ঢাকা ১১:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

ঢাবিতে এক ইউনিটের ফেল করা ভর্তিচ্ছু অন্য ইউনিটে প্রথম!

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের মধ্যেই এ ইউনিটে রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন জিহাদ হাসান আকাশ ও তাসনিম বিন আলম নামে দুই ছাত্র।

কিন্তু অবাক করার বিষয় হল- জিহাদ নিজের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিট ও তাসনিম বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে ফেল করেছিলেন।

গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। মঙ্গলবার ওই ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ২৬.২১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

জানা গেছে, ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম হওয়া জিহাদ নিজের ব্যবসায় শাখায় ফেল করেছেন। ‘গ’ ইউনিটে তিনি পেয়েছেন ৩৪ দশমিক ৩২। বাংলায় পেয়েছিলেন ১০.৮ ইংরেজিতে পেয়েছিলেন ২.৪০, হিসাব বিজ্ঞানে ৫ দশমিক ২৮, ব্যবসায় নীতিতে ৬ দশমিক ৭২ এবং ফিন্যান্সে ৯ দশমিক ৮৪।

অথচ এই শিক্ষার্থী ‘ঘ’ ইউনিটে পেয়েছেন ১২০ নম্বরে পেয়েছেন ১১৪ দশমিক ৩০। যেখানে বাংলায় ৩০-এর মধ্যে ৩০, ইংরেজিতে ৩০-এর মধ্যে ২৭.৩০, সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২৮ দশমিক ৩০ এবং আন্তর্জাতিকে ২৫ দশমিক ৫০।

তাসনিম বিন আলম ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটে (বিজ্ঞান শাখায়) প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। অথচ বিজ্ঞান শাখার ওই শিক্ষার্থী তার নিজের অনুষদ ক ইউনিটের পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের মধ্যে ৪৩.৭৫ পেয়ে ফেল করেছিলেন।

সেই তিনিই ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটে ১২০ নম্বরের মধ্যে ১০৯.৫০ পেয়ে সম্মিলিত মেধা তালিকার বিজ্ঞান শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।

এ বিষয়ে ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ‘ঘ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, কেবল ফল প্রকাশ হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীরা এলে তাদের বিষয়ে তদন্ত ও যাচাই শেষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কারও মেধা নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে পারি না। তবে কাউকে সন্দেহ হলে ডিন তাদের ব্যাপারে পুনরায় যাচাই করতে পারেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

ঢাবিতে এক ইউনিটের ফেল করা ভর্তিচ্ছু অন্য ইউনিটে প্রথম!

আপডেট সময় ০২:৪৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের মধ্যেই এ ইউনিটে রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন জিহাদ হাসান আকাশ ও তাসনিম বিন আলম নামে দুই ছাত্র।

কিন্তু অবাক করার বিষয় হল- জিহাদ নিজের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিট ও তাসনিম বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে ফেল করেছিলেন।

গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। মঙ্গলবার ওই ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ২৬.২১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

জানা গেছে, ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম হওয়া জিহাদ নিজের ব্যবসায় শাখায় ফেল করেছেন। ‘গ’ ইউনিটে তিনি পেয়েছেন ৩৪ দশমিক ৩২। বাংলায় পেয়েছিলেন ১০.৮ ইংরেজিতে পেয়েছিলেন ২.৪০, হিসাব বিজ্ঞানে ৫ দশমিক ২৮, ব্যবসায় নীতিতে ৬ দশমিক ৭২ এবং ফিন্যান্সে ৯ দশমিক ৮৪।

অথচ এই শিক্ষার্থী ‘ঘ’ ইউনিটে পেয়েছেন ১২০ নম্বরে পেয়েছেন ১১৪ দশমিক ৩০। যেখানে বাংলায় ৩০-এর মধ্যে ৩০, ইংরেজিতে ৩০-এর মধ্যে ২৭.৩০, সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২৮ দশমিক ৩০ এবং আন্তর্জাতিকে ২৫ দশমিক ৫০।

তাসনিম বিন আলম ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটে (বিজ্ঞান শাখায়) প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। অথচ বিজ্ঞান শাখার ওই শিক্ষার্থী তার নিজের অনুষদ ক ইউনিটের পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের মধ্যে ৪৩.৭৫ পেয়ে ফেল করেছিলেন।

সেই তিনিই ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটে ১২০ নম্বরের মধ্যে ১০৯.৫০ পেয়ে সম্মিলিত মেধা তালিকার বিজ্ঞান শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।

এ বিষয়ে ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ‘ঘ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, কেবল ফল প্রকাশ হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীরা এলে তাদের বিষয়ে তদন্ত ও যাচাই শেষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কারও মেধা নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে পারি না। তবে কাউকে সন্দেহ হলে ডিন তাদের ব্যাপারে পুনরায় যাচাই করতে পারেন।