ঢাকা ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা দেশ গড়ার কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছি: শেহরিন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘আমার জীবনটা একটি জিত। আমার চোখের সামনে আগুনে তিনজনকে পুড়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছি। সৃষ্টিকর্তা আমাকে দ্বিতীয়বারের মতো জীবন দান করেছেন।’

এভাবেই নিজের অভিব্যক্তির কথা জানাচ্ছিলেন শেহরিন আহমেদ। তিনি গত ১২ মার্চ নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় আহত হন।

রবিবার বেলা ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ভিআইপি কেবিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। পরে তিনি একটি গাড়িতে করে ঢাকার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। এ সময় তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।

শেহরিন আহমেদকে ছাড়পত্র দেয়ার পর তার চিকিৎসক ডা. সামন্ত লাল সেন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, শাহরিন ৯০ ভাগ সুস্থ হয়েছেন। আগামী দুই সপ্তাহ পর তাকে ফলোআপ চিকিৎসার জন্য আসতে হবে।

১২ মার্চ ইউএস-বাংলার বিমান নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী ও চার জন ক্রু ছিলেন। এ ঘটনায় ২৬ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি ও একজন চীনা নাগরিক নিহত হন। নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ ১৯ মার্চ ও তিনজনের মরদেহ ২২ মার্চ দেশে আনার পর দাফন করা হয়।

আহত হন ১০ বাংলাদেশি, ১১ জন নেপালি ও মালদ্বীপের একজন। আহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৫ মার্চ শাহরিন আহমেদকে, পরদিন মেহেদী, স্বর্ণা ও এ্যানিকে, ১৭ মার্চ সৈয়দ রাশেদ রুবাইয়াত, ১৮ মার্চ শাহীন ব্যাপারী এবং ১৯ মার্চ কবির হোসেনকে দেশে আনা হয়। পরে কবির হোসেনের অবস্থা খারাপ হলে তাকে ২৫ মার্চ রাতে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়। ২৬ মার্চ বিকালে চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে মারা যান শাহীন ব্যাপারী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দিনাজপুরে বস্তা থেকে সাপ বের করার সময় ছোবলে সাপুড়ের

মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছি: শেহরিন

আপডেট সময় ১০:০১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘আমার জীবনটা একটি জিত। আমার চোখের সামনে আগুনে তিনজনকে পুড়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছি। সৃষ্টিকর্তা আমাকে দ্বিতীয়বারের মতো জীবন দান করেছেন।’

এভাবেই নিজের অভিব্যক্তির কথা জানাচ্ছিলেন শেহরিন আহমেদ। তিনি গত ১২ মার্চ নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় আহত হন।

রবিবার বেলা ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ভিআইপি কেবিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। পরে তিনি একটি গাড়িতে করে ঢাকার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। এ সময় তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।

শেহরিন আহমেদকে ছাড়পত্র দেয়ার পর তার চিকিৎসক ডা. সামন্ত লাল সেন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, শাহরিন ৯০ ভাগ সুস্থ হয়েছেন। আগামী দুই সপ্তাহ পর তাকে ফলোআপ চিকিৎসার জন্য আসতে হবে।

১২ মার্চ ইউএস-বাংলার বিমান নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী ও চার জন ক্রু ছিলেন। এ ঘটনায় ২৬ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি ও একজন চীনা নাগরিক নিহত হন। নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ ১৯ মার্চ ও তিনজনের মরদেহ ২২ মার্চ দেশে আনার পর দাফন করা হয়।

আহত হন ১০ বাংলাদেশি, ১১ জন নেপালি ও মালদ্বীপের একজন। আহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৫ মার্চ শাহরিন আহমেদকে, পরদিন মেহেদী, স্বর্ণা ও এ্যানিকে, ১৭ মার্চ সৈয়দ রাশেদ রুবাইয়াত, ১৮ মার্চ শাহীন ব্যাপারী এবং ১৯ মার্চ কবির হোসেনকে দেশে আনা হয়। পরে কবির হোসেনের অবস্থা খারাপ হলে তাকে ২৫ মার্চ রাতে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়। ২৬ মার্চ বিকালে চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে মারা যান শাহীন ব্যাপারী।