ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী

ট্রাম্প সরে গেলেও থাকবে ইউরোপ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউরোপের তিনটি প্রভাবশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন ইউরোপ পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবে।

বার্লিনে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাঁ-ইভেস লা দ্রিয়াঁ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, বার্লিন, প্যারিস ও লন্ডন ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা মেনে চলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবেন কিনা সে বিষয়ে চূড়ান্ত মতামত জানাবেন বলে কথা রয়েছে।

এ সমঝোতা থেকে তিনি বেরিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। এ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো আগেভাগে পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিল।

অবশ্য পরমাণু সমঝোতা মেনে চলার ব্যাপারে ইউরোপের এ ঘোষণার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। ইউরোপ মনে করে পরমাণু সমঝোতার কারণেই ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর আরও বেশি নজরদারি অব্যাহত রাখা এবং এর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া, পরমাণুচুক্তির কারণেই ইরানের সেন্ট্রিফিউজের সংখ্যা কমিয়ে আনার পাশাপাশি দেশটির সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

ইউরোপের এই তিন দেশ পরমাণু সমঝোতাকে বিরাট সাফল্য বলে মনে করে। তাদের মতে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপের জন্য এই চুক্তির বাইরে বিকল্প আর কোনো পথ খোলা নেই।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাস বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা বিশ্বকে নিরাপদ করেছে এবং এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার অর্থ বিশ্বকে নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেয়া।

তিনি বলেছেন, আমি এ জন্য চিন্তিত যে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলে বিশ্বে নতুন করে সংকট তৈরি হবে এবং সবাইকে আবার চুক্তি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে হবে যা কেউই চায় না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে

ট্রাম্প সরে গেলেও থাকবে ইউরোপ

আপডেট সময় ১০:০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউরোপের তিনটি প্রভাবশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন ইউরোপ পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবে।

বার্লিনে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাঁ-ইভেস লা দ্রিয়াঁ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, বার্লিন, প্যারিস ও লন্ডন ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা মেনে চলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবেন কিনা সে বিষয়ে চূড়ান্ত মতামত জানাবেন বলে কথা রয়েছে।

এ সমঝোতা থেকে তিনি বেরিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। এ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো আগেভাগে পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিল।

অবশ্য পরমাণু সমঝোতা মেনে চলার ব্যাপারে ইউরোপের এ ঘোষণার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। ইউরোপ মনে করে পরমাণু সমঝোতার কারণেই ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর আরও বেশি নজরদারি অব্যাহত রাখা এবং এর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া, পরমাণুচুক্তির কারণেই ইরানের সেন্ট্রিফিউজের সংখ্যা কমিয়ে আনার পাশাপাশি দেশটির সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

ইউরোপের এই তিন দেশ পরমাণু সমঝোতাকে বিরাট সাফল্য বলে মনে করে। তাদের মতে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপের জন্য এই চুক্তির বাইরে বিকল্প আর কোনো পথ খোলা নেই।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাস বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা বিশ্বকে নিরাপদ করেছে এবং এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার অর্থ বিশ্বকে নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেয়া।

তিনি বলেছেন, আমি এ জন্য চিন্তিত যে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলে বিশ্বে নতুন করে সংকট তৈরি হবে এবং সবাইকে আবার চুক্তি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে হবে যা কেউই চায় না।