ঢাকা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল রাশিয়ান নৌযান অতীতের ইতিহাস দিয়ে বর্তমান জামায়াতকে বিশ্লেষণ করবেন না: শাহজাহান চৌধুরী হরমুজ খুলে দেওয়ার দাবি কাতারের, ‘ফ্রোজেন কনফ্লিক্ট’ নিয়ে সতর্কতা মোমবাতির আলোয় এসএসসি পরীক্ষা, বিপাকে শিক্ষার্থীরা ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান ভারতীয় ভিসা-সংক্রান্ত বিষয়ে দ্রুতই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান কোদাল দিয়ে কুপিয়েই দাদি-ফুফুসহ ৩ জনকে হত্যা করে আকাশ থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

না’গঞ্জে সন্তানদের কম্বলে মোড়ায় মা, আগুন দেয় প্রেমিক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পরকীয়ার জেরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শিশু নিহত হওয়ার ঘটনা আদালতে বর্ণনা করেছে প্রেমিক মোমেন মিয়া (৩৫)। সে এ সময় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

গভীর রাতে দু’জন মিলে সন্তানদের হত্যার পরিকল্পনা করে। সে অনুযায়ী শেফালি দুই সন্তানের গায়ে কম্বল মুড়িয়ে দেয়। আর আগুন দেয় মোমেন।

শনিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে ওই জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। ২২ এপ্রিল ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আত্মীয়র বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মোমেন মিয়া আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আড়াইহাজার থানার উপ-পরিদর্শক আবুল কাশেম জানান, শেফালীর সঙ্গে পরকীয়ার কথা আদালতে স্বীকার করেছে মোমেন। সে জানায়, ১২ এপ্রিল রাতে তাকে বাড়ির পাশে দেখে ডেকে নিয়ে যায় শেফালী। দু’জন অন্যত্র চলে যেতে চায়। এ নিয়ে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে গভীর রাতে দু’জন মিলে সন্তানদের হত্যার পরিকল্পনা করে। সে মোতাবেক শেফালি দুই সন্তানের গায়ে কম্বল মুড়িয়ে দেয়। আর আগুন দেয় মোমেন।

কর্মকর্তা আরও জানান, ১৩ এপ্রিল আড়াইহাজারে উচিৎপুরা ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়ায় লিবিয়া প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে স্কুলছাত্র হৃদয় হোসেন (৯) নিহত এবং তার ভাই জিহাদ হোসেন শিহাব (৭) দগ্ধ হয়। এ ঘটনায় তাদের মা শেফালি আক্তারকে (৩০) গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকে মোমেন। সে সম্পর্কে শেফালির দেবর।

পরে শেফালির শ্বশুর বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় শেফালি ও মোমেনকে আসামি করা হয়। এরই মধ্যে আদালতে শেফালি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং তার সঙ্গে মোমেনের পরকীয়ার কথা জানায়।

এ সুযোগে ১২ এপ্রিল রাতে শেফালির ঘরে প্রবেশ করে মোমেন। সে গভীর রাতে তাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ায় এবং তার দুই ছেলের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

অবরোধের মধ্যেই হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিল রাশিয়ান নৌযান

না’গঞ্জে সন্তানদের কম্বলে মোড়ায় মা, আগুন দেয় প্রেমিক

আপডেট সময় ১১:২৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে পরকীয়ার জেরে অগ্নিদগ্ধ হয়ে শিশু নিহত হওয়ার ঘটনা আদালতে বর্ণনা করেছে প্রেমিক মোমেন মিয়া (৩৫)। সে এ সময় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

গভীর রাতে দু’জন মিলে সন্তানদের হত্যার পরিকল্পনা করে। সে অনুযায়ী শেফালি দুই সন্তানের গায়ে কম্বল মুড়িয়ে দেয়। আর আগুন দেয় মোমেন।

শনিবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে ওই জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। ২২ এপ্রিল ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আত্মীয়র বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মোমেন মিয়া আড়াইহাজার উপজেলার উচিৎপুরা ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আড়াইহাজার থানার উপ-পরিদর্শক আবুল কাশেম জানান, শেফালীর সঙ্গে পরকীয়ার কথা আদালতে স্বীকার করেছে মোমেন। সে জানায়, ১২ এপ্রিল রাতে তাকে বাড়ির পাশে দেখে ডেকে নিয়ে যায় শেফালী। দু’জন অন্যত্র চলে যেতে চায়। এ নিয়ে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে গভীর রাতে দু’জন মিলে সন্তানদের হত্যার পরিকল্পনা করে। সে মোতাবেক শেফালি দুই সন্তানের গায়ে কম্বল মুড়িয়ে দেয়। আর আগুন দেয় মোমেন।

কর্মকর্তা আরও জানান, ১৩ এপ্রিল আড়াইহাজারে উচিৎপুরা ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়ায় লিবিয়া প্রবাসী আনোয়ার হোসেনের বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে স্কুলছাত্র হৃদয় হোসেন (৯) নিহত এবং তার ভাই জিহাদ হোসেন শিহাব (৭) দগ্ধ হয়। এ ঘটনায় তাদের মা শেফালি আক্তারকে (৩০) গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকে মোমেন। সে সম্পর্কে শেফালির দেবর।

পরে শেফালির শ্বশুর বিল্লাল হোসেন বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় শেফালি ও মোমেনকে আসামি করা হয়। এরই মধ্যে আদালতে শেফালি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় এবং তার সঙ্গে মোমেনের পরকীয়ার কথা জানায়।

এ সুযোগে ১২ এপ্রিল রাতে শেফালির ঘরে প্রবেশ করে মোমেন। সে গভীর রাতে তাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ায় এবং তার দুই ছেলের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়।