ঢাকা ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করলেন আইন উপদেষ্টা ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ

বাংলাদেশে এলপিজি টার্মিনাল নির্মাণ করবে আমিরাত, আলোচনা এ মাসেই

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়ে দুবাইভিত্তিক আমিরাত ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, যৌথ উদ্যোগে এলপিজি টার্মিনাল নির্মাণে আমিরাতের জাতীয় তেল কোম্পানি ইএনওসি আমাদের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে আমাদের ঢাকার অফিসে তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আগামী ১১ অক্টোবর তাদের আসার কথা রয়েছে।

মোজাম্মেল হক বলেন, বৈঠকে টার্মিনালের সক্ষমতা ও অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ওমান ও কাতার থেকে অধিকাংশ এলপিজি আমদানি করে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

‘এখন প্রতি টন এলপিজির পরিবহনে খরচ হচ্ছে ১০০ ডলার। কিন্তু যখন টার্মিনালটি নির্মাণ হয়ে যাবে, বড় বড় জাহাজ নোঙর করবে, তখন এ খরচ নেমে ৩০ ডলারে পৌঁছাবে।

‘ফলে খুচরা গ্রাহকরা ১০ শতাংশ কম দামেই এলপিজি কিনতে পারবেন।’

দেশের প্রথম নির্মিতব্য গভীর সমুদ্রবন্দরের কাছে মহেশখালী দ্বীপের মাতারবাড়িতে ওই টার্মিনাল নির্মিত হতে পারে বলে এ কর্মকর্তা জানান।

প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি মোকাবেলায় সরকার বাসাবাড়িতে এলপিজির ব্যবহার উৎসাহিত করে আসছে। রান্না ও পরিবহনের পাশাপাশি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানাতেও এলপিজি ব্যবহার হয়।

বিপিসির এ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে এখন ১০ লাখ টন এলপিজির চাহিদার বিপরীতে ৬ লাখ টনের সরবরাহ আছে।

‘২০২২ সাল নাগাদ এ চাহিদা ২০ লাখ টনে পৌঁছাবে। কারণ তখন বাংলাদেশি গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের একমাত্র উৎস হবে এলপিজি।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ড. সাইদ বিন হাযার আলশেহি গত বছর নভেম্বরে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের দেখা করে জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ইএনওসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ আল ফায়সাল তখন বলেন, ইএনওসি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

আমিরাত ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এলএনজি ও জেট ফিউয়েল সরবরাহ, রিফাইনারি স্থাপন, এফএসআরইউ ও স্থলভিত্তিক টার্মিনাল নির্মাণ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে অনড় ট্রাম্প, বললেন পিছু হটার সুযোগ নেই

বাংলাদেশে এলপিজি টার্মিনাল নির্মাণ করবে আমিরাত, আলোচনা এ মাসেই

আপডেট সময় ০৬:০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস টার্মিনাল নির্মাণের বিষয়ে দুবাইভিত্তিক আমিরাত ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের পরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, যৌথ উদ্যোগে এলপিজি টার্মিনাল নির্মাণে আমিরাতের জাতীয় তেল কোম্পানি ইএনওসি আমাদের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে আমাদের ঢাকার অফিসে তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। আগামী ১১ অক্টোবর তাদের আসার কথা রয়েছে।

মোজাম্মেল হক বলেন, বৈঠকে টার্মিনালের সক্ষমতা ও অন্যান্য বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ওমান ও কাতার থেকে অধিকাংশ এলপিজি আমদানি করে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

‘এখন প্রতি টন এলপিজির পরিবহনে খরচ হচ্ছে ১০০ ডলার। কিন্তু যখন টার্মিনালটি নির্মাণ হয়ে যাবে, বড় বড় জাহাজ নোঙর করবে, তখন এ খরচ নেমে ৩০ ডলারে পৌঁছাবে।

‘ফলে খুচরা গ্রাহকরা ১০ শতাংশ কম দামেই এলপিজি কিনতে পারবেন।’

দেশের প্রথম নির্মিতব্য গভীর সমুদ্রবন্দরের কাছে মহেশখালী দ্বীপের মাতারবাড়িতে ওই টার্মিনাল নির্মিত হতে পারে বলে এ কর্মকর্তা জানান।

প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ঘাটতি মোকাবেলায় সরকার বাসাবাড়িতে এলপিজির ব্যবহার উৎসাহিত করে আসছে। রান্না ও পরিবহনের পাশাপাশি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানাতেও এলপিজি ব্যবহার হয়।

বিপিসির এ কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশে এখন ১০ লাখ টন এলপিজির চাহিদার বিপরীতে ৬ লাখ টনের সরবরাহ আছে।

‘২০২২ সাল নাগাদ এ চাহিদা ২০ লাখ টনে পৌঁছাবে। কারণ তখন বাংলাদেশি গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের একমাত্র উৎস হবে এলপিজি।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ড. সাইদ বিন হাযার আলশেহি গত বছর নভেম্বরে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের দেখা করে জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ইএনওসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফ আল ফায়সাল তখন বলেন, ইএনওসি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

আমিরাত ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এলএনজি ও জেট ফিউয়েল সরবরাহ, রিফাইনারি স্থাপন, এফএসআরইউ ও স্থলভিত্তিক টার্মিনাল নির্মাণ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।