ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা কিমের সফর

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জন উন যখন দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করেন, তখন তার চারপাশ ঘিরে ছিল সৈন্যদের বিশাল ব্যূহ।

সুগঠিত শরীর, শত্রুকে নিশানা করার নৈপুণ্য ও মার্শাল আর্টের দক্ষতা বিবেচনা করেই সেনাবাহিনীর ভেতর থেকে কিমের দেহরক্ষী হিসেবে তাদের পছন্দ করা হয়েছে।-খবর এএফপির।

সুন্দর পরিচ্ছন্ন পোশাক, নীল ও সাদা ডোরা দাগের টাই পরা লোকজন কিমকে ঘিরে রেখেছেন। তিনি যখন সামরিক সীমারেখা পার হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন, তখন তার নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল এমন যে একটি পিঁপড়ারও এসব লোকের চোখ এড়িয়ে কিমের কাছে যাওয়ার সুযোগ ছিল না।

দুই নেতা সকালের বৈঠক শেষ করলে স্ফীত পকেটের লেপাল ব্যাজ পরা একডজন লোক তাদের লাঞ্চের আগে কার্যক্রম শুরু করেন। কিমের অফিসিয়াল গাড়ির আশপাশে তারা জগিং করে এক ধরনের মানব ঢাল তৈরি রাখেন। এ সময়ে তাদের গলার টাই থেকে টপ টপ শব্দ শোনা যাচ্ছিল।

পৃথিবীর কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত সমাজব্যবস্থার একটি হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার। সেক্ষেত্রে তাদের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার কথা বলতে গেলে তুলনা করা হয় লৌহবেষ্টনীর সঙ্গে।

কিম যেখানে উপস্থিত থাকবেন, সেখানে কোনো বিদেশি অংশগ্রহণ করতে চাইলে তাকে কয়েক ঘণ্টার নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সব ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ও ফোন অবশ্যই সমর্পণ করে দিতে হবে।

উত্তর কোরিয়ার সাবেক নেতা কিম জন ইলের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কাজ করা রি ইয়ং গুক বলেন, বিদেশ ভ্রমণ, সামরিক ইউনিট ও খামার পরিদর্শনের সময় উত্তর কোরিয়ার নেতাকে ছয় স্তূরের নিরাপত্তা দেয়া হয়।

তিনি বলেন, এটিকে পৃথিবীর অন্যতম এক কঠোর নিরাপত্তার চাদর বলা যায়। যার ভেতর দিয়ে একটি পিঁপড়াও প্রবেশ করতে পারে না।

দুই কোরিয়ার বহুল কাঙ্ক্ষিত ও ঐতিহাসিক বৈঠক শুরু হয় শুক্রবার সকালে। এতে নেতৃত্ব দেন দুই দেশের নেতা কিম জং উন ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন।

দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী বেসামরিকীকৃত এলাকা (ডিমিলিটারাইজড জোন) পানজুনজাম গ্রামের পিস হাউসে বৈঠকটি শুরু হয়েছে। চলবে রাত অবধি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পৃথিবীর সবচেয়ে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা কিমের সফর

আপডেট সময় ০২:১০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জন উন যখন দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্ত অতিক্রম করেন, তখন তার চারপাশ ঘিরে ছিল সৈন্যদের বিশাল ব্যূহ।

সুগঠিত শরীর, শত্রুকে নিশানা করার নৈপুণ্য ও মার্শাল আর্টের দক্ষতা বিবেচনা করেই সেনাবাহিনীর ভেতর থেকে কিমের দেহরক্ষী হিসেবে তাদের পছন্দ করা হয়েছে।-খবর এএফপির।

সুন্দর পরিচ্ছন্ন পোশাক, নীল ও সাদা ডোরা দাগের টাই পরা লোকজন কিমকে ঘিরে রেখেছেন। তিনি যখন সামরিক সীমারেখা পার হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রবেশ করেন, তখন তার নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল এমন যে একটি পিঁপড়ারও এসব লোকের চোখ এড়িয়ে কিমের কাছে যাওয়ার সুযোগ ছিল না।

দুই নেতা সকালের বৈঠক শেষ করলে স্ফীত পকেটের লেপাল ব্যাজ পরা একডজন লোক তাদের লাঞ্চের আগে কার্যক্রম শুরু করেন। কিমের অফিসিয়াল গাড়ির আশপাশে তারা জগিং করে এক ধরনের মানব ঢাল তৈরি রাখেন। এ সময়ে তাদের গলার টাই থেকে টপ টপ শব্দ শোনা যাচ্ছিল।

পৃথিবীর কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত সমাজব্যবস্থার একটি হচ্ছে উত্তর কোরিয়ার। সেক্ষেত্রে তাদের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তার কথা বলতে গেলে তুলনা করা হয় লৌহবেষ্টনীর সঙ্গে।

কিম যেখানে উপস্থিত থাকবেন, সেখানে কোনো বিদেশি অংশগ্রহণ করতে চাইলে তাকে কয়েক ঘণ্টার নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। সব ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ও ফোন অবশ্যই সমর্পণ করে দিতে হবে।

উত্তর কোরিয়ার সাবেক নেতা কিম জন ইলের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কাজ করা রি ইয়ং গুক বলেন, বিদেশ ভ্রমণ, সামরিক ইউনিট ও খামার পরিদর্শনের সময় উত্তর কোরিয়ার নেতাকে ছয় স্তূরের নিরাপত্তা দেয়া হয়।

তিনি বলেন, এটিকে পৃথিবীর অন্যতম এক কঠোর নিরাপত্তার চাদর বলা যায়। যার ভেতর দিয়ে একটি পিঁপড়াও প্রবেশ করতে পারে না।

দুই কোরিয়ার বহুল কাঙ্ক্ষিত ও ঐতিহাসিক বৈঠক শুরু হয় শুক্রবার সকালে। এতে নেতৃত্ব দেন দুই দেশের নেতা কিম জং উন ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে ইন।

দুই কোরিয়ার মধ্যবর্তী বেসামরিকীকৃত এলাকা (ডিমিলিটারাইজড জোন) পানজুনজাম গ্রামের পিস হাউসে বৈঠকটি শুরু হয়েছে। চলবে রাত অবধি।