ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের মানবিক বাংলাদেশ গড়ায় আপনাদের সহযোগিতা চাই : নজরুল ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

রেকর্ড গড়া ইয়াসিরকে মুশতাকের অভিনন্দন

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দুবাই টেস্টে ইয়াসির শাহর ঘূর্ণিতে ৯০ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। একাই ৮ উইকেট শিকার করেন পাকিস্তানের লেগ স্পিনার ইয়াসির। তার ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে নিউজিল্যান্ডের ছয়জন ব্যাটসম্যান রানের খাতা খোলার সুযোগ পাননি।

দুবাই টেস্টে দুর্দান্ত বোলিং করা ইয়াসির শাহকে অভিনন্দন জানিয়ে পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার মুশতাক আহমেদ বলেন, দুবাইয়ে এই মাইলফলকের জন্য ইয়াসিরকে অভিনন্দন। অভিনন্দন পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে। দুর্দান্ত খেলার জন্য।

টেস্ট ক্যারিয়ারে এত দিন ইয়াসির শাহের সেরা বোলিং ছিল ৭৬ রানে ৭ উইকেট। সোমবার দুবাই টেস্টের তৃতীয় দিনে ১২.৩ ওভারে ৪১ রানে (৩.২৮ ইকোনমি) ৮ উইকেট শিকার করেন ইয়াসির শাহ। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টেস্টে যে কোনো বোলারের এটাই সেরা বোলিং ফিগার।

এর আগে ২০১৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৩.৫ ওভারে ৪৯ রানে (৩.৫৪ ইকোনমি) ৮ উইকেট শিকার করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেগ স্পিনার দেবেন্দ্র বিশু। বল, রান এবং ইকোনমি হিসেবে দুবাই স্টেডিয়ামে টেস্টের সেরা বোলার ইয়াসির শাহ।

টেস্টের এক ইনিংসে প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট শিকারের রেকর্ড আছে দুজনের। ১৯৫৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার সবকটি উইকেট শিকার করেন ইংল্যান্ডের অফ স্পিনার জিম লাকার। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের ১০ উইকেট শিকার করে লাকারের সেই রেকর্ডে ভাগ বসান ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার অনিল কুম্বলে।

তবে পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে টেস্টের এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের রেকর্ড আছে আব্দুল কাদিরের। তিনি মাত্র ১৩ রানে ইংল্যান্ডের ৯ উইকেট শিকার করেছিলেন। এছাড়া ৮ উইকেট শিকারের রেকর্ড আছে সরফরাজ নেওয়াজ, ইমরান খান, সিকান্দার বখত ও সাকলাইন মুশতাকের।

টেস্টে এ নিয়ে ২৫ বার ১০০ রানের নিচে অলআউট নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের বিপক্ষেই এ নিয়ে ছয়বার ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার রেকর্ড আছে ব্লাকক্যাপসদের। তবে টেস্টের এক ইনিংসে নিউজিল্যান্ড সর্বনিম্ন স্কোর ২৬। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯৫৫ এমন রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ড। হারিস সোহেলের ১৪৭ ও বাবর আজমের ১২৭ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ৪১৮ রান নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান।

জবাব দিতে নেমে উদ্বোধনীতে ৫০ রান করা নিউজিল্যান্ড এরপর ৪০ রানে হারায় ১০ উইকেট। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন ওপেনার জিত রাভেল। ২৮ রান করে অপরাজিত অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ২২ রান আসে ওপেনার টম লাথামের ব্যাট থেকে।

এ ছাড়া আজাজ প্যাটেল-ওয়েটলিং ৪ ও ১ রান করে করলেও রানের খাতা খোলার সুযোগ পাননি রস টেইলর, নিকোলাস, গ্রান্ডহোম, ইস সাউদি, ওয়াগনার ও ট্রেন্ট বোল্ট। পাকিস্তানের হয়ে মাত্র ১২.৩ ওভার বোলিং করে ৪১ রানে ৮ উইকেট শিকার করেন ইয়াসির শাহ। ১ উইকেট নেন হাসান আলী।

৩২৮ রানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅন এড়াতে ব্যাটিং করছে নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অতিথি নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৩১ রান। এই উইকেট দুটিও তুলে নেন ইয়াসির শাহ। প্রথম ইনিংসে ৮ আর দ্বিতীয় ইনিংসের দুই। সবমিলে এক দিনে নিউজিল্যান্ডের ১০ উইকেট তুলে নেন ইয়াসির। ৪৯ ও ৪৪ রান নিয়ে অপরাজিত রস টেইলর ও টম লাথাম। ৩০ রান করে ফিরেছেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজার চাহিদার ভিত্তিতেই বিমানের বোয়িং কেনা: সিইও

রেকর্ড গড়া ইয়াসিরকে মুশতাকের অভিনন্দন

আপডেট সময় ১২:০০:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

দুবাই টেস্টে ইয়াসির শাহর ঘূর্ণিতে ৯০ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। একাই ৮ উইকেট শিকার করেন পাকিস্তানের লেগ স্পিনার ইয়াসির। তার ঘূর্ণি বলে বিভ্রান্ত হয়ে নিউজিল্যান্ডের ছয়জন ব্যাটসম্যান রানের খাতা খোলার সুযোগ পাননি।

দুবাই টেস্টে দুর্দান্ত বোলিং করা ইয়াসির শাহকে অভিনন্দন জানিয়ে পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার মুশতাক আহমেদ বলেন, দুবাইয়ে এই মাইলফলকের জন্য ইয়াসিরকে অভিনন্দন। অভিনন্দন পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে। দুর্দান্ত খেলার জন্য।

টেস্ট ক্যারিয়ারে এত দিন ইয়াসির শাহের সেরা বোলিং ছিল ৭৬ রানে ৭ উইকেট। সোমবার দুবাই টেস্টের তৃতীয় দিনে ১২.৩ ওভারে ৪১ রানে (৩.২৮ ইকোনমি) ৮ উইকেট শিকার করেন ইয়াসির শাহ। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টেস্টে যে কোনো বোলারের এটাই সেরা বোলিং ফিগার।

এর আগে ২০১৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৩.৫ ওভারে ৪৯ রানে (৩.৫৪ ইকোনমি) ৮ উইকেট শিকার করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেগ স্পিনার দেবেন্দ্র বিশু। বল, রান এবং ইকোনমি হিসেবে দুবাই স্টেডিয়ামে টেস্টের সেরা বোলার ইয়াসির শাহ।

টেস্টের এক ইনিংসে প্রতিপক্ষের ১০ উইকেট শিকারের রেকর্ড আছে দুজনের। ১৯৫৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার সবকটি উইকেট শিকার করেন ইংল্যান্ডের অফ স্পিনার জিম লাকার। ১৯৯৯ সালে পাকিস্তানের ১০ উইকেট শিকার করে লাকারের সেই রেকর্ডে ভাগ বসান ভারতের সাবেক তারকা ক্রিকেটার অনিল কুম্বলে।

তবে পাকিস্তানি বোলারদের মধ্যে টেস্টের এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের রেকর্ড আছে আব্দুল কাদিরের। তিনি মাত্র ১৩ রানে ইংল্যান্ডের ৯ উইকেট শিকার করেছিলেন। এছাড়া ৮ উইকেট শিকারের রেকর্ড আছে সরফরাজ নেওয়াজ, ইমরান খান, সিকান্দার বখত ও সাকলাইন মুশতাকের।

টেস্টে এ নিয়ে ২৫ বার ১০০ রানের নিচে অলআউট নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তানের বিপক্ষেই এ নিয়ে ছয়বার ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার রেকর্ড আছে ব্লাকক্যাপসদের। তবে টেস্টের এক ইনিংসে নিউজিল্যান্ড সর্বনিম্ন স্কোর ২৬। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৯৫৫ এমন রেকর্ড গড়ে নিউজিল্যান্ড। হারিস সোহেলের ১৪৭ ও বাবর আজমের ১২৭ রানে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটে ৪১৮ রান নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে পাকিস্তান।

জবাব দিতে নেমে উদ্বোধনীতে ৫০ রান করা নিউজিল্যান্ড এরপর ৪০ রানে হারায় ১০ উইকেট। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেন ওপেনার জিত রাভেল। ২৮ রান করে অপরাজিত অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ২২ রান আসে ওপেনার টম লাথামের ব্যাট থেকে।

এ ছাড়া আজাজ প্যাটেল-ওয়েটলিং ৪ ও ১ রান করে করলেও রানের খাতা খোলার সুযোগ পাননি রস টেইলর, নিকোলাস, গ্রান্ডহোম, ইস সাউদি, ওয়াগনার ও ট্রেন্ট বোল্ট। পাকিস্তানের হয়ে মাত্র ১২.৩ ওভার বোলিং করে ৪১ রানে ৮ উইকেট শিকার করেন ইয়াসির শাহ। ১ উইকেট নেন হাসান আলী।

৩২৮ রানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅন এড়াতে ব্যাটিং করছে নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় দিনের খেলা শেষে অতিথি নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১৩১ রান। এই উইকেট দুটিও তুলে নেন ইয়াসির শাহ। প্রথম ইনিংসে ৮ আর দ্বিতীয় ইনিংসের দুই। সবমিলে এক দিনে নিউজিল্যান্ডের ১০ উইকেট তুলে নেন ইয়াসির। ৪৯ ও ৪৪ রান নিয়ে অপরাজিত রস টেইলর ও টম লাথাম। ৩০ রান করে ফিরেছেন অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।