ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিবির কি শেখ মুজিবের স্থলে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায়?প্রশ্ন রাশেদ খানের চট্টগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে নির্বাচনের সম্ভাবনা রয়েছে : অ্যাটর্নি জেনারেল মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান শিগগিরই : শিক্ষামন্ত্রী শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব ভিওন গ্রুপের হরমুজ প্রণালি ঝুঁকিমুক্ত করতে যৌথভাবে মাইন সরাবে ফ্রান্স-ওমান চীনের কাছ থেকে বাংলাদেশ ঋণের আশ্বাস পেয়েছে কি, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সুদের টাকা নিয়ে ফের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ২৫ বৈষম্যহীন ও দক্ষ শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

সিটি নির্বাচনে প্রচারের সুযোগ পাবে এমপিরা: ইসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালা সংস্কার করে সংসদ সদস্যদের প্রচারে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একটি প্রস্তাব ছিল নির্বাচন কমিশনে। আর বৃহস্পতিবার কমিশনের এক বৈঠকে এই বিষয়টি অনুমোদন হয়। সংশোধিত বিধিমালাটি এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন মন্ত্রণালয়ের যাচাই বাছাইয়ের পর এ বিষয়ে পরিপত্র জারি হলে এটি কার্যকর হবে। তবে ২৬ জুন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটের আগে এটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে এই নির্বাচনের প্রচারে সংসদ সদস্যদের অংশ নেয়ার সুযোগ না থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

দুপুরে কমিশনের বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, সভায় সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা বিধিমালার ১১টি সংশোধনী অনুমোদন করা হয়েছে।

এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণ জানতে চাইলে কমিশন সচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন অনুসন্ধান করে দেখেছে সংসদ সদস্য পদটি লাভজনক পদ নয়। এ কারণে রাষ্ট্রের সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির তালিকা থেকে সাংসদদের বাদ দেওয়া হয়েছে। যে কোনো সাংসদই যে কোনো সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারবেন।

তবে প্রচারে অংশ নিলেও সংসদ সদস্যরা সরকারি সার্কিট হাউজ ব্যবহার করতে পারবেন না। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা প্রচারে নামতে পারবেন কি না, জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, ‘এটি সবেমাত্র কমিশন সভায় পাস হলো। এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে। সে হিসেবে গাজীপুরে এর সুযোগ খুবই কম।’

২০১৫ সালে দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্তের পর মন্ত্রী-এমপিদের প্রচারের সুযোগ রহিত করে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে সে সময়ের নির্বাচন কমিশন।

প্রাথমিকভাবে মন্ত্রী-এমপিদের নাম উল্লেখ না করে সরকারি সুবিধাভোগীদের প্রচারের (সরকারি যানবাহন, প্রচারযন্ত্র বাদ দিয়ে) সুযোগ করে দিয়ে বিধির খসড়া তৈরি হয়। পরে সরকারি সুবিধাভোগীদের সফর ও প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আচরণবিধি চূড়ান্ত করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও মন্ত্রী-সাংসদের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আচরণবিধি করা হয়। এ নিয়ে শুরু থেকেই ক্ষোভ করে আসছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আর গত ১২ এপ্রিল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রচারে সংসদ সদস্যদের অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়ার দাবি জানায়।

প্রতিনিধি দলের নেতা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম সেদিন বলেন, ‘ভারতের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারি খরচে প্রচারণা করেন। তাদের চেয়ে আমরা স্মার্ট হলে সমস্যা কোথায়।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবির কি শেখ মুজিবের স্থলে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায়?প্রশ্ন রাশেদ খানের

সিটি নির্বাচনে প্রচারের সুযোগ পাবে এমপিরা: ইসি

আপডেট সময় ০৫:২৫:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালা সংস্কার করে সংসদ সদস্যদের প্রচারে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একটি প্রস্তাব ছিল নির্বাচন কমিশনে। আর বৃহস্পতিবার কমিশনের এক বৈঠকে এই বিষয়টি অনুমোদন হয়। সংশোধিত বিধিমালাটি এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন মন্ত্রণালয়ের যাচাই বাছাইয়ের পর এ বিষয়ে পরিপত্র জারি হলে এটি কার্যকর হবে। তবে ২৬ জুন গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটের আগে এটি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে এই নির্বাচনের প্রচারে সংসদ সদস্যদের অংশ নেয়ার সুযোগ না থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

দুপুরে কমিশনের বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ জানান, সভায় সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা বিধিমালার ১১টি সংশোধনী অনুমোদন করা হয়েছে।

এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণ জানতে চাইলে কমিশন সচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন অনুসন্ধান করে দেখেছে সংসদ সদস্য পদটি লাভজনক পদ নয়। এ কারণে রাষ্ট্রের সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির তালিকা থেকে সাংসদদের বাদ দেওয়া হয়েছে। যে কোনো সাংসদই যে কোনো সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচারে অংশ নিতে পারবেন।

তবে প্রচারে অংশ নিলেও সংসদ সদস্যরা সরকারি সার্কিট হাউজ ব্যবহার করতে পারবেন না। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সংসদ সদস্যরা প্রচারে নামতে পারবেন কি না, জানতে চাইলে ইসি সচিব বলেন, ‘এটি সবেমাত্র কমিশন সভায় পাস হলো। এখন ভেটিংয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে যাবে। সে হিসেবে গাজীপুরে এর সুযোগ খুবই কম।’

২০১৫ সালে দলভিত্তিক স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্তের পর মন্ত্রী-এমপিদের প্রচারের সুযোগ রহিত করে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে সে সময়ের নির্বাচন কমিশন।

প্রাথমিকভাবে মন্ত্রী-এমপিদের নাম উল্লেখ না করে সরকারি সুবিধাভোগীদের প্রচারের (সরকারি যানবাহন, প্রচারযন্ত্র বাদ দিয়ে) সুযোগ করে দিয়ে বিধির খসড়া তৈরি হয়। পরে সরকারি সুবিধাভোগীদের সফর ও প্রচারণায় অংশ নেওয়ায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আচরণবিধি চূড়ান্ত করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও মন্ত্রী-সাংসদের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আচরণবিধি করা হয়। এ নিয়ে শুরু থেকেই ক্ষোভ করে আসছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আর গত ১২ এপ্রিল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রচারে সংসদ সদস্যদের অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়ার দাবি জানায়।

প্রতিনিধি দলের নেতা প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম সেদিন বলেন, ‘ভারতের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারি খরচে প্রচারণা করেন। তাদের চেয়ে আমরা স্মার্ট হলে সমস্যা কোথায়।’