ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতের তীক্ষ্ণ নজর বাংলাদেশে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাংলাদেশের এ নির্বাচন ভারতের জন্য গভীর তাৎপর্যপূণ। তাই নির্বাচন কেন্দ্র করে বাংলাদেশের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে ভারত। ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা এ খবর প্রকাশ করেছে।

খবরে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে বিএনপি নিরপেক্ষ ভোটের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি করেছিল। দলটি এবার কিছু সিভিল সোসাইটি গ্রুপ ও সংবাদপত্রের একাংশের সমর্থন নিয়ে সেই একই একই উপায়ে শেখ হাসিনার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে যাতে তিনি পদত্যাগ করেন এবং নিরপেক্ষ ভোট হয়।

তবে বিরোধীদের ওই প্রস্তাব মানতে কোনোভাবেই রাজি নয় শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের বক্তব্য, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত এ সরকার সাংবিধানিক সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবার মানুষের ভোটের জন্য প্রস্তুত।

আনন্দবাজার বলছে, বিএনপি ও জামায়াত যৌথভাবে শেখ আক্রমণাত্মক প্রচারে নেমেছে। কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউটের (আইআরআই) সাম্প্রতিক পাবলিক অ্যাটিচুড সার্ভে বলছে যে, ভোটে আওয়ামী লীগ জিতবে।

ভারতের কাছে এখন ঢাকার অনুরোধ শোনা বিশেষভাবে জরুরি। বাংলাদেশ মনে করে, ছোট দেশ হলেও তাদের বিদেশনীতি এখন যথেষ্ট আক্রমণাত্মক।

খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনের মুখে তাই আর যাই হোক, জামায়াতকে অক্সিজেন দেয়া যাবে না। বিএনপির সংসদীয় দল ও আরও কয়েক জন খালেদার দূতও সম্প্রতি দিল্লি গিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন যে ভারত যদি খালেদাকে পূর্ণ সমর্থন করে তবে খালেদা জামায়াতকেও পরিত্যাগ করতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের এনজিও ঋণ শোধের দায়িত্ব নেবে সরকার: মির্জা ফখরুল

ভারতের তীক্ষ্ণ নজর বাংলাদেশে

আপডেট সময় ০৯:৫১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাংলাদেশের এ নির্বাচন ভারতের জন্য গভীর তাৎপর্যপূণ। তাই নির্বাচন কেন্দ্র করে বাংলাদেশের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছে ভারত। ভারতের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা এ খবর প্রকাশ করেছে।

খবরে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে বিএনপি নিরপেক্ষ ভোটের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি করেছিল। দলটি এবার কিছু সিভিল সোসাইটি গ্রুপ ও সংবাদপত্রের একাংশের সমর্থন নিয়ে সেই একই একই উপায়ে শেখ হাসিনার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে যাতে তিনি পদত্যাগ করেন এবং নিরপেক্ষ ভোট হয়।

তবে বিরোধীদের ওই প্রস্তাব মানতে কোনোভাবেই রাজি নয় শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের বক্তব্য, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত এ সরকার সাংবিধানিক সীমা উত্তীর্ণ হওয়ার পর আবার মানুষের ভোটের জন্য প্রস্তুত।

আনন্দবাজার বলছে, বিএনপি ও জামায়াত যৌথভাবে শেখ আক্রমণাত্মক প্রচারে নেমেছে। কিন্তু ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইন্সটিটিউটের (আইআরআই) সাম্প্রতিক পাবলিক অ্যাটিচুড সার্ভে বলছে যে, ভোটে আওয়ামী লীগ জিতবে।

ভারতের কাছে এখন ঢাকার অনুরোধ শোনা বিশেষভাবে জরুরি। বাংলাদেশ মনে করে, ছোট দেশ হলেও তাদের বিদেশনীতি এখন যথেষ্ট আক্রমণাত্মক।

খবরে বলা হয়েছে, নির্বাচনের মুখে তাই আর যাই হোক, জামায়াতকে অক্সিজেন দেয়া যাবে না। বিএনপির সংসদীয় দল ও আরও কয়েক জন খালেদার দূতও সম্প্রতি দিল্লি গিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন যে ভারত যদি খালেদাকে পূর্ণ সমর্থন করে তবে খালেদা জামায়াতকেও পরিত্যাগ করতে পারে।