ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

আমরণ অনশনে নন-এমপিও শিক্ষকরা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছেন নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ব্যানারে সোমবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের উত্তরপাশে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

এ দাবিতে ১০ জুন থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা একই স্থানে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন। সংগঠনটির নেতারা বলছেন, এবার স্বীকৃতি পাওয়া সব কটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা আমরণ অনশন চালিয়ে যাবেন।

সকালে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও শপথবাক্য পাঠ করানোর মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। শপথবাক্য পাঠ করান ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী। শপথবাক্যে বলা হয়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

এর আগে রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কাছে তারা এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

গত শনিবার তারা এই স্থানে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেন। তারা আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, গতকাল রোববারের মধ্যে সরকার এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না জানালে তারা সোমবার থেকে আমরণ অনশনে যাবেন। সেই ঘোষণা অনুসারে শিক্ষক-কর্মচারীরা আজ থেকে অনশন শুরু করেছেন।

২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে ২৭ হাজার ৮১০টি। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী প্রায় ৫ লাখ। তাদের বেতনভাতা বাবদ মাসে খরচ হয় প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা।

এর বাইরে স্বীকৃতি পাওয়া নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে পাঁচ হাজার ২৪২টি। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৭৫-৮০ হাজার। স্বীকৃতির বাইরে দুই হাজারেরও বেশি নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে।

যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসে বেতনভাতা বাবদ সরকারি অংশ (মূল বেতন ও কিছু ভাতা) দেওয়া হয়, সেগুলোকে এমপিওভুক্ত বলা হয়। আর যেগুলো এমপিওভুক্ত নয়, সেগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা পান না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার পরিকল্পনা: বাংলাদেশের সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

আমরণ অনশনে নন-এমপিও শিক্ষকরা

আপডেট সময় ০৩:০১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছেন নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ব্যানারে সোমবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের উত্তরপাশে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

এ দাবিতে ১০ জুন থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা একই স্থানে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন। সংগঠনটির নেতারা বলছেন, এবার স্বীকৃতি পাওয়া সব কটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা আমরণ অনশন চালিয়ে যাবেন।

সকালে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও শপথবাক্য পাঠ করানোর মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। শপথবাক্য পাঠ করান ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী। শপথবাক্যে বলা হয়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

এর আগে রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কাছে তারা এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

গত শনিবার তারা এই স্থানে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেন। তারা আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, গতকাল রোববারের মধ্যে সরকার এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না জানালে তারা সোমবার থেকে আমরণ অনশনে যাবেন। সেই ঘোষণা অনুসারে শিক্ষক-কর্মচারীরা আজ থেকে অনশন শুরু করেছেন।

২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে ২৭ হাজার ৮১০টি। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী প্রায় ৫ লাখ। তাদের বেতনভাতা বাবদ মাসে খরচ হয় প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা।

এর বাইরে স্বীকৃতি পাওয়া নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে পাঁচ হাজার ২৪২টি। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৭৫-৮০ হাজার। স্বীকৃতির বাইরে দুই হাজারেরও বেশি নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে।

যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসে বেতনভাতা বাবদ সরকারি অংশ (মূল বেতন ও কিছু ভাতা) দেওয়া হয়, সেগুলোকে এমপিওভুক্ত বলা হয়। আর যেগুলো এমপিওভুক্ত নয়, সেগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা পান না।