ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

খুলনায় প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে: আমান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটিতে প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেছেন, এটা একদলীয় শাসনের নির্বাচন। এ নির্বাচন হয়েছে ৭৩ সালের মতো। খুলনায় জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু হতো তাহলে বিএনপি বিপুল ভোটে জয় লাভ করত।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির স্বাধীনতা হলে এক যুব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে দেশ বাচাও মানুষ বাচাও আন্দোলন নামের একটি সংগঠন।

আমান সরকারকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথা বৃহত্তর গণ আন্দোলনেরর মধ্য দিয়ে তাকে মুক্ত করা হবে।

খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মা হলেন কিভাবে?- মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এই বক্তব্যের সমালোচনা করে আমান বলেন, “১৯৯০ এর ২৪ শে মার্চ যখন স্বৈরাচার এরশাদ গণতান্ত্রিক সরকারকে বন্দুকের নলের ডগায় হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন কায়েম করে তখন আজকের প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন ‘আই এম নট আন হ্যাপি’। তার মানে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) গণতন্ত্র চাননি। তিনি স্বৈরশাসন চেয়েছিলেন।”

এ বিএনপি নেতা বলেন, ‘স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে বেগম খালেদা জিয়া যখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শেখ হাসিনাও বাধ্য হয়েছিলেন, সেই গণতান্ত্রিক অন্দোলনে অংশ নিতে। তিনি (হাসিনা) এসেছিলেন কিন্তু বারবার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে বারবার বেইমানি করেছেন।’

সাবেক এই ছাত্র নেতা বলেন, “চট্টগ্রাম লালদিঘীর ময়দান থেকে আজকের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যারা এরশাদের অধীনে নির্বাচনে যাবে তারা জাতীয় বেইমান। অথচ শেখ হাসিনা মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকায় এসে রাতের অন্ধকারে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের বইয়ের ভাষায় ‘এরশাদের সঙ্গে লং ড্রাইভে গিয়ে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে নির্বাচনে গিয়েছিলেন’। সেদিনই তিনি গণতন্ত্র হত্যা করেছিলেন।”

আমান বলেন, “কিন্তু সেসময় বেগম খালেদা জিয়াকেও দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন- এরশাদের অধিনে আপনি কি নির্বাচনে যাবেন? তখন তিনি বলেছিলেন, ‘আমার ছাত্ররা রক্ত দিয়েছে। তাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করে আমি খালেদা জিয়া নির্বাচনে যাব না’।”

খুলনার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ। এদের দিয়ে কোনো নির্বাচন করা সম্ভব নয়। তার জ্বলন্ত প্রমাণ খুলনার নির্বাচন। সেখানে আবার নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে যুব সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, নাজিমউদ্দিন আলম, সাইফুদ্দিন মনি, শহীদুল ইসলাম বাবুল, খন্দকার লুৎফর রহমান, আসাদুর রহমান আসাদ, ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, জিনাফের সভাপতি লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

খুলনায় প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে: আমান

আপডেট সময় ০২:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটিতে প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেছেন, এটা একদলীয় শাসনের নির্বাচন। এ নির্বাচন হয়েছে ৭৩ সালের মতো। খুলনায় জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু হতো তাহলে বিএনপি বিপুল ভোটে জয় লাভ করত।

বুধবার ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির স্বাধীনতা হলে এক যুব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে এ প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে দেশ বাচাও মানুষ বাচাও আন্দোলন নামের একটি সংগঠন।

আমান সরকারকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে হবে। অন্যথা বৃহত্তর গণ আন্দোলনেরর মধ্য দিয়ে তাকে মুক্ত করা হবে।

খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের মা হলেন কিভাবে?- মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এই বক্তব্যের সমালোচনা করে আমান বলেন, “১৯৯০ এর ২৪ শে মার্চ যখন স্বৈরাচার এরশাদ গণতান্ত্রিক সরকারকে বন্দুকের নলের ডগায় হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন কায়েম করে তখন আজকের প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন ‘আই এম নট আন হ্যাপি’। তার মানে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) গণতন্ত্র চাননি। তিনি স্বৈরশাসন চেয়েছিলেন।”

এ বিএনপি নেতা বলেন, ‘স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন যখন তুঙ্গে বেগম খালেদা জিয়া যখন নেতৃত্ব দিচ্ছেন। শেখ হাসিনাও বাধ্য হয়েছিলেন, সেই গণতান্ত্রিক অন্দোলনে অংশ নিতে। তিনি (হাসিনা) এসেছিলেন কিন্তু বারবার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সঙ্গে বারবার বেইমানি করেছেন।’

সাবেক এই ছাত্র নেতা বলেন, “চট্টগ্রাম লালদিঘীর ময়দান থেকে আজকের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যারা এরশাদের অধীনে নির্বাচনে যাবে তারা জাতীয় বেইমান। অথচ শেখ হাসিনা মাত্র ২৪ ঘন্টার মধ্যে ঢাকায় এসে রাতের অন্ধকারে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের বইয়ের ভাষায় ‘এরশাদের সঙ্গে লং ড্রাইভে গিয়ে কোটি কোটি টাকার বিনিময়ে নির্বাচনে গিয়েছিলেন’। সেদিনই তিনি গণতন্ত্র হত্যা করেছিলেন।”

আমান বলেন, “কিন্তু সেসময় বেগম খালেদা জিয়াকেও দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন- এরশাদের অধিনে আপনি কি নির্বাচনে যাবেন? তখন তিনি বলেছিলেন, ‘আমার ছাত্ররা রক্ত দিয়েছে। তাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করে আমি খালেদা জিয়া নির্বাচনে যাব না’।”

খুলনার নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ। এদের দিয়ে কোনো নির্বাচন করা সম্ভব নয়। তার জ্বলন্ত প্রমাণ খুলনার নির্বাচন। সেখানে আবার নির্বাচন দিতে হবে। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটাতে হবে।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে যুব সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিব, নাজিমউদ্দিন আলম, সাইফুদ্দিন মনি, শহীদুল ইসলাম বাবুল, খন্দকার লুৎফর রহমান, আসাদুর রহমান আসাদ, ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, এনডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, জিনাফের সভাপতি লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার প্রমুখ।