ঢাকা ০২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

‘লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বুড়িগঙ্গার দক্ষিণতীরে লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে। এছাড়া দেশের অন্যান্য জনপদের মতোই এখানে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণতীরের জনপদ কেরানীগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঢাকা-৩ (১৭৬-কেরানীগঞ্জ) আসন। আসনটিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপির একক প্রার্থী রয়েছে।

ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলের এই আসন থেকে ৫ম ও ৮ম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নবম ও দশম সংসদ নির্বাচনে এ আসন আওয়ামী লীগের দখলে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চায় জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবং বিএনপি চায় আসনটি পুনরুদ্ধার করতে। সে লক্ষ্য নিয়েই চলছে জোর প্রস্তুতি।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জের একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-৩ আসনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী নসরুল হামিদ বিপু। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে টানা দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তিনি বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এ আসনে এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন নসরুল হামিদ বিপু।

জানা গেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার এই আসনটি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এলাকাটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-কারখানা এবং অর্থনৈতিক জোন হিসেবে পরিচিত। এই আসনে নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দুই দলের শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যে। এ দুজনের রয়েছে পারিবারিক ঐতিহ্য। রয়েছে পৃথক ভোট ব্যাংক।

অন্যদিকে এ আসনটিতে বিএনপির দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে তাকেই প্রার্থী করা হবে বলে দলটির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলেন, পঞ্চম থেকে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জ আসনটি ছিল বিএনপির দখলে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবারের ভোটের লড়াইয়ে তিনি পরাজিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থী নসরুল হামিদ বিপুর কাছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি এ আসনে গয়েশ্বর রায়ই হবেন বিএনপির প্রার্থী। তবে আইনি জটিলতার কারণে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলে বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তার মেয়ে বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহসম্পাদক অপর্ণা রায়। তিনিও মনোয়ন চাইতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে’

আপডেট সময় ০৪:৩৩:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বুড়িগঙ্গার দক্ষিণতীরে লড়াই হবে সেয়ানে সেয়ানে। এছাড়া দেশের অন্যান্য জনপদের মতোই এখানে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। বুড়িগঙ্গা নদীর দক্ষিণতীরের জনপদ কেরানীগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত ঢাকা-৩ (১৭৬-কেরানীগঞ্জ) আসন। আসনটিতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও মাঠের বিরোধী দল বিএনপির একক প্রার্থী রয়েছে।

ঢাকার দক্ষিণাঞ্চলের এই আসন থেকে ৫ম ও ৮ম সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। নবম ও দশম সংসদ নির্বাচনে এ আসন আওয়ামী লীগের দখলে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চায় জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এবং বিএনপি চায় আসনটি পুনরুদ্ধার করতে। সে লক্ষ্য নিয়েই চলছে জোর প্রস্তুতি।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জের একাংশ নিয়ে গঠিত ঢাকা-৩ আসনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী নসরুল হামিদ বিপু। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে টানা দ্বিতীয় বারের মতো নির্বাচিত হন তিনি। এরপর তিনি বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এ আসনে এবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাচ্ছেন নসরুল হামিদ বিপু।

জানা গেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার এই আসনটি নানা কারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এলাকাটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প-কারখানা এবং অর্থনৈতিক জোন হিসেবে পরিচিত। এই আসনে নির্বাচনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দুই দলের শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যে। এ দুজনের রয়েছে পারিবারিক ঐতিহ্য। রয়েছে পৃথক ভোট ব্যাংক।

অন্যদিকে এ আসনটিতে বিএনপির দলীয় প্রতীকে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে তাকেই প্রার্থী করা হবে বলে দলটির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা বলেন, পঞ্চম থেকে অষ্টম সংসদ নির্বাচনে কেরানীগঞ্জ আসনটি ছিল বিএনপির দখলে। গয়েশ্বর চন্দ্র রায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৮ সালের নবম জাতীয় নির্বাচনে প্রথমবারের ভোটের লড়াইয়ে তিনি পরাজিত হন আওয়ামী লীগ প্রার্থী নসরুল হামিদ বিপুর কাছে। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি এ আসনে গয়েশ্বর রায়ই হবেন বিএনপির প্রার্থী। তবে আইনি জটিলতার কারণে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলে বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তার মেয়ে বিএনপির প্রান্তিক জনশক্তি উন্নয়ন বিষয়ক সহসম্পাদক অপর্ণা রায়। তিনিও মনোয়ন চাইতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে।