ঢাকা ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে এত বেশি বিল পাসের নজির নেই: চিফ হুইপ বিএনপি ‘আত্মঘাতী’ রাজনীতি করছে: মামুনুল হক জুলাই সনদ সরকার ও বিরোধী দলকে মুখোমুখি পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে :পার্থ সনদ বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার হুঁশিয়ার শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধার শান্তি আলোচনা ভেস্তে গেলে ‘প্রত্যেক দেশই ক্ষতিগ্রস্ত’ হবে: শামা ওবায়েদ ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত তুরস্কের কাছে ‘সবচেয়ে সুন্দরী নারী’ চেয়ে উগান্ডার সেনাপ্রধানের হুঁশিয়ারি!

‘লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বুড়িগঙ্গার দক্ষিণতীরে লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে। এছাড়া দেশের অন্যান্য জনপদের মতোই এখানে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণতীরের জনপদ কেরানীগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঢাকা-৩ (১৭৬-কেরানীগঞ্জ) আসন। আসনটিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপির একক প্রার্থী রয়েছে।

ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলের এই আসন থেকে ৫ম ও ৮ম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নবম ও দশম সংসদ নির্বাচনে এ আসন আওয়ামী লীগের দখলে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চায় জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবং বিএনপি চায় আসনটি পুনরুদ্ধার করতে। সে লক্ষ্য নিয়েই চলছে জোর প্রস্তুতি।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জের একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-৩ আসনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী নসরুল হামিদ বিপু। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে টানা দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তিনি বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এ আসনে এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন নসরুল হামিদ বিপু।

জানা গেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার এই আসনটি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এলাকাটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-কারখানা এবং অর্থনৈতিক জোন হিসেবে পরিচিত। এই আসনে নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দুই দলের শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যে। এ দুজনের রয়েছে পারিবারিক ঐতিহ্য। রয়েছে পৃথক ভোট ব্যাংক।

অন্যদিকে এ আসনটিতে বিএনপির দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে তাকেই প্রার্থী করা হবে বলে দলটির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলেন, পঞ্চম থেকে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জ আসনটি ছিল বিএনপির দখলে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবারের ভোটের লড়াইয়ে তিনি পরাজিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থী নসরুল হামিদ বিপুর কাছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি এ আসনে গয়েশ্বর রায়ই হবেন বিএনপির প্রার্থী। তবে আইনি জটিলতার কারণে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলে বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তার মেয়ে বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহসম্পাদক অপর্ণা রায়। তিনিও মনোয়ন চাইতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চাইলে এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

‘লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে’

আপডেট সময় ০৪:৩৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বুড়িগঙ্গার দক্ষিণতীরে লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে। এছাড়া দেশের অন্যান্য জনপদের মতোই এখানে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণতীরের জনপদ কেরানীগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঢাকা-৩ (১৭৬-কেরানীগঞ্জ) আসন। আসনটিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপির একক প্রার্থী রয়েছে।

ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলের এই আসন থেকে ৫ম ও ৮ম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নবম ও দশম সংসদ নির্বাচনে এ আসন আওয়ামী লীগের দখলে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চায় জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবং বিএনপি চায় আসনটি পুনরুদ্ধার করতে। সে লক্ষ্য নিয়েই চলছে জোর প্রস্তুতি।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জের একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-৩ আসনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী নসরুল হামিদ বিপু। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে টানা দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তিনি বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এ আসনে এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন নসরুল হামিদ বিপু।

জানা গেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার এই আসনটি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এলাকাটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-কারখানা এবং অর্থনৈতিক জোন হিসেবে পরিচিত। এই আসনে নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দুই দলের শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যে। এ দুজনের রয়েছে পারিবারিক ঐতিহ্য। রয়েছে পৃথক ভোট ব্যাংক।

অন্যদিকে এ আসনটিতে বিএনপির দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে তাকেই প্রার্থী করা হবে বলে দলটির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলেন, পঞ্চম থেকে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জ আসনটি ছিল বিএনপির দখলে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবারের ভোটের লড়াইয়ে তিনি পরাজিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থী নসরুল হামিদ বিপুর কাছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি এ আসনে গয়েশ্বর রায়ই হবেন বিএনপির প্রার্থী। তবে আইনি জটিলতার কারণে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলে বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তার মেয়ে বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহসম্পাদক অপর্ণা রায়। তিনিও মনোয়ন চাইতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।