ঢাকা ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

রাজধানীতে চরম ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা

যাত্রী কল্যাণ সমিতি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোজায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রাজধানীবাসীরা। সকাল ৭ থেকে বেলা থেকে ১১টা ও দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত নগরীতে চলাচলকারী বাস-মিনিবাসের প্রায় ৯৬ শতাংশ সিটিং সার্ভিসের নামে দরজা বন্ধ করে যাতায়াত করছে। এতে নগরীর মাঝপথের যাত্রীসাধারণ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এসব বাস সরকার নির্ধারিত ভাড়ার পরিবর্তে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। আর নগরীতে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশার ৯৪ শতাংশ মিটারের পরিবর্তে চুক্তিতে চলাচল করছে। ৯৮ শতাংশ অটোরিকশা মিটারের অতিরিক্ত ভাড়া বা বকশিস দাবি করছে। শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, চলতি রমজানে নগরীতে যাতায়াতকারী যাত্রীসাধারণের ভোগান্তি নিয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিচালিত এক জরিপে দেয়া গেছে, ৮২ শতাংশ যাত্রী রমজানে গণপরিবহন ব্যবস্থার এহেন কর্মকাণ্ডে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ৯২ শতাংশ যাত্রী প্রতিদিন যাতায়াতে দুর্ভোগের শিকার হন। ৯৮ শতাংশ যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের শিকার হন। ৬২ শতাংশ যাত্রী চলন্ত বাসে ওঠানামা করতে বাধ্য হন।

সিটিং সার্ভিসের নামে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও ২৮ শতাংশ যাত্রী দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য হন। হয়রানির শিকার হলেও অভিযোগ কোথায় করতে হয় জানে না ৯৩ শতাংশ যাত্রী। তবে ৮৮ শতাংশ যাত্রী মনে করেন অভিযোগ করে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না বলেই অভিযোগ করেন না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বৈরাচার কোনোভাবেই যেন ফিরে আসতে না পারে: ডা. জাহিদ

রাজধানীতে চরম ভোগান্তির শিকার যাত্রীরা

আপডেট সময় ০৮:০০:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রোজায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রাজধানীবাসীরা। সকাল ৭ থেকে বেলা থেকে ১১টা ও দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত নগরীতে চলাচলকারী বাস-মিনিবাসের প্রায় ৯৬ শতাংশ সিটিং সার্ভিসের নামে দরজা বন্ধ করে যাতায়াত করছে। এতে নগরীর মাঝপথের যাত্রীসাধারণ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এসব বাস সরকার নির্ধারিত ভাড়ার পরিবর্তে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। আর নগরীতে চলাচলকারী সিএনজি অটোরিকশার ৯৪ শতাংশ মিটারের পরিবর্তে চুক্তিতে চলাচল করছে। ৯৮ শতাংশ অটোরিকশা মিটারের অতিরিক্ত ভাড়া বা বকশিস দাবি করছে। শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো যাত্রী কল্যাণ সমিতির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, চলতি রমজানে নগরীতে যাতায়াতকারী যাত্রীসাধারণের ভোগান্তি নিয়ে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিচালিত এক জরিপে দেয়া গেছে, ৮২ শতাংশ যাত্রী রমজানে গণপরিবহন ব্যবস্থার এহেন কর্মকাণ্ডে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ৯২ শতাংশ যাত্রী প্রতিদিন যাতায়াতে দুর্ভোগের শিকার হন। ৯৮ শতাংশ যাত্রী অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের শিকার হন। ৬২ শতাংশ যাত্রী চলন্ত বাসে ওঠানামা করতে বাধ্য হন।

সিটিং সার্ভিসের নামে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েও ২৮ শতাংশ যাত্রী দাঁড়িয়ে যেতে বাধ্য হন। হয়রানির শিকার হলেও অভিযোগ কোথায় করতে হয় জানে না ৯৩ শতাংশ যাত্রী। তবে ৮৮ শতাংশ যাত্রী মনে করেন অভিযোগ করে কোনো প্রতিকার পাওয়া যায় না বলেই অভিযোগ করেন না।