ঢাকা ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ট্রাম্প সরে গেলেও থাকবে ইউরোপ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউরোপের তিনটি প্রভাবশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন ইউরোপ পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবে।

বার্লিনে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাঁ-ইভেস লা দ্রিয়াঁ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, বার্লিন, প্যারিস ও লন্ডন ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা মেনে চলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবেন কিনা সে বিষয়ে চূড়ান্ত মতামত জানাবেন বলে কথা রয়েছে।

এ সমঝোতা থেকে তিনি বেরিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। এ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো আগেভাগে পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিল।

অবশ্য পরমাণু সমঝোতা মেনে চলার ব্যাপারে ইউরোপের এ ঘোষণার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। ইউরোপ মনে করে পরমাণু সমঝোতার কারণেই ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর আরও বেশি নজরদারি অব্যাহত রাখা এবং এর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া, পরমাণুচুক্তির কারণেই ইরানের সেন্ট্রিফিউজের সংখ্যা কমিয়ে আনার পাশাপাশি দেশটির সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

ইউরোপের এই তিন দেশ পরমাণু সমঝোতাকে বিরাট সাফল্য বলে মনে করে। তাদের মতে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপের জন্য এই চুক্তির বাইরে বিকল্প আর কোনো পথ খোলা নেই।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাস বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা বিশ্বকে নিরাপদ করেছে এবং এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার অর্থ বিশ্বকে নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেয়া।

তিনি বলেছেন, আমি এ জন্য চিন্তিত যে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলে বিশ্বে নতুন করে সংকট তৈরি হবে এবং সবাইকে আবার চুক্তি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে হবে যা কেউই চায় না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ট্রাম্প সরে গেলেও থাকবে ইউরোপ

আপডেট সময় ১০:০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইউরোপের তিনটি প্রভাবশালী দেশ ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানি এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন ইউরোপ পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবে।

বার্লিনে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাঁ-ইভেস লা দ্রিয়াঁ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, বার্লিন, প্যারিস ও লন্ডন ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত পরমাণু সমঝোতা মেনে চলতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার পরমাণু সমঝোতায় অটল থাকবেন কিনা সে বিষয়ে চূড়ান্ত মতামত জানাবেন বলে কথা রয়েছে।

এ সমঝোতা থেকে তিনি বেরিয়ে যেতে পারেন বলে অনেকে আশঙ্কা করছেন। এ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো আগেভাগে পরমাণু সমঝোতার ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট জানিয়ে দিল।

অবশ্য পরমাণু সমঝোতা মেনে চলার ব্যাপারে ইউরোপের এ ঘোষণার পেছনে কিছু কারণ রয়েছে। ইউরোপ মনে করে পরমাণু সমঝোতার কারণেই ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর আরও বেশি নজরদারি অব্যাহত রাখা এবং এর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে।

এ ছাড়া, পরমাণুচুক্তির কারণেই ইরানের সেন্ট্রিফিউজের সংখ্যা কমিয়ে আনার পাশাপাশি দেশটির সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

ইউরোপের এই তিন দেশ পরমাণু সমঝোতাকে বিরাট সাফল্য বলে মনে করে। তাদের মতে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপের জন্য এই চুক্তির বাইরে বিকল্প আর কোনো পথ খোলা নেই।

জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাস বলেছেন, পরমাণু সমঝোতা বিশ্বকে নিরাপদ করেছে এবং এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার অর্থ বিশ্বকে নিরাপত্তাহীনতার দিকে ঠেলে দেয়া।

তিনি বলেছেন, আমি এ জন্য চিন্তিত যে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলে বিশ্বে নতুন করে সংকট তৈরি হবে এবং সবাইকে আবার চুক্তি পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে হবে যা কেউই চায় না।