অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ বলেন, চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা বিমানের জরুরি অবতরণ কোনো অ্যাকসিডেন্ট নয়, এটি ইনসিডেন্ট। ইনসিডেন্টকে অ্যাকসিডেন্ট হিসেবে দেখতে গেলে সেটা ভুল হবে।
বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিমানের জরুরী অবতরণ বিষয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ইমরান আসিফ বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিএস-১৪১ ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করেছে। এ ঘটনায় কেবল ইউএস-বাংলা নয়, উড়োজাহাজটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং-ও এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে সে বিষয়েও তারা উদ্যোগ নেবে।
একই সঙ্গে এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটি প্রকৌশলীরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে। নোজ গিয়ারটি সেদিন কেন বের হচ্ছিল না সেটার তদন্ত চলছে।
ইমরান আসিফ জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিএস-১৪১ ফ্লাইটটি সকাল সাড়ে ১১টায় মোট ১৬৪ জন যাত্রী ও সাতজন ক্রুসহ মোট ১৭১ জন আরোহী নিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। কিন্তু ল্যান্ডিং করার আগমুহূর্তে যখন নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার নামছিল না। তখন পাইলট ইন কমান্ড জাকারিয়া সবুজ ও ফার্স্ট অফিসার সাঈদ বিন রউফ নিরাপদ ল্যান্ডিং করার জন্য জরুরি অবতরণের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেন।
কিন্তু কক্সবাজার বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় তারা চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন এবং অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ক্যাপ্টেন জাকারিয়ার নেতৃত্বে দক্ষতার সঙ্গে বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ ঘটনায় এয়ারক্রাফটিরও কোনো উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়নি।
ইউএস-বাংলা একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে ইমরান আসিফ বলেন, গত ১২ মার্চে নেপালের কাঠমান্ডু দুর্ঘটনার আগে বা পরে আমরা কখনোই আমাদের দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে উদাসীন ছিলাম না। প্রতিনিয়ত ফ্লাইট সেফটি নিয়ে আরও বেশি সচেতনতামূলক কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। আমাদের কাছে যাত্রীদের নিরাপত্তাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এ সময় ওই ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন জাকারিয়া সবুজ, ফার্স্ট অফিসার সাঈদ বিন রউফ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য কাজী ওয়াহিদুল আলম প্রমুখ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























