ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঢাবিতে এক ইউনিটের ফেল করা ভর্তিচ্ছু অন্য ইউনিটে প্রথম!

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের মধ্যেই এ ইউনিটে রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন জিহাদ হাসান আকাশ ও তাসনিম বিন আলম নামে দুই ছাত্র।

কিন্তু অবাক করার বিষয় হল- জিহাদ নিজের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিট ও তাসনিম বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে ফেল করেছিলেন।

গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। মঙ্গলবার ওই ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ২৬.২১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

জানা গেছে, ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম হওয়া জিহাদ নিজের ব্যবসায় শাখায় ফেল করেছেন। ‘গ’ ইউনিটে তিনি পেয়েছেন ৩৪ দশমিক ৩২। বাংলায় পেয়েছিলেন ১০.৮ ইংরেজিতে পেয়েছিলেন ২.৪০, হিসাব বিজ্ঞানে ৫ দশমিক ২৮, ব্যবসায় নীতিতে ৬ দশমিক ৭২ এবং ফিন্যান্সে ৯ দশমিক ৮৪।

অথচ এই শিক্ষার্থী ‘ঘ’ ইউনিটে পেয়েছেন ১২০ নম্বরে পেয়েছেন ১১৪ দশমিক ৩০। যেখানে বাংলায় ৩০-এর মধ্যে ৩০, ইংরেজিতে ৩০-এর মধ্যে ২৭.৩০, সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২৮ দশমিক ৩০ এবং আন্তর্জাতিকে ২৫ দশমিক ৫০।

তাসনিম বিন আলম ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটে (বিজ্ঞান শাখায়) প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। অথচ বিজ্ঞান শাখার ওই শিক্ষার্থী তার নিজের অনুষদ ক ইউনিটের পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের মধ্যে ৪৩.৭৫ পেয়ে ফেল করেছিলেন।

সেই তিনিই ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটে ১২০ নম্বরের মধ্যে ১০৯.৫০ পেয়ে সম্মিলিত মেধা তালিকার বিজ্ঞান শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।

এ বিষয়ে ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ‘ঘ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, কেবল ফল প্রকাশ হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীরা এলে তাদের বিষয়ে তদন্ত ও যাচাই শেষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কারও মেধা নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে পারি না। তবে কাউকে সন্দেহ হলে ডিন তাদের ব্যাপারে পুনরায় যাচাই করতে পারেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঢাবিতে এক ইউনিটের ফেল করা ভর্তিচ্ছু অন্য ইউনিটে প্রথম!

আপডেট সময় ০২:৪৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের মধ্যেই এ ইউনিটে রেকর্ড নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন জিহাদ হাসান আকাশ ও তাসনিম বিন আলম নামে দুই ছাত্র।

কিন্তু অবাক করার বিষয় হল- জিহাদ নিজের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিট ও তাসনিম বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে ফেল করেছিলেন।

গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। মঙ্গলবার ওই ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ২৬.২১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছেন।

জানা গেছে, ‘ঘ’ ইউনিটে প্রথম হওয়া জিহাদ নিজের ব্যবসায় শাখায় ফেল করেছেন। ‘গ’ ইউনিটে তিনি পেয়েছেন ৩৪ দশমিক ৩২। বাংলায় পেয়েছিলেন ১০.৮ ইংরেজিতে পেয়েছিলেন ২.৪০, হিসাব বিজ্ঞানে ৫ দশমিক ২৮, ব্যবসায় নীতিতে ৬ দশমিক ৭২ এবং ফিন্যান্সে ৯ দশমিক ৮৪।

অথচ এই শিক্ষার্থী ‘ঘ’ ইউনিটে পেয়েছেন ১২০ নম্বরে পেয়েছেন ১১৪ দশমিক ৩০। যেখানে বাংলায় ৩০-এর মধ্যে ৩০, ইংরেজিতে ৩০-এর মধ্যে ২৭.৩০, সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২৮ দশমিক ৩০ এবং আন্তর্জাতিকে ২৫ দশমিক ৫০।

তাসনিম বিন আলম ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটে (বিজ্ঞান শাখায়) প্রথম স্থান অধিকার করেছেন। অথচ বিজ্ঞান শাখার ওই শিক্ষার্থী তার নিজের অনুষদ ক ইউনিটের পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের মধ্যে ৪৩.৭৫ পেয়ে ফেল করেছিলেন।

সেই তিনিই ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটে ১২০ নম্বরের মধ্যে ১০৯.৫০ পেয়ে সম্মিলিত মেধা তালিকার বিজ্ঞান শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন।

এ বিষয়ে ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ‘ঘ’ ইউনিটের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, কেবল ফল প্রকাশ হয়েছে। ওই শিক্ষার্থীরা এলে তাদের বিষয়ে তদন্ত ও যাচাই শেষে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, কারও মেধা নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে পারি না। তবে কাউকে সন্দেহ হলে ডিন তাদের ব্যাপারে পুনরায় যাচাই করতে পারেন।