ঢাকা ০৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে কিশোরের মৃত্যু, আহত আরও ২ চমেকে ভর্তি শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান না হওয়াটা দুঃখজনক’:মোহাম্মদ ইউসুফ ‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি,আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’:মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার ত্রুটির বিষয়ে ইসির নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: নজরুল ইসলাম ৪৫ হাজার কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্র উত্তরণের প্রধান শর্ত: সুজন সম্পাদক ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান

সুপ্রিমকোর্টে আইনজীবীদের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের রুদ্ধদ্বার বৈঠক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার নাজিম উদ্দিন সড়কের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার বিচার শুরু হয়েছে বুধবার।

এ বিচারকে কেন্দ্র করে তার আইনজীবীদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে রাজি হননি তিনি।

বুধবার বেলা আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাকক্ষে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল বেদন, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরুদ্দোজা বাদলসহ ২০ জনের মতো বিএনপিপন্থী আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন মির্জা ফখরুল।

ধারণা করা হচ্ছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচারে সরকারের গেজেট প্রকাশ ও এর বৈধতার প্রশ্নে তারা আলোচনা করেন। ঘণ্টাব্যাপী ওই আলোচনা শেষে বেরিয়ে আসেন মির্জা ফখরুল।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা তার কাছে বৈঠকের আলোচ্য বিষয় ও সিদ্ধান্ত নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না।’

পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, সরকার দেশের আইনকানুন না মেনে বেআইনিভাবে কারাগারে স্থাপিত আদালতের গেজেট নোটিফিকেশন করেছে।

এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, কারাগারে আদালত স্থাপনের ব্যাপারে সরকার যে গেজেট প্রকাশ করেছে সেটা আইন মোতাবেক হয়েছে।

এর আগে, দুপুরে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারের ভেতরে বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাস বসিয়ে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার বিচার অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মামলার প্রধান আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নিজের অসন্তোষ ব্যক্ত করেন।

আদালতে বিচারককে খালেদা জিয়া বলেন, আপনার যত দিন ইচ্ছা সাজা দিন, আমি এ অবস্থায় আসতে পারব না। এ আদালতে আমার ন্যায়বিচারও হবে না।

খালেদা জিয়া বলেন, আমি অসুস্থ। আমি বারবার আদালতে আসতে পারব না। আর এভাবে বসে থাকলে আমার পা ফুলে যাবে। আমার সিনিয়র কোনো আইনজীবী আসেনি। এটি জানলে আমি আসতাম না।

আদালতের বিচারক ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। বেলা ১১টার দিকে তিনি আদালতে আসেন। খালেদা জিয়াকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আদালতে হাজির করা হয়। হুইলচেয়ারে বসিয়ে তাকে আনা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে কিশোরের মৃত্যু, আহত আরও ২ চমেকে ভর্তি

সুপ্রিমকোর্টে আইনজীবীদের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের রুদ্ধদ্বার বৈঠক

আপডেট সময় ০৮:১২:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকার নাজিম উদ্দিন সড়কের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার বিচার শুরু হয়েছে বুধবার।

এ বিচারকে কেন্দ্র করে তার আইনজীবীদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৈঠকের বিষয়ে গণমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে রাজি হননি তিনি।

বুধবার বেলা আড়াইটা থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাকক্ষে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল বেদন, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরুদ্দোজা বাদলসহ ২০ জনের মতো বিএনপিপন্থী আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন মির্জা ফখরুল।

ধারণা করা হচ্ছে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচারে সরকারের গেজেট প্রকাশ ও এর বৈধতার প্রশ্নে তারা আলোচনা করেন। ঘণ্টাব্যাপী ওই আলোচনা শেষে বেরিয়ে আসেন মির্জা ফখরুল।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা তার কাছে বৈঠকের আলোচ্য বিষয় ও সিদ্ধান্ত নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না।’

পরে খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন বলেন, সরকার দেশের আইনকানুন না মেনে বেআইনিভাবে কারাগারে স্থাপিত আদালতের গেজেট নোটিফিকেশন করেছে।

এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, কারাগারে আদালত স্থাপনের ব্যাপারে সরকার যে গেজেট প্রকাশ করেছে সেটা আইন মোতাবেক হয়েছে।

এর আগে, দুপুরে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারের ভেতরে বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাস বসিয়ে জিয়া দাতব্য ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার বিচার অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মামলার প্রধান আসামি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া নিজের অসন্তোষ ব্যক্ত করেন।

আদালতে বিচারককে খালেদা জিয়া বলেন, আপনার যত দিন ইচ্ছা সাজা দিন, আমি এ অবস্থায় আসতে পারব না। এ আদালতে আমার ন্যায়বিচারও হবে না।

খালেদা জিয়া বলেন, আমি অসুস্থ। আমি বারবার আদালতে আসতে পারব না। আর এভাবে বসে থাকলে আমার পা ফুলে যাবে। আমার সিনিয়র কোনো আইনজীবী আসেনি। এটি জানলে আমি আসতাম না।

আদালতের বিচারক ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান। বেলা ১১টার দিকে তিনি আদালতে আসেন। খালেদা জিয়াকে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আদালতে হাজির করা হয়। হুইলচেয়ারে বসিয়ে তাকে আনা হয়।