ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ পরীক্ষা ভীতি দূর করে আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আহ্বান জাপানি প্রধানমন্ত্রীর পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে এনে জনগণকে দেওয়া হবে: তারেক রহমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী বিএনপির মনোনয়ন পেলেন না অভিনেত্রী চমক ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল জাপান, সুনামি সতর্কতা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি: ইরান গুমের বিরুদ্ধে শক্ত আইন চায় জনগণ : রিজভী শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে হামের টিকার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত দ্বিতীয় রোগী শনাক্ত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রামের আরও একজন ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। রোববার রাতে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষার এই রোগ ধরা পড়ে। এই ব্যক্তি নিয়ে চট্টগ্রামে দুজনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেল।

চট্টগ্রামে গত শুক্রবার করোনাভাইরাস সংক্রমিত প্রথম ব্যক্তি শনাক্ত হন। তিনি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রোববার সংক্রমিত ব্যক্তি প্রথম শনাক্ত হওয়া ব্যক্তির ছেলে। চট্টগ্রাম নগরের দামপাড়ায় তাঁদের বাড়ি। শুক্রবার রাতে পুলিশ ওই বাড়ি এবং প্রতিবেশী আরও পাঁচটি বাড়ি লকডাউন করে।

একটি সূত্র জানায়, করোনা আক্রান্ত প্রথম ব্যক্তির মেয়ে ১৩ মার্চ পবিত্র ওমরাহ পালন করে চট্টগ্রামে ফেরেন। মেয়ের সংস্পর্শের কারণে একই পরিবারের পিতা ও পুত্র করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হন। চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিআইটিআইডি হাসপাতালের কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষায় আরও একজন ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ওই ব্যক্তি চট্টগ্রাম নগরের একটি সুপারশপে চাকরি করতেন। ওই সুপারশপের ১৪ জন কর্মীকে আমরা খুঁজে হোম কোয়ারেন্টিনে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি দৈনিক আকাশকে বলেন, রোববার বিআইটিআইডি হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা হয় ২৩ জনের।

প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির অবস্থা স্থিতিশীল:
এদিকে গত কোভিড-১৯ রোগে শনাক্ত ব্যক্তি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। তিনি আগে থেকেই ডায়াবেটিস এবং ব্রংকাইটিসে ভুগছিলেন।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক অসীম কুমার নাথ দৈনিক আকাশকে বলেন, করোনা সংক্রমিত ব্যক্তিকে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কাগজপত্র থাকলে সৌদিতে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ

চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত দ্বিতীয় রোগী শনাক্ত

আপডেট সময় ১০:২৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রামের আরও একজন ব্যক্তির শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। রোববার রাতে চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষার এই রোগ ধরা পড়ে। এই ব্যক্তি নিয়ে চট্টগ্রামে দুজনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেল।

চট্টগ্রামে গত শুক্রবার করোনাভাইরাস সংক্রমিত প্রথম ব্যক্তি শনাক্ত হন। তিনি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রোববার সংক্রমিত ব্যক্তি প্রথম শনাক্ত হওয়া ব্যক্তির ছেলে। চট্টগ্রাম নগরের দামপাড়ায় তাঁদের বাড়ি। শুক্রবার রাতে পুলিশ ওই বাড়ি এবং প্রতিবেশী আরও পাঁচটি বাড়ি লকডাউন করে।

একটি সূত্র জানায়, করোনা আক্রান্ত প্রথম ব্যক্তির মেয়ে ১৩ মার্চ পবিত্র ওমরাহ পালন করে চট্টগ্রামে ফেরেন। মেয়ের সংস্পর্শের কারণে একই পরিবারের পিতা ও পুত্র করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হন। চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘বিআইটিআইডি হাসপাতালের কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষায় আরও একজন ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। ওই ব্যক্তি চট্টগ্রাম নগরের একটি সুপারশপে চাকরি করতেন। ওই সুপারশপের ১৪ জন কর্মীকে আমরা খুঁজে হোম কোয়ারেন্টিনে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি দৈনিক আকাশকে বলেন, রোববার বিআইটিআইডি হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা হয় ২৩ জনের।

প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির অবস্থা স্থিতিশীল:
এদিকে গত কোভিড-১৯ রোগে শনাক্ত ব্যক্তি চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন। তিনি আগে থেকেই ডায়াবেটিস এবং ব্রংকাইটিসে ভুগছিলেন।

চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক অসীম কুমার নাথ দৈনিক আকাশকে বলেন, করোনা সংক্রমিত ব্যক্তিকে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক এবং অন্যান্য ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।