ঢাকা ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গিলক্রিস্টের চোখে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস ছিল ফতুল্লায়

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সামনে যখন আরও একটি বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজ, তখন বারবারই ঘুরেফিরে আসছে ১১ বছর আগে বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত দুই দলের মধ্যকার টেস্ট সিরিজটি। আর সেই সিরিজে অস্ট্রেলিয়া দলের প্রাণভ্রমরা হয়ে চমক দেখিয়েছিলেন দলটির সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ও কিংবদন্তী ক্রিকেটার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।

সেই সফরে অস্ট্রেলিয়া দল ছিল বর্তমান সময়ের চেয়েও ভালো, আর বাংলাদেশ ছিল ঠিক উল্টো- বর্তমান সময়ের চেয়েও নাজুক। স্বভাবতই সফরকারীরা তাই ভেবেছিল, বাংলাদেশ তাদের কাছে পাত্তাই পাবে না। যদিও আদতে তা হয়নি। ফতুল্লা টেস্টে শাহরিয়ার নাফিসের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৪২৭ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৯৩ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল অজিরা। ঐ পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তুলে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচান গিলক্রিস্ট। ১৪৪ রানের অসাধারণ এক ইনিংস খেলে দলকে বাঁচিয়েছিলেন লজ্জার হাত থেকে।

গিলক্রিস্টের চোখে, সেই ইনিংসটিই তার বর্ণাঢ্য টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। অবশ্য তার এই দাবি চাউর হয়েছিল চলতি বছরের শুরুতে, এক রেডিও টকশোতে। অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ লড়াইয়ে আবারও যখন বিশ্ব-ক্রিকেটের মঞ্চ উত্তেজিত, তখন গিলক্রিস্টের দাবিটাও বাতাসে ভাসছে বেশ দাপটের সাথে।

টকশোতে গিলক্রিস্ট জানান, ‘সেবারের গ্রীষ্মে আমরা ব্যস্ত সূচি পার করেছিলাম। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কঠিন সময় কাটাতে হয়েছিল আমাদের। এরপর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আমরা বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, আমরা সহজেই উতরে যাব, তারা পাত্তাই পাবে না।‘

তবে ফতুল্লা টেস্টে ঘটেছিল ঠিক উল্টোটি। অস্ট্রেলিয়ার বদলে এমচের ছড়ি ঘোরাচ্ছিল বাংলাদেশই। ঐ বিপর্যয় সামলানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘লোয়ার অর্ডারে বেশ কয়েকজন সঙ্গী পেয়েছিলাম, তাদের সাহায্যে আমি পাই সেঞ্চুরির দেখা। আর এটা ছিল আমার সবচেয়ে ধীরগতির লড়াকু সেঞ্চুরি। আমার ক্যারিয়ারের সেরা।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

গিলক্রিস্টের চোখে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস ছিল ফতুল্লায়

আপডেট সময় ০১:২২:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

সামনে যখন আরও একটি বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট সিরিজ, তখন বারবারই ঘুরেফিরে আসছে ১১ বছর আগে বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত দুই দলের মধ্যকার টেস্ট সিরিজটি। আর সেই সিরিজে অস্ট্রেলিয়া দলের প্রাণভ্রমরা হয়ে চমক দেখিয়েছিলেন দলটির সাবেক উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ও কিংবদন্তী ক্রিকেটার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।

সেই সফরে অস্ট্রেলিয়া দল ছিল বর্তমান সময়ের চেয়েও ভালো, আর বাংলাদেশ ছিল ঠিক উল্টো- বর্তমান সময়ের চেয়েও নাজুক। স্বভাবতই সফরকারীরা তাই ভেবেছিল, বাংলাদেশ তাদের কাছে পাত্তাই পাবে না। যদিও আদতে তা হয়নি। ফতুল্লা টেস্টে শাহরিয়ার নাফিসের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৪২৭ রান সংগ্রহ করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৯৩ রানেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল অজিরা। ঐ পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তুলে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচান গিলক্রিস্ট। ১৪৪ রানের অসাধারণ এক ইনিংস খেলে দলকে বাঁচিয়েছিলেন লজ্জার হাত থেকে।

গিলক্রিস্টের চোখে, সেই ইনিংসটিই তার বর্ণাঢ্য টেস্ট ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। অবশ্য তার এই দাবি চাউর হয়েছিল চলতি বছরের শুরুতে, এক রেডিও টকশোতে। অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ লড়াইয়ে আবারও যখন বিশ্ব-ক্রিকেটের মঞ্চ উত্তেজিত, তখন গিলক্রিস্টের দাবিটাও বাতাসে ভাসছে বেশ দাপটের সাথে।

টকশোতে গিলক্রিস্ট জানান, ‘সেবারের গ্রীষ্মে আমরা ব্যস্ত সূচি পার করেছিলাম। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কঠিন সময় কাটাতে হয়েছিল আমাদের। এরপর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে আমরা বাংলাদেশে গিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, আমরা সহজেই উতরে যাব, তারা পাত্তাই পাবে না।‘

তবে ফতুল্লা টেস্টে ঘটেছিল ঠিক উল্টোটি। অস্ট্রেলিয়ার বদলে এমচের ছড়ি ঘোরাচ্ছিল বাংলাদেশই। ঐ বিপর্যয় সামলানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘লোয়ার অর্ডারে বেশ কয়েকজন সঙ্গী পেয়েছিলাম, তাদের সাহায্যে আমি পাই সেঞ্চুরির দেখা। আর এটা ছিল আমার সবচেয়ে ধীরগতির লড়াকু সেঞ্চুরি। আমার ক্যারিয়ারের সেরা।’