ঢাকা ০৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ভোট নিয়ে সংশয় দূর করার দায়িত্ব সরকারপ্রধানের’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আগামী নির্বাচন অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান ও ২০ দলীয় জোটের নেতা জেবেল রহমান গানি।

সোমবার গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাপের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

জেবেল গানি বলেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে জনমনে সংশয় ও আতঙ্ক রয়েছে। জনগণের এই আতঙ্ক দূর করতে প্রধান দায়িত্ব সরকারকেই পালন করতে হবে। অন্যথায় সরকার এর দায় থেকে মুক্তি পাবে না। সুতরাং, জনগণের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে ও একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর উচিত সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে পথ খুঁজে বের করা।

সভায় দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের মতামতকে উপেক্ষা করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

আরও বক্তব্য দেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম সারওয়ার খান, সাদ্দাম হোসেন, ফারহানা শাহীন গানি, ব্যারিস্টার মশিউর রহমান গানি, ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, মুনির এনায়েত মল্লিক, যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, মো. নুরুল আমান চৌধুরী, আতিকুর রহমান, এহসানুল হক জসিম, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহসান হাবিব খাজা, মো. শহীদুননবী ডাবলু, মো. কামাল ভুইয়া, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, অধ্যাপিকা শিউলী সুলতানা প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ভোট নিয়ে সংশয় দূর করার দায়িত্ব সরকারপ্রধানের’

আপডেট সময় ০৯:৫৩:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আগামী নির্বাচন অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান ও ২০ দলীয় জোটের নেতা জেবেল রহমান গানি।

সোমবার গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাপের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

জেবেল গানি বলেন, আগামী নির্বাচন নিয়ে জনমনে সংশয় ও আতঙ্ক রয়েছে। জনগণের এই আতঙ্ক দূর করতে প্রধান দায়িত্ব সরকারকেই পালন করতে হবে। অন্যথায় সরকার এর দায় থেকে মুক্তি পাবে না। সুতরাং, জনগণের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে ও একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর উচিত সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে পথ খুঁজে বের করা।

সভায় দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের মতামতকে উপেক্ষা করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।

আরও বক্তব্য দেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম সারওয়ার খান, সাদ্দাম হোসেন, ফারহানা শাহীন গানি, ব্যারিস্টার মশিউর রহমান গানি, ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, মুনির এনায়েত মল্লিক, যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, মো. নুরুল আমান চৌধুরী, আতিকুর রহমান, এহসানুল হক জসিম, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহসান হাবিব খাজা, মো. শহীদুননবী ডাবলু, মো. কামাল ভুইয়া, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, অধ্যাপিকা শিউলী সুলতানা প্রমুখ।