ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী শাহজালালে দুবাই থেকে আসা বিমানের ফ্লাইটে মিলল ১৯ কেজি স্বর্ণ আদাবরে সন্ত্রাসী হামলায় বিএনপি নেতা নিহত বেঙ্গালুরুতে ধসে পড়া শিলাখণ্ডের আঘাতে নিহত ৭ ইসরাইলি বাহিনীর গুলিতে ফিলিস্তিনি গোলরক্ষক নিহত মিলেমিশে থাকাই বাংলাদেশের মানুষের আবহমানকালের মূল্যবোধ : প্রধানমন্ত্রী জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়তে পারে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর পুরোপুরি সফল: চীনা রাষ্ট্রদূত জনবান্ধব বাজেট হয়েছে, জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে : চিফ হুইপ আইভরি কোস্টে ভয়াবহ বন্যায় নিহত ৫৯

আমরণ অনশনে নন-এমপিও শিক্ষকরা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছেন নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ব্যানারে সোমবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের উত্তরপাশে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

এ দাবিতে ১০ জুন থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা একই স্থানে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন। সংগঠনটির নেতারা বলছেন, এবার স্বীকৃতি পাওয়া সব কটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা আমরণ অনশন চালিয়ে যাবেন।

সকালে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও শপথবাক্য পাঠ করানোর মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। শপথবাক্য পাঠ করান ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী। শপথবাক্যে বলা হয়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

এর আগে রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কাছে তারা এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

গত শনিবার তারা এই স্থানে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেন। তারা আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, গতকাল রোববারের মধ্যে সরকার এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না জানালে তারা সোমবার থেকে আমরণ অনশনে যাবেন। সেই ঘোষণা অনুসারে শিক্ষক-কর্মচারীরা আজ থেকে অনশন শুরু করেছেন।

২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে ২৭ হাজার ৮১০টি। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী প্রায় ৫ লাখ। তাদের বেতনভাতা বাবদ মাসে খরচ হয় প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা।

এর বাইরে স্বীকৃতি পাওয়া নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে পাঁচ হাজার ২৪২টি। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৭৫-৮০ হাজার। স্বীকৃতির বাইরে দুই হাজারেরও বেশি নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে।

যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসে বেতনভাতা বাবদ সরকারি অংশ (মূল বেতন ও কিছু ভাতা) দেওয়া হয়, সেগুলোকে এমপিওভুক্ত বলা হয়। আর যেগুলো এমপিওভুক্ত নয়, সেগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা পান না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘নির্বাচন করতে চাইলে চাকরি ছেড়ে দিন’, শিক্ষকদের কড়া বার্তা দিলেন মন্ত্রী

আমরণ অনশনে নন-এমপিও শিক্ষকরা

আপডেট সময় ০৩:০১:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের সব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করেছেন নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা।

নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের ব্যানারে সোমবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের উত্তরপাশে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

এ দাবিতে ১০ জুন থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা একই স্থানে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছেন। সংগঠনটির নেতারা বলছেন, এবার স্বীকৃতি পাওয়া সব কটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তারা আমরণ অনশন চালিয়ে যাবেন।

সকালে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও শপথবাক্য পাঠ করানোর মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়। শপথবাক্য পাঠ করান ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মাহমুদুন্নবী। শপথবাক্যে বলা হয়, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না।

এর আগে রাষ্ট্রপতি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের কাছে তারা এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

গত শনিবার তারা এই স্থানে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেন। তারা আগেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, গতকাল রোববারের মধ্যে সরকার এ ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত না জানালে তারা সোমবার থেকে আমরণ অনশনে যাবেন। সেই ঘোষণা অনুসারে শিক্ষক-কর্মচারীরা আজ থেকে অনশন শুরু করেছেন।

২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে ২৭ হাজার ৮১০টি। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী প্রায় ৫ লাখ। তাদের বেতনভাতা বাবদ মাসে খরচ হয় প্রায় ৯৫০ কোটি টাকা।

এর বাইরে স্বীকৃতি পাওয়া নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে পাঁচ হাজার ২৪২টি। এগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ৭৫-৮০ হাজার। স্বীকৃতির বাইরে দুই হাজারেরও বেশি নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে।

যেসব বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের মাসে বেতনভাতা বাবদ সরকারি অংশ (মূল বেতন ও কিছু ভাতা) দেওয়া হয়, সেগুলোকে এমপিওভুক্ত বলা হয়। আর যেগুলো এমপিওভুক্ত নয়, সেগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে কোনো আর্থিক সুবিধা পান না।