ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

প্রধান নৌ-প্রকৌশলী ড. নাজমুল ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘুষের ৫ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার নৌপরিবহন অধিদফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও চিফ সার্ভেয়ার ড. এসএম নাজমুল হককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুভ আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর ওই আদেশ দেন।

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপরদিকে আসামিপক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত ওই আদেশ দেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে দুদকের একটি টিম সেগুনবাগিচার সেগুন রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে গত বছরের ১৮ জুলাই ঘুষের ৫ লাখ টাকাসহ নৌপরিবহন অধিদফতরের তৎকালীন চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও চিফ সার্ভেয়ার একেএম ফখরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল দুদকের টিম।

ফখরুল বেশ কিছুদিন জেল খেটে পরে জামিনে মুক্ত হন। তার পথ ধরেই আরেক চিফ সার্ভেয়ার নাজমুল হক এবার দুদকের জালে ধরা পড়লেন।

দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের তত্ত্বাবধানে ও দুদকের সহকারী পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ ও জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একটি একটি টিম ড. এসএম নাজমুল হককে গ্রেফতার করে। পরে দুদক কর্মকর্তা আবদুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে নাজমুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্র জানায়, মেসার্স সৈয়দ শিপিং লাইন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. হাসান ইমাম দুদকের কাছে অভিযোগ করেন, তাদের কোম্পানির একটি জাহাজের নকশা অনুমোদন ও আকেটি জাহাজের নামকরণে অনাপত্তিপত্র দিতে গড়িমসি করছিলেন ড. নাজমুল হক।

একপর্যায়ে ড. নাজমুল এ কাজের জন্য ১৫ লাখ টাকা দাবি করেন। তার চাওয়া ১৫ লাখ টাকার মধ্যে প্রথম কিস্তিতে ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়। দ্বিতীয় কিস্তির ৫ লাখ টাকা দেয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার।

ওই টাকা নেয়ার জন্য নাজমুল হক সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সেগুন রেস্টুরেন্টে হাজির হন। দুদকের টিমও ঘুষ লেনদেনের তথ্য আগাম জানতে পেরে সেখানে হানা দেয়। আর ৫ লাখ টাকা নেয়ার সময় হাতেনাতে আটক হন নাজমুল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

প্রধান নৌ-প্রকৌশলী ড. নাজমুল ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার

আপডেট সময় ১১:৫৭:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঘুষের ৫ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার নৌপরিবহন অধিদফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও চিফ সার্ভেয়ার ড. এসএম নাজমুল হককে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুভ আসামির জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর ওই আদেশ দেন।

এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপরদিকে আসামিপক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত ওই আদেশ দেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে দুদকের একটি টিম সেগুনবাগিচার সেগুন রেস্টুরেন্ট থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে গত বছরের ১৮ জুলাই ঘুষের ৫ লাখ টাকাসহ নৌপরিবহন অধিদফতরের তৎকালীন চিফ ইঞ্জিনিয়ার ও চিফ সার্ভেয়ার একেএম ফখরুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছিল দুদকের টিম।

ফখরুল বেশ কিছুদিন জেল খেটে পরে জামিনে মুক্ত হন। তার পথ ধরেই আরেক চিফ সার্ভেয়ার নাজমুল হক এবার দুদকের জালে ধরা পড়লেন।

দুদকের ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক নাসিম আনোয়ারের তত্ত্বাবধানে ও দুদকের সহকারী পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ ও জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে একটি একটি টিম ড. এসএম নাজমুল হককে গ্রেফতার করে। পরে দুদক কর্মকর্তা আবদুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে নাজমুল হকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

আদালত সূত্র জানায়, মেসার্স সৈয়দ শিপিং লাইন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা মো. হাসান ইমাম দুদকের কাছে অভিযোগ করেন, তাদের কোম্পানির একটি জাহাজের নকশা অনুমোদন ও আকেটি জাহাজের নামকরণে অনাপত্তিপত্র দিতে গড়িমসি করছিলেন ড. নাজমুল হক।

একপর্যায়ে ড. নাজমুল এ কাজের জন্য ১৫ লাখ টাকা দাবি করেন। তার চাওয়া ১৫ লাখ টাকার মধ্যে প্রথম কিস্তিতে ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়। দ্বিতীয় কিস্তির ৫ লাখ টাকা দেয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার।

ওই টাকা নেয়ার জন্য নাজমুল হক সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে সেগুন রেস্টুরেন্টে হাজির হন। দুদকের টিমও ঘুষ লেনদেনের তথ্য আগাম জানতে পেরে সেখানে হানা দেয়। আর ৫ লাখ টাকা নেয়ার সময় হাতেনাতে আটক হন নাজমুল।