ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বঙ্গবন্ধু সেতুর গাইড বাঁধে ধস, হুমকিতে রয়েছে সেতু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব দক্ষিণের গাইড বাঁধে ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বিকাল থেকে এই বাঁধে ধস শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার মিটার অংশ ধসে গেছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গরিলা বাড়ির সেতু এলাকা যমুনা নদীতে এই ভাঙন শুরু হয়েছে।

এদিকে গত শনিবার থেকে অব্যাহত সেতুর বাঁধে ধস ও ভাঙনরোধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)। সেতুটির সাইট অফিসের প্রকৌশলীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান তারা।

দক্ষিণ বেলটিয়া গ্রামের আব্দুল আলীম ও চাঁন মিয়া শিকদারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, বিবিএ কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বালু খেকোরা অবৈধভাবে বাঁধের অংশ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধে ভাঙন ও ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার মিটার বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেছে। এখনও তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব কালিহাতী উপজেলার গরিলাবাড়ি এলাকায় সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধে কয়েকটি গ্রাম রক্ষার্থে যমুনা নদীতে সিসি ব্লক ও কার্পেটিং করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। বাঁধ তৈরির ১৪ বছর পর বিবিএ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সেতুর গাইড বাঁধ অংশ ভেঙে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় এবং যমুনার পানি কমে যাওয়ায় এই বাঁধে ভাঙণ দেখা দিয়েছে। বাঁধটি দ্রুত মেরামত করা না গেলে একদিকে সেতুটি হুমকির মুখে পড়বে অন্যদিকে আশপাশের প্রায় ৭ থেকে ৮টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংঙ্কা রয়েছে। হঠাৎ করে তীব্র ভাঙনের ফলে চরম বিপাকে পড়েছে ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ। ভাঙনের তীব্রতা যেন রেড়েই চলছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাইট অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহীন হোসেন বলেন, ‘সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধের অংশে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে বঙ্গবন্ধু সেতু হুমকিতে রয়েছে।’

এর আগে গত শনিবার বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কতৃর্পক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মো. ওয়াসিম আলী জানিয়েছিলেন, মূল সেতুর বাইরে ধসের ঘটনা ঘটেছে। রাস্তা ভেঙে যায়নি। ধ্বসের অংশটুকু সেতুর মধ্যে পড়ে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু সেতুর গাইড বাঁধে ধস, হুমকিতে রয়েছে সেতু

আপডেট সময় ০৪:০৬:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব দক্ষিণের গাইড বাঁধে ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বিকাল থেকে এই বাঁধে ধস শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার মিটার অংশ ধসে গেছে। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গরিলা বাড়ির সেতু এলাকা যমুনা নদীতে এই ভাঙন শুরু হয়েছে।

এদিকে গত শনিবার থেকে অব্যাহত সেতুর বাঁধে ধস ও ভাঙনরোধে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনও পদক্ষেপ নেননি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ (বিবিএ)। সেতুটির সাইট অফিসের প্রকৌশলীরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানিয়েছেন বলে জানান তারা।

দক্ষিণ বেলটিয়া গ্রামের আব্দুল আলীম ও চাঁন মিয়া শিকদারসহ অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, বিবিএ কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে বালু খেকোরা অবৈধভাবে বাঁধের অংশ থেকে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে বাঁধে ভাঙন ও ধস শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১ হাজার মিটার বাঁধ নদীগর্ভে চলে গেছে। এখনও তীব্র ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব কালিহাতী উপজেলার গরিলাবাড়ি এলাকায় সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধে কয়েকটি গ্রাম রক্ষার্থে যমুনা নদীতে সিসি ব্লক ও কার্পেটিং করে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। বাঁধ তৈরির ১৪ বছর পর বিবিএ কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সেতুর গাইড বাঁধ অংশ ভেঙে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করায় এবং যমুনার পানি কমে যাওয়ায় এই বাঁধে ভাঙণ দেখা দিয়েছে। বাঁধটি দ্রুত মেরামত করা না গেলে একদিকে সেতুটি হুমকির মুখে পড়বে অন্যদিকে আশপাশের প্রায় ৭ থেকে ৮টি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংঙ্কা রয়েছে। হঠাৎ করে তীব্র ভাঙনের ফলে চরম বিপাকে পড়েছে ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ। ভাঙনের তীব্রতা যেন রেড়েই চলছে।

এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সাইট অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহীন হোসেন বলেন, ‘সেতুর দক্ষিণের গাইড বাঁধের অংশে তীব্র ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে বঙ্গবন্ধু সেতু হুমকিতে রয়েছে।’

এর আগে গত শনিবার বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব বাংলাদেশ সেতু কতৃর্পক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী প্রকৌশলী মো. ওয়াসিম আলী জানিয়েছিলেন, মূল সেতুর বাইরে ধসের ঘটনা ঘটেছে। রাস্তা ভেঙে যায়নি। ধ্বসের অংশটুকু সেতুর মধ্যে পড়ে না।