ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

ট্রাম্প সরে গেলেও থাকবে ইউরোপ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউরোপের তিনটি প্রভাবশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন ইউরোপ পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবে।

বার্লিনে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাঁ-ইভেস লা দ্রিয়াঁ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, বার্লিন, প্যারিস ও লন্ডন ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা মেনে চলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবেন কিনা সে বিষয়ে চূড়ান্ত মতামত জানাবেন বলে কথা রয়েছে।

এ সমঝোতা থেকে তিনি বেরিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। এ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো আগেভাগে পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিল।

অবশ্য পরমাণু সমঝোতা মেনে চলার ব্যাপারে ইউরোপের এ ঘোষণার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। ইউরোপ মনে করে পরমাণু সমঝোতার কারণেই ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর আরও বেশি নজরদারি অব্যাহত রাখা এবং এর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া, পরমাণুচুক্তির কারণেই ইরানের সেন্ট্রিফিউজের সংখ্যা কমিয়ে আনার পাশাপাশি দেশটির সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

ইউরোপের এই তিন দেশ পরমাণু সমঝোতাকে বিরাট সাফল্য বলে মনে করে। তাদের মতে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপের জন্য এই চুক্তির বাইরে বিকল্প আর কোনো পথ খোলা নেই।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাস বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা বিশ্বকে নিরাপদ করেছে এবং এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার অর্থ বিশ্বকে নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেয়া।

তিনি বলেছেন, আমি এ জন্য চিন্তিত যে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলে বিশ্বে নতুন করে সংকট তৈরি হবে এবং সবাইকে আবার চুক্তি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে হবে যা কেউই চায় না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

ট্রাম্প সরে গেলেও থাকবে ইউরোপ

আপডেট সময় ১০:০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউরোপের তিনটি প্রভাবশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন ইউরোপ পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবে।

বার্লিনে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাঁ-ইভেস লা দ্রিয়াঁ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, বার্লিন, প্যারিস ও লন্ডন ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা মেনে চলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবেন কিনা সে বিষয়ে চূড়ান্ত মতামত জানাবেন বলে কথা রয়েছে।

এ সমঝোতা থেকে তিনি বেরিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। এ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো আগেভাগে পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিল।

অবশ্য পরমাণু সমঝোতা মেনে চলার ব্যাপারে ইউরোপের এ ঘোষণার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। ইউরোপ মনে করে পরমাণু সমঝোতার কারণেই ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর আরও বেশি নজরদারি অব্যাহত রাখা এবং এর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া, পরমাণুচুক্তির কারণেই ইরানের সেন্ট্রিফিউজের সংখ্যা কমিয়ে আনার পাশাপাশি দেশটির সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

ইউরোপের এই তিন দেশ পরমাণু সমঝোতাকে বিরাট সাফল্য বলে মনে করে। তাদের মতে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপের জন্য এই চুক্তির বাইরে বিকল্প আর কোনো পথ খোলা নেই।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাস বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা বিশ্বকে নিরাপদ করেছে এবং এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার অর্থ বিশ্বকে নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেয়া।

তিনি বলেছেন, আমি এ জন্য চিন্তিত যে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলে বিশ্বে নতুন করে সংকট তৈরি হবে এবং সবাইকে আবার চুক্তি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে হবে যা কেউই চায় না।