ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ কোনও ধরনের চাঁদাবাজিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না : ইলিয়াসপত্নী লুনা অবশেষে মুক্তি পেলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম, স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত ইসলামী নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করব: চরমোনাই পীর পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন: প্রধান উপদেষ্টা শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ধানের শীষ প্রতীক তারেক রহমানের আমানত : রাশেদ খাঁন ফান্ড তৈরি করে বেকার শিক্ষার্থীদের জন্য পুঁজির ব্যবস্থা করব: তাসনিম জারা উত্তরায় ফার্নিচার মার্কেটে আগুন নির্বাচনী প্রস্তুতি প্রত্যাশার চেয়েও ভালো: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিএনপি ভোট ডাকাতি করতে না পেরে কারচুপির অভিযোগ করছে: মোশাররফ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি নির্বাচনে জয় আসার পর গাজীপুরেও জয়ের দ্বারপ্রান্তে আওয়ামী লীগ। ৩০ জুলাই আসছে রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেটেও একইভাবে জয় আসবে, শতভাগ নিশ্চিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

মঙ্গলবার রাতে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম শুরু থেকেই বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারকে পেছনে ফেলছিলেন, তখন সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিচ্ছিলেন খন্দকার মোশাররফ।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ফরিদপুর পৌর আওয়ামী লীগের নেতারা মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অনেক ভোট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। এখানে আমরা অভূতপূর্ণ সাড়া পেয়েছি। ডাবলেরও বেশি ভোটে এগিয়ে আছে আমাদের প্রার্থী। এই রেটে যদি ভোট গণনা হয় তাহলে আমাদের বিজয় তো সুনিশ্চিত।’

এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেটে নির্বাচনেও জয়ের শতভাগ প্রত্যাশা করছেন তিনি।

এই আত্মবিশ্বাসের কারণ জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের নতুন সদস্য বলেন, ‘ট্রেন্ড দেখলে মনে হয় নৌকাই জিতবে। নির্বাচনের একটা গতি-প্রকৃতি থাকে। গাজীপুরের নির্বাচনটা আমাদেরকে অনেক আশাবাদী করে ফেলছে। আর ফাইট তো নেত টু নেক হচ্ছে না। নেক টু নেক হলে বুঝতাম দোদুল্যমান অবস্থায় আছি।’

পাঁচ সিটি নির্বাচনে গতবার আওয়ামী লীগে হেরেছিল। এবার জয়ের কারণ কী-এমন প্রশ্নে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিএনপির সাংগঠনিক শক্তির দিকে বিবেচনা করেন। তাদের দল কী আসলেই সুসংহত কি না সেটা বিবেচনা করেন। তাদের মধ্যে লিডারশিপ সংকটও তো আছে। আমরা কিন্তু ওই বিবেচনায় অনেক অনেক সুসংহত।’

‘আর মানুষ তো আস্থার জায়গায় যেতে চায়। আস্থাহীনতায় কিন্তু মানুষ যেতে চায় না। পাঁচটা নির্বাচনে তখন যে পরিস্থিতি ছিল এখন তো রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কিন্তু অনেক উন্নীত হয়েছে।’

‘মানুষ কিন্তু এখন রেজাল্টটা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে যে দেশ কোথায় যাচ্ছে। আমরা কিন্তু অলরেডি উন্নয়নশীল দেশে আছি। দুই বছর আগেই আমরা টার্গেট ফুলফিল করেছি।’

‘এগুলো মানুষ দেখে। বিচার করে। সে অনুযায়ী মানুষ ভোট দেয়। রাজনৈতিক বলেন, সামাজিক বলেন, অর্থনৈতিক বলেন- সবগুলো ইনডিকেটর আমাদের পক্ষে। কাজেই আমার বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হতেই পারি।’

‘জাতীয় নির্বাচনের ভীত রচনা হয়েছে’

গাজীপুরের জয় জাতীয় নির্বাচনেও প্রভাব ফেলবে বলে আশাবাদী খন্দকার মোশাররফ। বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে এমন জয় উৎসাহব্যঞ্জক। এতে জাতীয় নির্বাচনের ভিত রচনা করবে বলে আমি অত্যন্ত আশাবাদী।’

‘জাতীয় নির্বাচন তো আর দূরে না। ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। জানুয়ারিতে নতুন সরকার গঠন হবে। এরই প্রাক্কলে যে অভূতপূর্ব সাড়া আমরা পেয়েছি সেটা আমাদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক।’

‘জনগণ উন্নয়নের রাজনীতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। এটা এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পেরেছি জনগণ আসলে কী চায়।’

‘বিএনপি ভোট ডাকাতি করতে চেয়েছিল গাজীপুরে’

গাজীপুরে বিএনপি ভোট ডাকাতি করতে না পেরে কারচুপির অভিযোগ করছে বলেও অভিযোগ করেন মন্ত্রী।

সামগ্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ এই নির্বাচনে ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে নয়টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়েছে জালভোটসহ নানা অভিযোগে। তবে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার অভিযোগ করেছেন শতাধিক কেন্দ্রে সিল মারা হয়েছে নৌকা প্রতীকে।

এর জবাবে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ভোট ডাকাতিসহ কারচুপির অভিযোগ করেছে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এমন অভিযোগ করছে বিএনপি।’

‘যদিও বিএনপি বলছে ১০০টি সেন্টারে গোলমাল হয়েছে। গোলমাল করার পরিকল্পনা ছিল বলেই এমন অভিযোগ করছে বিএনপি। জেনারেলি কেউ বলছে না যে এতোগুলো সেন্টারে গোলমাল হয়েছে। ৯টা সেন্টারে গোলমাল হয়েছে। সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।’

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ব্যাচ পরে বিএনপির হয়ে নাশকতার বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক সদস্যে ফোনালাপ নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। বলেন, ‘এগুলো তারা দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে করছে কি না সেটা জানি না। তবে আগে প্রশ্নবিদ্ধ করলে পরাজয় হলেও যাতে বলা যায় যে আমরা আগেই বলেছি যে ভেজাল বাধবে।’

‘এটা আমার মনে হয় পলিটিক্যাল স্ট্যান্ড। এটার কোন সারবার্তা আছে বলে আমার মনে হয় না।’

ঢাকায় শিগগির নির্বাচনের আশা

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে স্থাগিত নির্বাচন দ্রুত হয়ে যাবে বলেও আশাবাদী এলজিআরডি মন্ত্রী।

‘আমাদের সংশ্লিষ্ট ব্রাঞ্চ আছে তারা আপিল করেন। বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে।…তবে আমার মনে হয় খুব শিগগিরই নির্বাচন হয়ে যাবে।’

আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনে সীমান্ত জটিলতার আশঙ্কা আছে কি না-এমন প্রশ্নও ছিল মন্ত্রীর কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি নালিশ নিয়ে যায় তাহলে আমাদের তো কিছু করার নেই। এ নিয়ে আমার কিছু বলারও নেই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দল দেখে না, মানুষ দেখে ভোট দেবেন: মেজর হাফিজ

বিএনপি ভোট ডাকাতি করতে না পেরে কারচুপির অভিযোগ করছে: মোশাররফ

আপডেট সময় ০৯:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি নির্বাচনে জয় আসার পর গাজীপুরেও জয়ের দ্বারপ্রান্তে আওয়ামী লীগ। ৩০ জুলাই আসছে রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেটেও একইভাবে জয় আসবে, শতভাগ নিশ্চিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

মঙ্গলবার রাতে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম শুরু থেকেই বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকারকে পেছনে ফেলছিলেন, তখন সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিচ্ছিলেন খন্দকার মোশাররফ।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ফরিদপুর পৌর আওয়ামী লীগের নেতারা মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী অনেক ভোট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। এখানে আমরা অভূতপূর্ণ সাড়া পেয়েছি। ডাবলেরও বেশি ভোটে এগিয়ে আছে আমাদের প্রার্থী। এই রেটে যদি ভোট গণনা হয় তাহলে আমাদের বিজয় তো সুনিশ্চিত।’

এক প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, ৩০ জুলাই রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেটে নির্বাচনেও জয়ের শতভাগ প্রত্যাশা করছেন তিনি।

এই আত্মবিশ্বাসের কারণ জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের নতুন সদস্য বলেন, ‘ট্রেন্ড দেখলে মনে হয় নৌকাই জিতবে। নির্বাচনের একটা গতি-প্রকৃতি থাকে। গাজীপুরের নির্বাচনটা আমাদেরকে অনেক আশাবাদী করে ফেলছে। আর ফাইট তো নেত টু নেক হচ্ছে না। নেক টু নেক হলে বুঝতাম দোদুল্যমান অবস্থায় আছি।’

পাঁচ সিটি নির্বাচনে গতবার আওয়ামী লীগে হেরেছিল। এবার জয়ের কারণ কী-এমন প্রশ্নে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘বিএনপির সাংগঠনিক শক্তির দিকে বিবেচনা করেন। তাদের দল কী আসলেই সুসংহত কি না সেটা বিবেচনা করেন। তাদের মধ্যে লিডারশিপ সংকটও তো আছে। আমরা কিন্তু ওই বিবেচনায় অনেক অনেক সুসংহত।’

‘আর মানুষ তো আস্থার জায়গায় যেতে চায়। আস্থাহীনতায় কিন্তু মানুষ যেতে চায় না। পাঁচটা নির্বাচনে তখন যে পরিস্থিতি ছিল এখন তো রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কিন্তু অনেক উন্নীত হয়েছে।’

‘মানুষ কিন্তু এখন রেজাল্টটা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে যে দেশ কোথায় যাচ্ছে। আমরা কিন্তু অলরেডি উন্নয়নশীল দেশে আছি। দুই বছর আগেই আমরা টার্গেট ফুলফিল করেছি।’

‘এগুলো মানুষ দেখে। বিচার করে। সে অনুযায়ী মানুষ ভোট দেয়। রাজনৈতিক বলেন, সামাজিক বলেন, অর্থনৈতিক বলেন- সবগুলো ইনডিকেটর আমাদের পক্ষে। কাজেই আমার বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হতেই পারি।’

‘জাতীয় নির্বাচনের ভীত রচনা হয়েছে’

গাজীপুরের জয় জাতীয় নির্বাচনেও প্রভাব ফেলবে বলে আশাবাদী খন্দকার মোশাররফ। বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের আগে এমন জয় উৎসাহব্যঞ্জক। এতে জাতীয় নির্বাচনের ভিত রচনা করবে বলে আমি অত্যন্ত আশাবাদী।’

‘জাতীয় নির্বাচন তো আর দূরে না। ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। জানুয়ারিতে নতুন সরকার গঠন হবে। এরই প্রাক্কলে যে অভূতপূর্ব সাড়া আমরা পেয়েছি সেটা আমাদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক।’

‘জনগণ উন্নয়নের রাজনীতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। এটা এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পেরেছি জনগণ আসলে কী চায়।’

‘বিএনপি ভোট ডাকাতি করতে চেয়েছিল গাজীপুরে’

গাজীপুরে বিএনপি ভোট ডাকাতি করতে না পেরে কারচুপির অভিযোগ করছে বলেও অভিযোগ করেন মন্ত্রী।

সামগ্রিকভাবে শান্তিপূর্ণ এই নির্বাচনে ৪২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে নয়টি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়েছে জালভোটসহ নানা অভিযোগে। তবে বিএনপির প্রার্থী হাসান উদ্দিন সরকার অভিযোগ করেছেন শতাধিক কেন্দ্রে সিল মারা হয়েছে নৌকা প্রতীকে।

এর জবাবে এলজিআরডি মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি ভোট ডাকাতিসহ কারচুপির অভিযোগ করেছে। নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এমন অভিযোগ করছে বিএনপি।’

‘যদিও বিএনপি বলছে ১০০টি সেন্টারে গোলমাল হয়েছে। গোলমাল করার পরিকল্পনা ছিল বলেই এমন অভিযোগ করছে বিএনপি। জেনারেলি কেউ বলছে না যে এতোগুলো সেন্টারে গোলমাল হয়েছে। ৯টা সেন্টারে গোলমাল হয়েছে। সেগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে।’

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ব্যাচ পরে বিএনপির হয়ে নাশকতার বিষয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক সদস্যে ফোনালাপ নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। বলেন, ‘এগুলো তারা দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়ে করছে কি না সেটা জানি না। তবে আগে প্রশ্নবিদ্ধ করলে পরাজয় হলেও যাতে বলা যায় যে আমরা আগেই বলেছি যে ভেজাল বাধবে।’

‘এটা আমার মনে হয় পলিটিক্যাল স্ট্যান্ড। এটার কোন সারবার্তা আছে বলে আমার মনে হয় না।’

ঢাকায় শিগগির নির্বাচনের আশা

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে স্থাগিত নির্বাচন দ্রুত হয়ে যাবে বলেও আশাবাদী এলজিআরডি মন্ত্রী।

‘আমাদের সংশ্লিষ্ট ব্রাঞ্চ আছে তারা আপিল করেন। বিভিন্ন আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে।…তবে আমার মনে হয় খুব শিগগিরই নির্বাচন হয়ে যাবে।’

আসন্ন তিন সিটি নির্বাচনে সীমান্ত জটিলতার আশঙ্কা আছে কি না-এমন প্রশ্নও ছিল মন্ত্রীর কাছে। জবাবে তিনি বলেন, ‘কেউ যদি নালিশ নিয়ে যায় তাহলে আমাদের তো কিছু করার নেই। এ নিয়ে আমার কিছু বলারও নেই।’