ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০২৭ সালে কমলাপুর পর্যন্ত চালু হচ্ছে মেট্রোরেল উপজেলায় জোরদার হচ্ছে মশক নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নির্ভরযোগ্য ডাটা জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি : অর্থমন্ত্রী ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত : মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মিয়ানমার সীমা‌ন্তে নজরদা‌রি বা‌ড়ানো হয়েছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিশালে স্ট্যাম্প-চেকে জোর করে স্বাক্ষরের ঘটনায় দুজন গ্রেফতার খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ইরানের নিউইয়র্কে গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ ফিলিস্তিনে দখলদারত্ব না শেষ হলে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক নয় : সিসি জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ছিল একটি বর্বরোচিত ঘটনা : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

যে কারণে অনেক করোনা রোগীর লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে প্রাণঘাতী এই করোনাভাইরাস। এই ভাইরাসের ভয়াল থাবায় এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে বিশ্বের ২০৫টি দেশ ও অঞ্চল। এসব দেশে সংক্রমিত হয়েছে প্রায় ১১ লাখ মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৫৯ হাজারের।

ছোঁয়াচে করোনাভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলে সব বয়সী মানুষই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আবার অনেকে আক্রান্ত হলেও কোনও লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না।

চীনের গবেষকরা বলছেন, জিনগত কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেই অনেকের ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পাচ্ছে। আবার সবল জিনের কারণে আক্রান্ত হলেও করোনাভাইরাসকে শক্ত অবস্থান নিতে দিচ্ছে না কিছু মানুষের ইমিউন সিস্টেম। রক্তের গ্রুপের কারণেও এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।
তবে কী ধরনের জিনগত বৈশিষ্ট্য থাকলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং কোন ধরনের জিনে এটার হার কম, তা এখনো স্পষ্টভাবে জানাননি গবেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের রকফেলর ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলছেন, জেনেটিক পার্থক্যগুলোর কারণে করোনা আক্রান্ত হলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে যাওয়া কিংবা লক্ষণ প্রকাশ না পাওয়ার ঘটনা ঘটছে। বলা চলে করোনার ক্ষেত্রে বংশগত ব্যাপার মূল বিষয় হতে পারে। যাদের বংশীয়ভাবে তীব্র নিউমোনিয়ার সংবেদনশীলতা আছে, তাদের শরীরে দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে পারে করোনাভাইরাস।

গবেষকরা আরও খতিয়ে দেখছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে অনেকের মধ্যে কেবল কাশির লক্ষণ কেন দেখা দিচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৭ সালে কমলাপুর পর্যন্ত চালু হচ্ছে মেট্রোরেল

যে কারণে অনেক করোনা রোগীর লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না

আপডেট সময় ০৯:৫৭:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে প্রাণঘাতী এই করোনাভাইরাস। এই ভাইরাসের ভয়াল থাবায় এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে বিশ্বের ২০৫টি দেশ ও অঞ্চল। এসব দেশে সংক্রমিত হয়েছে প্রায় ১১ লাখ মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ৫৯ হাজারের।

ছোঁয়াচে করোনাভাইরাসের বিষাক্ত ছোবলে সব বয়সী মানুষই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আবার অনেকে আক্রান্ত হলেও কোনও লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না।

চীনের গবেষকরা বলছেন, জিনগত কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেই অনেকের ক্ষেত্রে তা প্রকাশ পাচ্ছে। আবার সবল জিনের কারণে আক্রান্ত হলেও করোনাভাইরাসকে শক্ত অবস্থান নিতে দিচ্ছে না কিছু মানুষের ইমিউন সিস্টেম। রক্তের গ্রুপের কারণেও এ ধরনের ঘটনা ঘটছে।
তবে কী ধরনের জিনগত বৈশিষ্ট্য থাকলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং কোন ধরনের জিনে এটার হার কম, তা এখনো স্পষ্টভাবে জানাননি গবেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের রকফেলর ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলছেন, জেনেটিক পার্থক্যগুলোর কারণে করোনা আক্রান্ত হলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে যাওয়া কিংবা লক্ষণ প্রকাশ না পাওয়ার ঘটনা ঘটছে। বলা চলে করোনার ক্ষেত্রে বংশগত ব্যাপার মূল বিষয় হতে পারে। যাদের বংশীয়ভাবে তীব্র নিউমোনিয়ার সংবেদনশীলতা আছে, তাদের শরীরে দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে পারে করোনাভাইরাস।

গবেষকরা আরও খতিয়ে দেখছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে অনেকের মধ্যে কেবল কাশির লক্ষণ কেন দেখা দিচ্ছে।