ঢাকা ০৫:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যারা ১৭ বছর দেশের বাইরে ছিল তারাই গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার ক্যাম্পাসগুলোকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রাজপথে নামলে সরকারের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না: ইসহাক সরকার নাটোরে যুবদলের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, মোটরসাইকেলে আগুন দোকান ভাঙচুর ধামরাইয়ে ঘরে ঢুকে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা এনসিপিতে যোগ দিলেন ইসহাক সরকার, রনি ও কাফি শিবির কি রগকাটা, শিবির কি গুপ্ত: গোলাম পরওয়ার দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী ‘শিক্ষকরা কোনো দলের নেতা নন, রাজনীতি করলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন’:কায়সার কামাল দেশে তেলের সংকট নেই, কিছু মানুষ অনৈতিক ব্যবসা করছে: মির্জা ফখরুল

করোনায় আক্রান্ত হয়েও অনেকেরই রোগের উপসর্গ নেই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশ্বে করোনভাইরাসে অনেকেই সংক্রমিত হয়েছেন। কিন্তু তাদের শরীরে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। করোনা পরীক্ষা করার পরই কেবল ধরা পড়েছে। এমন সংখ্যাটা অনেক। যারা উপসর্গবিহীন, তাদের মধ্যে থেকে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর বিষয়টি এখন বিজ্ঞানীদের একটা মাথা ব্যথা।

এরকম অনেকেই থাকতে পারেন। যেহেতু এই উপসর্গগুলো খুবই আবছা এবং প্রায় অনুপস্থিত, ফলে যা দেখা যাচ্ছে, সংক্রমিতের সংখ্যা তা না-ও হতে পারে। সত্যিকারের সংখ্যাটা অনেক বা অল্প বেশি হতে পারে।

অনেক বিশেষজ্ঞরাই বলবার চেষ্টা করছেন যে সংক্রমিত থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর হার এ বিষয়টা বোঝবার জন্য যথেষ্ট নয়। এই হার যদি ২ হয়, তাহলে এমন হতে পারে যে ২০ জন ব্যক্তি প্রত্যেকে ২ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছেন, আবার হিসেবটা এমনও হতে পারে যে তাদের মধ্যে ১৯ জন কাউকে সংক্রমিত করেননি, একজনই ৪০ জনকে সংক্রমিত করেছেন।

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেফ্রি শামান চীন থেকে তথ্য সংগ্রহ করে দেখিয়েছেন সেখানে মহামারি ছড়িয়েছিল তত অসুস্থ নন, এমন ব্যক্তিদের থেকে। তার হিসেব, প্রকোপের শুরুতে ৮৬ শতাংশ সংক্রমণ এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে ঘটেছিল, যারা ডাক্তার দেখানোর মত অসুস্থ বলে নিজেদের বোধই করেননি।

কোভিড ১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুর জাতীয় হিসাব ও বিশ্লেষণ এই গবেষণাপত্রটি সায়েন্স ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে এবং নীরব বাহকদের সম্পর্কে সতর্কতাবাণী হিসেবে জনপ্রিয়ও হয়েছে। চীনের অন্য একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সে দেশে একটি পরিবারে সংক্রমিতদের মধ্যে উপসর্গ বিহীন থেকে অতিউপসর্গজনিতরাও রয়েছেন।

আইসল্যান্ডে যথেচ্ছ টেস্টিংয়ে দেখা গিয়েছে ৫০ শতাংশ ব্যক্তি সংক্রমিত কিন্তু উপসর্গবিহীন।

কিন্তু কতজন রোগাক্রান্ত, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন কারা অন্যদের মধ্যে রোগ ছড়াচ্ছেন। উপসর্গবিহীনরা কি অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারেন?

শামান বলছেন, বাস্তবতা ওরকম স্পষ্ট নয়। উপসর্গ ব্যক্তিভিত্তিক এবং নিজে থেকে জানানোর বিষয়। তিনি বলেন, ‘মৌলিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বের ব্যাপারে চোখ খুলে দিতে পারে এই মহামারী’।

সামান্য করোনাভাইরাসের উপসর্গে জ্বর ছাড়া আর কিছু থাকে না, এবং অধিকাংশ সময়েই আর সব ঠিক থাকলে জ্বর কেউ মাপেনও না। নতুন তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে খুব মৃদু সংক্রমণের ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি গন্ধ পাবার ক্ষমতা হারাতে পারেন। এরকম হলে তাদের নিজেদের অসুস্থ বলে বিবেচনা করা উচিত।

নতুন করোনাভাইরাস আসার আগে শামান কোভিড ১৯ উপসর্গের মত বিষয়ে গবেষণা করেছিলেন, জ্বর ও ঠান্ডা লাগা নিয়ে। নিউ ইয়র্ক সিটিতে বাইরে বেরোনোর মত ২৫০০ স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিকে নিয়ে তিনি ঠান্ডা ও সর্দিকাশির ভাইরাসের যে গবেষণা করেছিলেন, তাতে তিনি বিভিন্নতা পেয়েছিলেন- তিনি দেখেছিলেন উপসর্গ রয়েছে কিন্তু অসুস্থতা নেই, অসুস্থতা রয়েছে কিন্তু উপসর্গ নেই।

আরেকটি গবেষণায় তিনি ও তার সহকর্মীরা ২০০ জনের মধ্যে গবেষণায় দেখেছিলেন, ফ্লু-এর ক্ষেত্রে প্রতি চারজনে একজন ডাক্তার দেখান, ঠান্ডা লাগলে ডাক্তারের পরামর্শ নেন প্রতি ২৫ জনে একজন।

কোভিড ১৯ পূর্ববর্তী সময়ে অনেকেই কাশি, গলা ব্যথা, ঠান্ডা লাগার মত উপসর্গ নিয়ে কাজে যেতেন, দোকানে যেতেন, রেস্তোরাঁয় যেতেন এবং কখনও কখনও প্লেনও চাপতেন। শামান বলছেন, এ কারণেই শ্বাসজনিত এই ভাইরাস এত দ্রুত ছড়াতে পারে।

প্রাবল্যের ভিন্নতার কারণেই এই মহামারির সঙ্গে যুদ্ধ কঠিন হয়ে পড়েছে- সার্সের মত প্রায় সকলের মধ্যে যদি এর প্রাবল্য থাকত তাহলে একে আটকানো সহজ হত। এটা অধিকাংশের মধ্যেই যদি মৃদু হত, তাহলে একে ফ্লুয়ের মত করে মোকাবিলা করা যেত। কিন্তু এ কিছুজনের ক্ষেত্রে মারাত্মক ও কিছু জনের ক্ষেত্রে মৃদু- এমনকি নীরব।

আমেরিকায় অধিকাংশ অল্পবয়সীরা হাসপাতালে যাচ্ছেন, চিনে যাঁদের অবস্থা গুরুতর তাদের অধিকাংশের বয়স ষাটের উপর। এটা ভাইরাসের মিউটেশনের কারণে হচ্ছে বলে মনে হয় না। এখানে স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং সচেতনতার অভাবের প্রশ্ন রয়েছে। অধিকাংশ চিনারাই শুরুতে মনে করেছিলেন তাঁদের ঠান্ডা লেগেছে বা সর্দি হয়েছে।

এতদিনে জানা গিয়েছে সংক্রমিত হবার ৫ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে অসুস্থ বোধ করবার জন্য এবং এ কদিনে একজন সংক্রমিত কতজনের মধ্যে রোগ ছড়াতে পারবেন, তা অজানা।

গবেষণায় শামান ও তার সহকর্মীরা ১০ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি, চীন ভ্রমণ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা জারির ঠিক আগে পর্যন্ত উপসর্গের রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছেন।

সেখান থেকে তিনি দেখাচ্ছেন ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তিরা ভাল বোধ করছেন, সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এবং সংক্রমণের নতুন শৃঙ্খল তৈরি করছেন।

সে কারণেই অসুস্থ বোধ করলে বাড়ি থাকতে বলা যথেষ্ট নয়। যথেষ্ট পরিমাণ টেস্ট এবং সংস্রব চিহ্নিতকরণের মাধ্যমে সাফল্য আসবে। আমেরিকা এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত ব্যর্থ। এ অবস্থায় অন্যদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব রাখাই বাঞ্ছনীয়, যাতে সংক্রমণ দূরে রাখা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

করোনায় আক্রান্ত হয়েও অনেকেরই রোগের উপসর্গ নেই

আপডেট সময় ১১:৩১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশ্বে করোনভাইরাসে অনেকেই সংক্রমিত হয়েছেন। কিন্তু তাদের শরীরে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। করোনা পরীক্ষা করার পরই কেবল ধরা পড়েছে। এমন সংখ্যাটা অনেক। যারা উপসর্গবিহীন, তাদের মধ্যে থেকে করোনা সংক্রমণ ছড়ানোর বিষয়টি এখন বিজ্ঞানীদের একটা মাথা ব্যথা।

এরকম অনেকেই থাকতে পারেন। যেহেতু এই উপসর্গগুলো খুবই আবছা এবং প্রায় অনুপস্থিত, ফলে যা দেখা যাচ্ছে, সংক্রমিতের সংখ্যা তা না-ও হতে পারে। সত্যিকারের সংখ্যাটা অনেক বা অল্প বেশি হতে পারে।

অনেক বিশেষজ্ঞরাই বলবার চেষ্টা করছেন যে সংক্রমিত থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর হার এ বিষয়টা বোঝবার জন্য যথেষ্ট নয়। এই হার যদি ২ হয়, তাহলে এমন হতে পারে যে ২০ জন ব্যক্তি প্রত্যেকে ২ জনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছেন, আবার হিসেবটা এমনও হতে পারে যে তাদের মধ্যে ১৯ জন কাউকে সংক্রমিত করেননি, একজনই ৪০ জনকে সংক্রমিত করেছেন।

কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেফ্রি শামান চীন থেকে তথ্য সংগ্রহ করে দেখিয়েছেন সেখানে মহামারি ছড়িয়েছিল তত অসুস্থ নন, এমন ব্যক্তিদের থেকে। তার হিসেব, প্রকোপের শুরুতে ৮৬ শতাংশ সংক্রমণ এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে ঘটেছিল, যারা ডাক্তার দেখানোর মত অসুস্থ বলে নিজেদের বোধই করেননি।

কোভিড ১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুর জাতীয় হিসাব ও বিশ্লেষণ এই গবেষণাপত্রটি সায়েন্স ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছে এবং নীরব বাহকদের সম্পর্কে সতর্কতাবাণী হিসেবে জনপ্রিয়ও হয়েছে। চীনের অন্য একটি গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, সে দেশে একটি পরিবারে সংক্রমিতদের মধ্যে উপসর্গ বিহীন থেকে অতিউপসর্গজনিতরাও রয়েছেন।

আইসল্যান্ডে যথেচ্ছ টেস্টিংয়ে দেখা গিয়েছে ৫০ শতাংশ ব্যক্তি সংক্রমিত কিন্তু উপসর্গবিহীন।

কিন্তু কতজন রোগাক্রান্ত, তার চেয়ে বড় প্রশ্ন কারা অন্যদের মধ্যে রোগ ছড়াচ্ছেন। উপসর্গবিহীনরা কি অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াতে পারেন?

শামান বলছেন, বাস্তবতা ওরকম স্পষ্ট নয়। উপসর্গ ব্যক্তিভিত্তিক এবং নিজে থেকে জানানোর বিষয়। তিনি বলেন, ‘মৌলিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বের ব্যাপারে চোখ খুলে দিতে পারে এই মহামারী’।

সামান্য করোনাভাইরাসের উপসর্গে জ্বর ছাড়া আর কিছু থাকে না, এবং অধিকাংশ সময়েই আর সব ঠিক থাকলে জ্বর কেউ মাপেনও না। নতুন তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে খুব মৃদু সংক্রমণের ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি গন্ধ পাবার ক্ষমতা হারাতে পারেন। এরকম হলে তাদের নিজেদের অসুস্থ বলে বিবেচনা করা উচিত।

নতুন করোনাভাইরাস আসার আগে শামান কোভিড ১৯ উপসর্গের মত বিষয়ে গবেষণা করেছিলেন, জ্বর ও ঠান্ডা লাগা নিয়ে। নিউ ইয়র্ক সিটিতে বাইরে বেরোনোর মত ২৫০০ স্বাস্থ্যবান ব্যক্তিকে নিয়ে তিনি ঠান্ডা ও সর্দিকাশির ভাইরাসের যে গবেষণা করেছিলেন, তাতে তিনি বিভিন্নতা পেয়েছিলেন- তিনি দেখেছিলেন উপসর্গ রয়েছে কিন্তু অসুস্থতা নেই, অসুস্থতা রয়েছে কিন্তু উপসর্গ নেই।

আরেকটি গবেষণায় তিনি ও তার সহকর্মীরা ২০০ জনের মধ্যে গবেষণায় দেখেছিলেন, ফ্লু-এর ক্ষেত্রে প্রতি চারজনে একজন ডাক্তার দেখান, ঠান্ডা লাগলে ডাক্তারের পরামর্শ নেন প্রতি ২৫ জনে একজন।

কোভিড ১৯ পূর্ববর্তী সময়ে অনেকেই কাশি, গলা ব্যথা, ঠান্ডা লাগার মত উপসর্গ নিয়ে কাজে যেতেন, দোকানে যেতেন, রেস্তোরাঁয় যেতেন এবং কখনও কখনও প্লেনও চাপতেন। শামান বলছেন, এ কারণেই শ্বাসজনিত এই ভাইরাস এত দ্রুত ছড়াতে পারে।

প্রাবল্যের ভিন্নতার কারণেই এই মহামারির সঙ্গে যুদ্ধ কঠিন হয়ে পড়েছে- সার্সের মত প্রায় সকলের মধ্যে যদি এর প্রাবল্য থাকত তাহলে একে আটকানো সহজ হত। এটা অধিকাংশের মধ্যেই যদি মৃদু হত, তাহলে একে ফ্লুয়ের মত করে মোকাবিলা করা যেত। কিন্তু এ কিছুজনের ক্ষেত্রে মারাত্মক ও কিছু জনের ক্ষেত্রে মৃদু- এমনকি নীরব।

আমেরিকায় অধিকাংশ অল্পবয়সীরা হাসপাতালে যাচ্ছেন, চিনে যাঁদের অবস্থা গুরুতর তাদের অধিকাংশের বয়স ষাটের উপর। এটা ভাইরাসের মিউটেশনের কারণে হচ্ছে বলে মনে হয় না। এখানে স্বাস্থ্য পরিস্থিতি এবং সচেতনতার অভাবের প্রশ্ন রয়েছে। অধিকাংশ চিনারাই শুরুতে মনে করেছিলেন তাঁদের ঠান্ডা লেগেছে বা সর্দি হয়েছে।

এতদিনে জানা গিয়েছে সংক্রমিত হবার ৫ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত সময় লাগতে পারে অসুস্থ বোধ করবার জন্য এবং এ কদিনে একজন সংক্রমিত কতজনের মধ্যে রোগ ছড়াতে পারবেন, তা অজানা।

গবেষণায় শামান ও তার সহকর্মীরা ১০ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি, চীন ভ্রমণ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা জারির ঠিক আগে পর্যন্ত উপসর্গের রিপোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছেন।

সেখান থেকে তিনি দেখাচ্ছেন ভাইরাস সংক্রমিত ব্যক্তিরা ভাল বোধ করছেন, সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এবং সংক্রমণের নতুন শৃঙ্খল তৈরি করছেন।

সে কারণেই অসুস্থ বোধ করলে বাড়ি থাকতে বলা যথেষ্ট নয়। যথেষ্ট পরিমাণ টেস্ট এবং সংস্রব চিহ্নিতকরণের মাধ্যমে সাফল্য আসবে। আমেরিকা এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত ব্যর্থ। এ অবস্থায় অন্যদের থেকে নিরাপদ দূরত্ব রাখাই বাঞ্ছনীয়, যাতে সংক্রমণ দূরে রাখা যায়।