ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের বিকল্প নাম বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ

মূল আসামির কম সাজা হতে পারে না: অ্যাটর্নি জেনারেল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়ার সাজা বাড়ানোর আবেদন নিয়ে পাল্টাপাল্টি মত দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষ ও বেগম জিয়ার আইনজীবীরা। অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন, সহযোগী আসামির চেয়ে প্রধান আসামিকে সাজা কম দেয়াটা আইনের ব্যত্যয়। অন্যদিকে, বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, সাজা বাড়ানোর আবেদন করার এখতিয়ারই নেই দুদকের। এ বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩ জুলাই) শুনানি হবে হাইকোর্টে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার প্রধান আসামি বেগম জিয়া। তারেক রহমানসহ অপর চারজনকে করা হয় সহযোগী আসামি। কিন্তু অপরাধ প্রমাণিত হলে বেগম জিয়াকে ৫ বছর এবং সহযোগী আসামিদের ১০ বছর করে করে কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

রায়ের এমন বৈপরীত্য দেখে বেগম জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক। সাজা কেন বাড়ানো হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেন আদালত। রোববার (১ জুলাই) এ আবেদনটি শুনানির জন্য উচ্চ আদালতে উত্থাপন করে দুদক।

অ্যাটর্নি জেনারেলের ও দুদক আইনজীবী বলছেন, প্রধান আসামিকে সাজা কম দেয়ায় আইনের কি কি ব্যত্যয় হয়েছে তা আদালতে তুলে ধরবেন তারা।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম বলেন, কেন সাজা বাড়ানো হবে না। কাজী সলিমুল হক তাকে সাজা দেয়া হয়েছে ১০ বছর। ৩ নম্বর আসামির সাজা ১০ বছর। আগামী ৩ জুলাই মামলার দিন ধার্য করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, মূল আসামির কম সাজা হতে পারে না। কারণ তার হেফাজতেই ছিল টাকাটা। সেখান থেকে উধাও হয়ে গেছে।

বেগম জিয়ার আইনজীবীর দাবি, সাজা বৃদ্ধির আবেদন করার কোনো এখতিয়ার নেই দুদকের। খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, সরকার এবং দুদক সাজা বাড়ানোর রিভিশন করেছে দুদকের আইনে তা নেই।

আগামী ৩ জুলাই এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে শুনানি হবে। একই সঙ্গে ঐদিন খালাস চেয়ে বেগম জিয়া’ সহ অপর দুই আসামির আপিল শুনানিরও দিন ধার্য রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডাস্ট অ্যালার্জি থেকে সুরক্ষা পেতে কিছু উপায়

মূল আসামির কম সাজা হতে পারে না: অ্যাটর্নি জেনারেল

আপডেট সময় ০৫:৩৭:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বেগম জিয়ার সাজা বাড়ানোর আবেদন নিয়ে পাল্টাপাল্টি মত দিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষ ও বেগম জিয়ার আইনজীবীরা। অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন, সহযোগী আসামির চেয়ে প্রধান আসামিকে সাজা কম দেয়াটা আইনের ব্যত্যয়। অন্যদিকে, বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, সাজা বাড়ানোর আবেদন করার এখতিয়ারই নেই দুদকের। এ বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩ জুলাই) শুনানি হবে হাইকোর্টে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার প্রধান আসামি বেগম জিয়া। তারেক রহমানসহ অপর চারজনকে করা হয় সহযোগী আসামি। কিন্তু অপরাধ প্রমাণিত হলে বেগম জিয়াকে ৫ বছর এবং সহযোগী আসামিদের ১০ বছর করে করে কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

রায়ের এমন বৈপরীত্য দেখে বেগম জিয়ার সাজা বৃদ্ধি চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করে দুদক। সাজা কেন বাড়ানো হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেন আদালত। রোববার (১ জুলাই) এ আবেদনটি শুনানির জন্য উচ্চ আদালতে উত্থাপন করে দুদক।

অ্যাটর্নি জেনারেলের ও দুদক আইনজীবী বলছেন, প্রধান আসামিকে সাজা কম দেয়ায় আইনের কি কি ব্যত্যয় হয়েছে তা আদালতে তুলে ধরবেন তারা।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম বলেন, কেন সাজা বাড়ানো হবে না। কাজী সলিমুল হক তাকে সাজা দেয়া হয়েছে ১০ বছর। ৩ নম্বর আসামির সাজা ১০ বছর। আগামী ৩ জুলাই মামলার দিন ধার্য করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, মূল আসামির কম সাজা হতে পারে না। কারণ তার হেফাজতেই ছিল টাকাটা। সেখান থেকে উধাও হয়ে গেছে।

বেগম জিয়ার আইনজীবীর দাবি, সাজা বৃদ্ধির আবেদন করার কোনো এখতিয়ার নেই দুদকের। খালেদা জিয়ার আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, সরকার এবং দুদক সাজা বাড়ানোর রিভিশন করেছে দুদকের আইনে তা নেই।

আগামী ৩ জুলাই এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে শুনানি হবে। একই সঙ্গে ঐদিন খালাস চেয়ে বেগম জিয়া’ সহ অপর দুই আসামির আপিল শুনানিরও দিন ধার্য রয়েছে।