ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর নবীর অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন দাবি এমপি হানজালার টিপাইমুখ বাঁধ আমাদের নিজেদের তৈরি দুর্যোগ: স্পিকার বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এলাকার সড়কের জন্য ‘ভিক্ষা’ চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ আত্মীয়ের কুলখানি শেষে ফিরছিলেন বাড়ি, পথে কাভার্ড ভ্যান কেড়ে নিল মা-ছেলের প্রাণ বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

মুখে লাগাম দিন: ট্রাম্পকে চীনা প্রেসিডেন্ট

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মুখে লাগাম দিতে অনুরোধ করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। স্থানীয় সময় শনিবার ট্রাম্পকে করা একটি ফোন কলে এ কথা বলেন চীনা প্রেসিডেন্ট। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এ কথা জানানো হয়। শি জিনপিং বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য ও পদক্ষেপ থামাতে হবে। না হলে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে মোড় নিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা গুয়াম সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করে উত্তর কোরিয়া। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৪ মিনিটের মধ্যেই গুয়ামে আঘাত হানতে পারবে। এরপর থেকেই নড়েচড়ে বসে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, গুয়ামের কিছুই হবে না। অঞ্চলটি ‘খুবই নিরাপদ’। পরে আবার উত্তর কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি করে ট্রাম্প বলেন, গুয়ামের কোনো ক্ষতি করলে উত্তর কোরিয়াকে ‘মহাঝামেলা’য় ফেলা হবে।

শনিবার ট্রাম্পের এ ধরনের মন্তব্যের জবাব দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। প্রশাসনিক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, ট্রাম্প সরকারকে ভেবেচিন্তে কথা বলতে ও কাজ করতে হবে। অন্যথায় ভরাডুবি হবে মার্কিন সাম্রাজ্যের। গত জুলাইতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় কোরিয়া। এর কয়েকদিন পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেশটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত একটি নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব পাস হয়। এতে বেশ চটে যায় কিম জং উনের নেতৃত্বাধীন উত্তর কোরিয়া।

যুক্তরাষ্ট্র-কোরিয়ার এই কাদা ছোড়াছুড়িতে শঙ্কিত বিশ্বনেতারাও। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ জানান, সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা খুবই বেশি। সমস্যা সমাধানে রাশিয়া ও চীনের যৌথ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল বলেন, সামরিক পথে সমস্যার সমাধান হবে না। বাকযুদ্ধ বাড়ানো ভুল পথ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মুখে লাগাম দিন: ট্রাম্পকে চীনা প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ১২:৫৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মুখে লাগাম দিতে অনুরোধ করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। স্থানীয় সময় শনিবার ট্রাম্পকে করা একটি ফোন কলে এ কথা বলেন চীনা প্রেসিডেন্ট। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এ কথা জানানো হয়। শি জিনপিং বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য ও পদক্ষেপ থামাতে হবে। না হলে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে মোড় নিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা গুয়াম সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করে উত্তর কোরিয়া। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৪ মিনিটের মধ্যেই গুয়ামে আঘাত হানতে পারবে। এরপর থেকেই নড়েচড়ে বসে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, গুয়ামের কিছুই হবে না। অঞ্চলটি ‘খুবই নিরাপদ’। পরে আবার উত্তর কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি করে ট্রাম্প বলেন, গুয়ামের কোনো ক্ষতি করলে উত্তর কোরিয়াকে ‘মহাঝামেলা’য় ফেলা হবে।

শনিবার ট্রাম্পের এ ধরনের মন্তব্যের জবাব দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। প্রশাসনিক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, ট্রাম্প সরকারকে ভেবেচিন্তে কথা বলতে ও কাজ করতে হবে। অন্যথায় ভরাডুবি হবে মার্কিন সাম্রাজ্যের। গত জুলাইতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় কোরিয়া। এর কয়েকদিন পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেশটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত একটি নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব পাস হয়। এতে বেশ চটে যায় কিম জং উনের নেতৃত্বাধীন উত্তর কোরিয়া।

যুক্তরাষ্ট্র-কোরিয়ার এই কাদা ছোড়াছুড়িতে শঙ্কিত বিশ্বনেতারাও। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ জানান, সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা খুবই বেশি। সমস্যা সমাধানে রাশিয়া ও চীনের যৌথ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল বলেন, সামরিক পথে সমস্যার সমাধান হবে না। বাকযুদ্ধ বাড়ানো ভুল পথ।