ঢাকা ০৪:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

লকডাউনে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসায় কী করবেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

লকডাউনের কারণে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা। নিয়মিত কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন চলছে এমন রোগী পড়েছেন বিপাকে।

ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের এ সময় হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেয়া উচিত কিনা তা নিয়েও চিন্তায় পড়েছেন তাদের স্বজনরা।

কারণ এখন হাসপাতালে যাওয়া কঠিন। অন্যদিকে হাসপাতালে গিয়ে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়ার মতো নয়। আর ক্যান্সারের মতো ক্রনিক অসুখে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা কমে যায় বলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে।

ভারতের নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস ক্যান্সার হাসপাতালের মেডিকেল অনকোলজিস্ট অনিতা রমেশচন্দ্র বলেন, যারা ক্যান্সার চিকিৎসায় সেরে উঠবেন এবং যাদের সেরে ওঠার সম্ভাবনা কম, তাদের প্যালিয়েটিভ থেরাপি চলছে। তাদের চিকিৎসার ব্যাপারে টিউমার বোর্ড গঠন করে সেই অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিতান্ত দরকার না পড়লে হাসপাতালে না যাওয়াই ভালো।

তবে অনিতা দেবীর মতে, যেসব রোগীর ক্যান্সার আক্রান্তের কেমোথেরাপি চলছে এবং সেরে ওঠার সম্ভবনা রয়েছে, তাদের থেরাপি নিতে হাসপাতালে যেতে হবে। তবে যদি খাওয়ার ওষুধ দিয়ে কেমো দেয়া সম্ভব হয়, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে সেই মতো কেমো নেয়া যেতে পারে। তখন আর হাসপাতালে যাওয়ার দরকার হবে না।

তিনি বলেন, টার্মিনাল স্টেজের ক্যান্সার আক্রান্তদের ওষুধ ও ইনজেকশন দিয়ে বাড়িতে রাখাই ভালো। ৪–৬ সপ্তাহ পর্যন্ত ক্যান্সার রোগীদের এভাবে চিকিৎসা করা যায়।

অনিতা দেবীর অভিমত, এখন যদি কেউ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, সে ক্ষেত্রে টিউমার বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে চিকিৎসা করা উচিত। তবে কোভিড-১৯ ভাইরাসের প্রকোপ কমে গেলে অস্ত্রোপচার অথবা বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশনের সিদ্ধান্ত নেয়া ভালো।

ক্যান্সারের রোগীর স্বাভাবিক চিকিৎসা বন্ধ না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে রোগীকে বিকল্প উপায়ে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পৌঁছে দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

লকডাউনে ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসায় কী করবেন

আপডেট সময় ১০:৩৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

লকডাউনের কারণে ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীরা। নিয়মিত কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন চলছে এমন রোগী পড়েছেন বিপাকে।

ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের এ সময় হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেয়া উচিত কিনা তা নিয়েও চিন্তায় পড়েছেন তাদের স্বজনরা।

কারণ এখন হাসপাতালে যাওয়া কঠিন। অন্যদিকে হাসপাতালে গিয়ে করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা উড়িয়ে দেয়ার মতো নয়। আর ক্যান্সারের মতো ক্রনিক অসুখে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা কমে যায় বলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে।

ভারতের নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস ক্যান্সার হাসপাতালের মেডিকেল অনকোলজিস্ট অনিতা রমেশচন্দ্র বলেন, যারা ক্যান্সার চিকিৎসায় সেরে উঠবেন এবং যাদের সেরে ওঠার সম্ভাবনা কম, তাদের প্যালিয়েটিভ থেরাপি চলছে। তাদের চিকিৎসার ব্যাপারে টিউমার বোর্ড গঠন করে সেই অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিতান্ত দরকার না পড়লে হাসপাতালে না যাওয়াই ভালো।

তবে অনিতা দেবীর মতে, যেসব রোগীর ক্যান্সার আক্রান্তের কেমোথেরাপি চলছে এবং সেরে ওঠার সম্ভবনা রয়েছে, তাদের থেরাপি নিতে হাসপাতালে যেতে হবে। তবে যদি খাওয়ার ওষুধ দিয়ে কেমো দেয়া সম্ভব হয়, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে সেই মতো কেমো নেয়া যেতে পারে। তখন আর হাসপাতালে যাওয়ার দরকার হবে না।

তিনি বলেন, টার্মিনাল স্টেজের ক্যান্সার আক্রান্তদের ওষুধ ও ইনজেকশন দিয়ে বাড়িতে রাখাই ভালো। ৪–৬ সপ্তাহ পর্যন্ত ক্যান্সার রোগীদের এভাবে চিকিৎসা করা যায়।

অনিতা দেবীর অভিমত, এখন যদি কেউ নতুন করে ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, সে ক্ষেত্রে টিউমার বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে চিকিৎসা করা উচিত। তবে কোভিড-১৯ ভাইরাসের প্রকোপ কমে গেলে অস্ত্রোপচার অথবা বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টেশনের সিদ্ধান্ত নেয়া ভালো।

ক্যান্সারের রোগীর স্বাভাবিক চিকিৎসা বন্ধ না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে রোগীকে বিকল্প উপায়ে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পৌঁছে দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।