ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মুখে লাগাম দিন: ট্রাম্পকে চীনা প্রেসিডেন্ট

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মুখে লাগাম দিতে অনুরোধ করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। স্থানীয় সময় শনিবার ট্রাম্পকে করা একটি ফোন কলে এ কথা বলেন চীনা প্রেসিডেন্ট। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এ কথা জানানো হয়। শি জিনপিং বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য ও পদক্ষেপ থামাতে হবে। না হলে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে মোড় নিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা গুয়াম সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করে উত্তর কোরিয়া। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৪ মিনিটের মধ্যেই গুয়ামে আঘাত হানতে পারবে। এরপর থেকেই নড়েচড়ে বসে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, গুয়ামের কিছুই হবে না। অঞ্চলটি ‘খুবই নিরাপদ’। পরে আবার উত্তর কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি করে ট্রাম্প বলেন, গুয়ামের কোনো ক্ষতি করলে উত্তর কোরিয়াকে ‘মহাঝামেলা’য় ফেলা হবে।

শনিবার ট্রাম্পের এ ধরনের মন্তব্যের জবাব দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। প্রশাসনিক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, ট্রাম্প সরকারকে ভেবেচিন্তে কথা বলতে ও কাজ করতে হবে। অন্যথায় ভরাডুবি হবে মার্কিন সাম্রাজ্যের। গত জুলাইতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় কোরিয়া। এর কয়েকদিন পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেশটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত একটি নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব পাস হয়। এতে বেশ চটে যায় কিম জং উনের নেতৃত্বাধীন উত্তর কোরিয়া।

যুক্তরাষ্ট্র-কোরিয়ার এই কাদা ছোড়াছুড়িতে শঙ্কিত বিশ্বনেতারাও। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ জানান, সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা খুবই বেশি। সমস্যা সমাধানে রাশিয়া ও চীনের যৌথ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল বলেন, সামরিক পথে সমস্যার সমাধান হবে না। বাকযুদ্ধ বাড়ানো ভুল পথ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মুখে লাগাম দিন: ট্রাম্পকে চীনা প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ১২:৫৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মুখে লাগাম দিতে অনুরোধ করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। স্থানীয় সময় শনিবার ট্রাম্পকে করা একটি ফোন কলে এ কথা বলেন চীনা প্রেসিডেন্ট। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে এ কথা জানানো হয়। শি জিনপিং বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের মন্তব্য ও পদক্ষেপ থামাতে হবে। না হলে পরিস্থিতি আরো খারাপের দিকে মোড় নিতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকা গুয়াম সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিকল্পনা প্রকাশ করে উত্তর কোরিয়া। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয় ক্ষেপণাস্ত্রটি ১৪ মিনিটের মধ্যেই গুয়ামে আঘাত হানতে পারবে। এরপর থেকেই নড়েচড়ে বসে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, গুয়ামের কিছুই হবে না। অঞ্চলটি ‘খুবই নিরাপদ’। পরে আবার উত্তর কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি করে ট্রাম্প বলেন, গুয়ামের কোনো ক্ষতি করলে উত্তর কোরিয়াকে ‘মহাঝামেলা’য় ফেলা হবে।

শনিবার ট্রাম্পের এ ধরনের মন্তব্যের জবাব দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। প্রশাসনিক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, ট্রাম্প সরকারকে ভেবেচিন্তে কথা বলতে ও কাজ করতে হবে। অন্যথায় ভরাডুবি হবে মার্কিন সাম্রাজ্যের। গত জুলাইতে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালায় কোরিয়া। এর কয়েকদিন পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেশটির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত একটি নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব পাস হয়। এতে বেশ চটে যায় কিম জং উনের নেতৃত্বাধীন উত্তর কোরিয়া।

যুক্তরাষ্ট্র-কোরিয়ার এই কাদা ছোড়াছুড়িতে শঙ্কিত বিশ্বনেতারাও। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ জানান, সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা খুবই বেশি। সমস্যা সমাধানে রাশিয়া ও চীনের যৌথ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল বলেন, সামরিক পথে সমস্যার সমাধান হবে না। বাকযুদ্ধ বাড়ানো ভুল পথ।