অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবস্থান নিয়ে থাকায় তীব্র ভোগান্তিতে পড়তে হলো রাজধানীর লাখো মানুষকে। নগরীর অন্যতম ব্যস্ত এই মোড়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে বলতে গেলে গোটা নগরে।
বেলা তিনটার দিকে কয়েক হাজার আন্দোলনকারী মিছিল নিয়ে এসে অবস্থান নেয় শাহবাগে। রাত আটটার দিকে সেখান থেকে তাদেরকে হটিয়ে দেয় পুলিশ। আর এই সময়ে জাতীয় প্রেসক্লাব হয়ে মোহাম্মদপুর, মিরপুর, উত্তরাগামী গাড়িগুলো বিকল্প পথ ধরে চলতে গিয়ে আটকে পড়ে যায়। অলিগলিতেও সৃষ্টি হয় ভোগান্তি।
রাজধানীর উত্তরা থেকে পান্থপথে ডাক্তার দেখাতে স্ত্রীকে নিয়ে বেলা সাড়ে তিনটায় বের হয়েছিলেন এ এফ এম আতিকুল্লাহ সবুজ। উবারের ভাড়া করা গাড়ি দিয়ে তিনি গন্তব্যে পৌঁছেন রাত সাড়ে সাতটায়। অর্থাৎ এই পথটুকু পারি দিতে তার সময় লেগেছে চার ঘণ্টা। কিন্তু কর্মদিবসের যানজটেও এই পথ পারি দিতে দেড় বা বড়জোড় দুই ঘণ্টা লাগার কথা ছিল।
সবুজ দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘কিছুই করার ছিল না। শাহবাগে নাকি কিসের আন্দোলন চলছিল, তাই গাড়ি চলেছে একেবারেই ধীরে।’
শাহবাগ বন্ধ থাকায় উত্তরা, মিরপুরের দিক থেকে আসা গাড়িড়–লো শেরাটন হোটেলের সামনে দিয়ে, কাকরাইল হয়ে চলেছে। মিরপুর রোডের গাড়িগুলো, নিউমার্কেট হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা আজিমপুর দিয়ে বা সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় দিয়ে কাঁটাবন হয়ে ঢাকা বিশ^াবিদ্যালয় হয়ে চলেছে। কিন্তু এই চলার পথ ছিল খুবই ধীর। যানবাহনের বসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে অনেকটাই বিরক্তির প্রকাশ করছিল।
ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর ট্রাফিক পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার এস এম মুরাদ আলীম দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘শাহবাগ এলাকায় কোন কারণে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হলে এর প্রভাব পুরো শহরেই পড়ে। অনেক যানজটই ছিল। তবে আমরা ধীরে ধীরে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করছি। এখন কিছুটা যানজট কমেছে।’
রাত আটটার দিকে আন্দোলনকারীদেরকে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে সরিয়ে দেয়ারও বেশ কিছু সময় পর এই সড়কে যান চলাচল শুরু হয়।
আবার শাহবাগ থেকে সরে যাওয়ার সময় আন্দোলনকারীদের একটি অংশ টিএসসির কাছে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে বলে খবর পাওয়া গেছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















