ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে: সালাহউদ্দিন ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে সাফে দারুণ শুরু বাংলাদেশের ভোলায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২৭ তিন মাসের মাথায় ফের ‘শাটডাউনে’ মার্কিন সরকার মাঠে থাকুন, মানুষের পাশে দাঁড়ান: নেতাকর্মীদের তারেক রহমান বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ফ্রি ইন্টারনেট পাবে সবাই: মাহদী আমিন ‘আমরা কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চাই না’:জামায়াত আমীর শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর দেশে পৌঁছেছে এক লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

উন্নয়নের অগ্রযাত্রা যেন না থামে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাংলাদেশকে একটা সময় বাজেট দিতে অন্যের মুখাপেক্ষী হতে হতো মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আজ বাংলাদেশ নিজের টাকার বাজেট দিচ্ছে। আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, শিল্প, বিনিয়োগ সবক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়।’

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

উন্নয়ন মেলার মাধ্যমে জনগণ নিজেদের ভাগ্য গড়ার সুযোগ পাবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জনগণ তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারবে। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনই আওয়ামী লীগের একমাত্র লক্ষ্য।’

‘আমি উন্নয়ন মেলা তরুণদের জন্য উৎসর্গ করছি। তরুণরা উন্নয়নের মাধ্যমে সন্ত্রাস ও মাদক দমন করে দেশকে যেন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি করছে। এই পরিকল্পনা আমরা বহু আগেই করেছিলাম। আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়েছি। বিশেষ করে শিক্ষায়। আমাদের তরুণ ছেলেমেয়েরা যেন সুশিক্ষা পায় যেটি তার জীবন জীবিকার পথ উন্মুক্ত করে দেবে, দেশে বিদেশে কর্মসংস্থানে ব্যবস্থা হবে সেটি নিশ্চিত করতে পেরেছি।’

‘আমরা ছেলেমেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। উন্নত শিক্ষা গ্রহণ করে তারা যেন দেশে ও বিদেশে সুনাম অর্জন করতে পারে, আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় যেন কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য আমরা ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ডিজিটাল যুগে কেউ পিছিয়ে থাকুক সেটা আমরা চাই না। এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বাংলা, ইংরেজি ও গণিত এই তিন বিষয়ে অনলাইনে যেন শিক্ষা পায় আমরা সেই ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ কারো মুখাপেক্ষী হয়ে থাকবে না। নিজের পায়ে দাঁড়াবে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।

২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী

২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করবো। সেটি আমরা এমন ভাবে উদযাপন করতে চাই সে সময় বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্য মুক্ত দেশ। ২০২১ সাল আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু বর্তমানে যারা আছে তারা নয়। তরুণ প্রজন্মের যত নাগরিক হবে বা যে শিশুটি জন্ম নেবে। সেও যেন একটা সুন্দর পরিবেশে জন্ম নিতে পারে। তার বাবা, মা তাকে সবদিক থেকে উন্নত করতে পারে। সেই ধরনের একটি পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়ে যেতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের কাজ ও উন্নয়ন পরিকল্পনা।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ নির্বাচন তাদের লড়াইয়ের ফসল যারা চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়েছে:নাহিদ

উন্নয়নের অগ্রযাত্রা যেন না থামে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:০৭:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বাংলাদেশকে একটা সময় বাজেট দিতে অন্যের মুখাপেক্ষী হতে হতো মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আজ বাংলাদেশ নিজের টাকার বাজেট দিচ্ছে। আজ আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, শিল্প, বিনিয়োগ সবক্ষেত্রে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এই অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়।’

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশব্যাপী চতুর্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

উন্নয়ন মেলার মাধ্যমে জনগণ নিজেদের ভাগ্য গড়ার সুযোগ পাবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জনগণ তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে পারবে। জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনই আওয়ামী লীগের একমাত্র লক্ষ্য।’

‘আমি উন্নয়ন মেলা তরুণদের জন্য উৎসর্গ করছি। তরুণরা উন্নয়নের মাধ্যমে সন্ত্রাস ও মাদক দমন করে দেশকে যেন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি করছে। এই পরিকল্পনা আমরা বহু আগেই করেছিলাম। আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়েছি। বিশেষ করে শিক্ষায়। আমাদের তরুণ ছেলেমেয়েরা যেন সুশিক্ষা পায় যেটি তার জীবন জীবিকার পথ উন্মুক্ত করে দেবে, দেশে বিদেশে কর্মসংস্থানে ব্যবস্থা হবে সেটি নিশ্চিত করতে পেরেছি।’

‘আমরা ছেলেমেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। উন্নত শিক্ষা গ্রহণ করে তারা যেন দেশে ও বিদেশে সুনাম অর্জন করতে পারে, আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় যেন কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য আমরা ভাতার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ডিজিটাল যুগে কেউ পিছিয়ে থাকুক সেটা আমরা চাই না। এসএসসি পরীক্ষার্থীরা বাংলা, ইংরেজি ও গণিত এই তিন বিষয়ে অনলাইনে যেন শিক্ষা পায় আমরা সেই ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ কারো মুখাপেক্ষী হয়ে থাকবে না। নিজের পায়ে দাঁড়াবে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার।

২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী

২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করবো। সেটি আমরা এমন ভাবে উদযাপন করতে চাই সে সময় বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্য মুক্ত দেশ। ২০২১ সাল আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী।’

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু বর্তমানে যারা আছে তারা নয়। তরুণ প্রজন্মের যত নাগরিক হবে বা যে শিশুটি জন্ম নেবে। সেও যেন একটা সুন্দর পরিবেশে জন্ম নিতে পারে। তার বাবা, মা তাকে সবদিক থেকে উন্নত করতে পারে। সেই ধরনের একটি পরিবেশ সৃষ্টি করে দিয়ে যেতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের কাজ ও উন্নয়ন পরিকল্পনা।’