ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ

বিএনপি এসেছিল ক্ষমতা ভোগের জন্য : আমু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসেছিল ভোগের জন্য।

আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনায় আসে জনগণের কল্যাণের জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য। রোববার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সেমিনার হলে ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দশ বছর’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্জিত স্বাধীনতার স্বাদ জনগণের কাছে পৌঁছানো এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে শেখ হাসিনার সরকার। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সার্বক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটি তার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি, যা তিনি তার পিতা আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে পেয়েছেন। তার প্রতিটি রক্তবিন্দু দেশের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে আমু বলেন, দেশে কোনো শিক্ষানীতি ছিল না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে উন্নত দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করেন। এতে এখন গ্রামের ছেলে-মেয়েরাও উন্নত শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে। গ্রামীণ অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে, পদ্মা সেতু ও পায়রা বন্দর এখন দৃশ্যমান। দেশ স্বাস্থ্য ও বিদ্যুৎ খাতে সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে দাবি করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশিরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে পরিকল্পনা নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে আগামী দিনে বিদেশিরাই আমাদের দেশে আসবে কর্মসংস্থানের জন্য।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের প্রচার উপকমিটির সভাপতি এইচটি ইমাম বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নকে আরও উচ্চতর স্থানে নিয়ে যেতে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তবেই বাংলাদেশ একটি আদর্শ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে তার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সমর্থ হবে। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে নেতিবাচক রাজনীতি না থাকলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও অন্তত দুই শতাংশ বৃদ্ধি পেত। তারপরও বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বিশ্বের প্রথম পাঁচটি দেশের অন্যতম।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই প্রধান অঙ্গীকার ছিল, দিনবদল আর ডিজিটাল বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী নেতৃত্বে আমরা দুটি অঙ্গীকার পালনে সমর্থ হয়েছি। বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। আমরা বিশ্বে মিঠা পানির মাছ ও সবজি উৎপাদনে চতুর্থ এবং আলু উৎপাদনে সপ্তম। আর ডিজিটাল বাংলাদেশে ১৭ কোটি মানুষের দেশে ১৫ কোটি মোবাইল সিম ১৪ কোটি গ্রাহক ব্যবহার করছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনন্য গতিশীল নেতৃত্বে ২০০৮ সালের ৬০০ ডলারের মাথাপিছু আয় তিনগুণ বেড়ে এখন প্রায় দুই হাজার ডলার। রফতানি ১০ মিলিয়ন থেকে আজ ৪২ মিলিয়ন ডলার। মানুষের গড় আয়ু ৬৫ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ দশমিক ৮ বছর। মানবিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সব সূচকে আমরা পাকিস্তানসহ বিশ্বের অনেক দেশ থেকে এগিয়ে আছি, যা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর মহা আক্ষেপের বিষয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘উন্নয়ন ও অগ্রগতির ১০ বছর’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম, অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান, আওয়ামী লীগ প্রচার উপকমিটির যুগ্ম সম্পাদক আমিন উদ্দীন আমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণির ৪ নতুন পাঠ্যবইয়ের অনুমোদন

বিএনপি এসেছিল ক্ষমতা ভোগের জন্য : আমু

আপডেট সময় ০১:৫৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আমির হোসেন আমু বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় এসেছিল ভোগের জন্য।

আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনায় আসে জনগণের কল্যাণের জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য। রোববার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সেমিনার হলে ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির দশ বছর’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমির হোসেন আমু আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অর্জিত স্বাধীনতার স্বাদ জনগণের কাছে পৌঁছানো এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে শেখ হাসিনার সরকার। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সার্বক্ষণিক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এটি তার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি, যা তিনি তার পিতা আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছ থেকে পেয়েছেন। তার প্রতিটি রক্তবিন্দু দেশের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে আমু বলেন, দেশে কোনো শিক্ষানীতি ছিল না, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে উন্নত দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করেন। এতে এখন গ্রামের ছেলে-মেয়েরাও উন্নত শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে। গ্রামীণ অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে, পদ্মা সেতু ও পায়রা বন্দর এখন দৃশ্যমান। দেশ স্বাস্থ্য ও বিদ্যুৎ খাতে সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে দাবি করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশিরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে পরিকল্পনা নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তাতে আগামী দিনে বিদেশিরাই আমাদের দেশে আসবে কর্মসংস্থানের জন্য।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও আওয়ামী লীগের প্রচার উপকমিটির সভাপতি এইচটি ইমাম বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নকে আরও উচ্চতর স্থানে নিয়ে যেতে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। তবেই বাংলাদেশ একটি আদর্শ দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে তার মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সমর্থ হবে। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে নেতিবাচক রাজনীতি না থাকলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি আরও অন্তত দুই শতাংশ বৃদ্ধি পেত। তারপরও বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বিশ্বের প্রথম পাঁচটি দেশের অন্যতম।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দুই প্রধান অঙ্গীকার ছিল, দিনবদল আর ডিজিটাল বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী নেতৃত্বে আমরা দুটি অঙ্গীকার পালনে সমর্থ হয়েছি। বাংলাদেশ এখন স্বল্পোন্নত দেশের কাতার থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। আমরা বিশ্বে মিঠা পানির মাছ ও সবজি উৎপাদনে চতুর্থ এবং আলু উৎপাদনে সপ্তম। আর ডিজিটাল বাংলাদেশে ১৭ কোটি মানুষের দেশে ১৫ কোটি মোবাইল সিম ১৪ কোটি গ্রাহক ব্যবহার করছে।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনন্য গতিশীল নেতৃত্বে ২০০৮ সালের ৬০০ ডলারের মাথাপিছু আয় তিনগুণ বেড়ে এখন প্রায় দুই হাজার ডলার। রফতানি ১০ মিলিয়ন থেকে আজ ৪২ মিলিয়ন ডলার। মানুষের গড় আয়ু ৬৫ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭২ দশমিক ৮ বছর। মানবিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সব সূচকে আমরা পাকিস্তানসহ বিশ্বের অনেক দেশ থেকে এগিয়ে আছি, যা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর মহা আক্ষেপের বিষয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ‘উন্নয়ন ও অগ্রগতির ১০ বছর’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. শামসুল আলম, অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান, আওয়ামী লীগ প্রচার উপকমিটির যুগ্ম সম্পাদক আমিন উদ্দীন আমিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।