ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রবিবার দুপুর ১ টায় চট্টগ্রামে নগরীর পলোগ্রাউন্ডে আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, মানুষ পরিবর্তন ও রাজনৈতিক অধিকার চায়। আমাদেরকে দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বি দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি ১ লাখ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও খাল খনন করবে। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বেলা ১২টা ১৪ মিনিটে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। সে সময় মুহুমুর্হু করতালিতে পুরো সমাবেশস্থল মুখরিত হয়ে উঠে।

হাস্যজ্জ্বল বিএনপি চেয়ারম্যানও হাত নেড়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। এটি তারেকের নির্বাচনি প্রচার দ্বিতীয় পর্ব; গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

২০০৫ সালের ৬ মে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে সর্বশেষ জনসভা করেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। এবার দলের চেয়ারম্যান হিসেবে চট্টগ্রাম সফরে এসেছেন তিনি।

তবে পলোগ্রাউন্ড মাঠে তারেক রহমানের এটি প্রথম সমাবেশ। এর আগে ২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর সবচেয়ে বড় এ মাঠে তার মা বেগম খালেদা জিয়ার জনসভা হয়েছিল।

জনসভা ঘিরে ভোর থেকে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, উপজেলা, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা থেকে ব্যানার ফেস্টুন, রঙ বেরঙের পোশাক পরে মিছিল নিয়ে লোকজন আসতে শুরু করে সমাবেশস্থলে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পলোগ্রাউন্ড মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়।

এ সমাবেশে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশে যোগ দেয়ার আগে নগরীর র‌্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের মেজবান হলে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শিরোনমারে আয়োজনে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তারেক। চট্টগ্রাম ও আশেপাশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন এই ইয়ুথ পলিসি টকে। সেখানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তারেক রহমান।

যুক্তরাজ্যে দেড় দশকের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। সেদিন দেশের মাটিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান

আপডেট সময় ০২:০০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রবিবার দুপুর ১ টায় চট্টগ্রামে নগরীর পলোগ্রাউন্ডে আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অথিতির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, মানুষ পরিবর্তন ও রাজনৈতিক অধিকার চায়। আমাদেরকে দোষারোপের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বি দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ক্ষমতায় গেলে বিএনপি ১ লাখ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও খাল খনন করবে। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বেলা ১২টা ১৪ মিনিটে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। সে সময় মুহুমুর্হু করতালিতে পুরো সমাবেশস্থল মুখরিত হয়ে উঠে।

হাস্যজ্জ্বল বিএনপি চেয়ারম্যানও হাত নেড়ে নেতা-কর্মী-সমর্থকদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। এটি তারেকের নির্বাচনি প্রচার দ্বিতীয় পর্ব; গত ২২ জানুয়ারি সিলেট থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন বিএনপি চেয়ারম্যান।

২০০৫ সালের ৬ মে চট্টগ্রামের লালদীঘি মাঠে সর্বশেষ জনসভা করেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি ছিলেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। এবার দলের চেয়ারম্যান হিসেবে চট্টগ্রাম সফরে এসেছেন তিনি।

তবে পলোগ্রাউন্ড মাঠে তারেক রহমানের এটি প্রথম সমাবেশ। এর আগে ২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি চট্টগ্রাম নগরীর সবচেয়ে বড় এ মাঠে তার মা বেগম খালেদা জিয়ার জনসভা হয়েছিল।

জনসভা ঘিরে ভোর থেকে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, উপজেলা, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা থেকে ব্যানার ফেস্টুন, রঙ বেরঙের পোশাক পরে মিছিল নিয়ে লোকজন আসতে শুরু করে সমাবেশস্থলে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পলোগ্রাউন্ড মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়।

এ সমাবেশে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পাবর্ত্য চট্টগ্রামের সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

পলোগ্রাউন্ডের সমাবেশে যোগ দেয়ার আগে নগরীর র‌্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের মেজবান হলে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শিরোনমারে আয়োজনে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তারেক। চট্টগ্রাম ও আশেপাশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন এই ইয়ুথ পলিসি টকে। সেখানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তারেক রহমান।

যুক্তরাজ্যে দেড় দশকের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গত ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। সেদিন দেশের মাটিতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান।’