীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান তারা।

দক্ষিণ বেলটিয়া গ্রামের আব্দুল আলীম ও চাঁন মিয়া শিকদারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, বিবিএ কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বালু খেকোরা অবৈধভাবে বাঁধের অংশ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধে ভাঙন ও ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার মিটার বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেছে। এখনও তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব কালিহাতী উপজেলার গরিলাবাড়ি এলাকায় সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধে কয়েকটি গ্রাম রক্ষার্থে যমুনা নদীতে সিসি ব্লক ও কার্পেটিং করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। বাঁধ তৈরির ১৪ বছর পর বিবিএ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সেতুর গাইড বাঁধ অংশ ভেঙে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় এবং যমুনার পানি কমে যাওয়ায় এই বাঁধে ভাঙণ দেখা দিয়েছে। বাঁধটি দ্রুত মেরামত করা না গেলে একদিকে সেতুটি হুমকির মুখে পড়বে অন্যদিকে আশপাশের প্রায় ৭ থেকে ৮টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংঙ্কা রয়েছে। হঠাৎ করে তীব্র ভাঙনের ফলে চরম বিপাকে পড়েছে ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ। ভাঙনের তীব্রতা যেন রেড়েই চলছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাইট অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহীন হোসেন বলেন, ‘সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধের অংশে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে বঙ্গবন্ধু সেতু হুমকিতে রয়েছে।’

এর আগে গত শনিবার বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কতৃর্পক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মো. ওয়াসিম আলী জানিয়েছিলেন, মূল সেতুর বাইরে ধসের ঘটনা ঘটেছে। রাস্তা ভেঙে যায়নি। ধ্বসের অংশটুকু সেতুর মধ্যে পড়ে না।