ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন: আ স ম রব ‘ক্ষমতা সীমিত’ হওয়ায় অনেক কাজ করা সম্ভব হয়নি: সাবেক উপদেষ্টা পাকিস্তানের অনুরোধেই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি: ট্রাম্প হাম ও উপসর্গে মৃত্যু:পরিস্থিতির অবনতি হলে হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওমানে গাড়ির ভেতর চার ভাইয়ের মৃত্যু কার্বন মনোক্সাইডে, ধারণা পুলিশের রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ তৎকালীন আওয়ামী সরকারের কারণে জনগণ পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল সংবিধান সংশোধন: প্রতিশ্রুতি ছাড়া কমিটিতে থাকতে চায় না জামায়াত পশ্চিমবঙ্গে জোট নয়; ‘একলা লড়াই’র ডাক রাহুল গান্ধীর বিশেষায়িত ইউনিটে জনবল বৃদ্ধি চায় পুলিশ

ঢাবির প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তে সেই ‘ব্যর্থ কমিটি’!

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি সেশনের অনার্স (সম্মান) প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ঘ’ ইউনিটে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় যারা গত এক বছরেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সেই ‘ব্যর্থ কমিটি’কে আবার ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁসে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সোমবার চলতি বছরের ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে এই অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক, সিন্ডিকেট সদস্য বজলুল মজনুন চুন্নু, জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক অসীম কুমার সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।

গত বছর ২০১৭-১৮ সেশনে ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় এই পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিকেই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু গত এক বছরেও কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

চলতি বছরের ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার পূর্বেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটা নিয়ে প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মাদ সামাদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি একজন ভর্তিচ্ছুর মোবাইলে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে প্রশ্ন পাওয়ার প্রমাণ পায়। এই প্রমাণ পাওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ ১৬ অক্টোবর ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করে।

এতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আইন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের একজন ছাত্র অনশন শুরু করেন।

সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়। ছাত্রলীগ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবিসহ চার দফা দাবি জানায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী ওই সময় ছাত্রলীগের দাবির বিষয়ে একমত পোষণ করেন। উপাচার্য দেশে এলে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান। গতকাল উপাচার্য দেশে এসে আজ অধিকতর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্র পুনর্গঠনে জাতীয় ঐকমত্য প্রয়োজন: আ স ম রব

ঢাবির প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তে সেই ‘ব্যর্থ কমিটি’!

আপডেট সময় ০৫:১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি সেশনের অনার্স (সম্মান) প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ঘ’ ইউনিটে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় যারা গত এক বছরেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সেই ‘ব্যর্থ কমিটি’কে আবার ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁসে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সোমবার চলতি বছরের ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে এই অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক, সিন্ডিকেট সদস্য বজলুল মজনুন চুন্নু, জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক অসীম কুমার সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।

গত বছর ২০১৭-১৮ সেশনে ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় এই পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিকেই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু গত এক বছরেও কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

চলতি বছরের ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার পূর্বেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটা নিয়ে প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মাদ সামাদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি একজন ভর্তিচ্ছুর মোবাইলে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে প্রশ্ন পাওয়ার প্রমাণ পায়। এই প্রমাণ পাওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ ১৬ অক্টোবর ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করে।

এতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আইন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের একজন ছাত্র অনশন শুরু করেন।

সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়। ছাত্রলীগ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবিসহ চার দফা দাবি জানায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী ওই সময় ছাত্রলীগের দাবির বিষয়ে একমত পোষণ করেন। উপাচার্য দেশে এলে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান। গতকাল উপাচার্য দেশে এসে আজ অধিকতর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।