ঢাকা ০৪:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসরায়েলকে লেবানন ছাড়তে হবে: হিজবুল্লাহ প্রধান বনানীতে নির্মাণাধীন আবাসিক ভবনে এডিস মশার লার্ভা, জরিমানা ৫০ হাজার জুয়া ও মাদকমুক্ত দেশ গড়তে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ড্রোন হামলা, জাতিসংঘের উদ্ধারকাজ স্থগিত গুলি করে ছোট ভাইকে হত্যা, ৮ বছর পর বোন গ্রেফতার বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী সংস্কার বাস্তবায়নে জুলাই সংগঠকদের দৃঢ় ভূমিকা রাখতে হবে: এবি পার্টির চেয়ারম্যান সংস্কার ও সুশাসনের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি সরকার: জামায়াত আমির একের পর এক বন্ধ হচ্ছে পোশাক কারখানা, বাড়ছে অনিশ্চয়তা স্কুলছাত্র গুলি খাবে এরপরেও আপনি ওসি থাকবেন, এটা ঠিক না: মনিরুল হক চৌধুরী

তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে: ইকবাল মাহমুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘কে কী বলল, এটা আমাদের দেখার বিষয় না। অভিযোগ এসেছে, তদন্ত হবে। তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে।’

বিএনপির আট নেতার ব্যাংক লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে দলটির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে এসব কথা বলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা কে কী বলছে, এটা তাদের ব্যাপার। রাজনৈতিক ব্যাপারে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

নির্বাচনের বছর বলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে নির্বাচন কোনো ইস্যু না। নির্বাচন যাদের কাছে ইস্যু, বিষয়টি তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমাদের কাছে সব বছরই সমান বছর। সব দিনই সমান দিন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা কী কখনো দেখেছেন আমাদের বেশি উত্তেজিত হতে বা অতি উৎসাহী হয়েছি। আমরা সব সময় সমানভাবে কাজ করে যাই।’

তিনি বলেন, ‘কারো প্রতিক্রিয়া দ্বারা তো দেশ বা কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। সবকিছু আমরা আমাদের বিদ্যা-বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা দিয়ে কাজ করি। কোনো কিছুই আমাদের বাধাগ্রস্ত করবে না। কারো প্রতি অন্যায় হবে এটাও আমরা চাই না।’

ইববাল মাহমুদ সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই আমরা তদন্ত করি। আমার বা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। আর অভিযোগ এলেই সবকিছু সত্য না-ও হতে পারে। কাজেই এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বলা যাবে না।’

উল্লেখ্য, সন্দেহজনক লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলামখান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, হাবিবুন্নবী খান সোহেল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলকে লেবানন ছাড়তে হবে: হিজবুল্লাহ প্রধান

তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে: ইকবাল মাহমুদ

আপডেট সময় ১০:১৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘কে কী বলল, এটা আমাদের দেখার বিষয় না। অভিযোগ এসেছে, তদন্ত হবে। তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে।’

বিএনপির আট নেতার ব্যাংক লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে দলটির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে এসব কথা বলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা কে কী বলছে, এটা তাদের ব্যাপার। রাজনৈতিক ব্যাপারে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

নির্বাচনের বছর বলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে নির্বাচন কোনো ইস্যু না। নির্বাচন যাদের কাছে ইস্যু, বিষয়টি তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমাদের কাছে সব বছরই সমান বছর। সব দিনই সমান দিন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা কী কখনো দেখেছেন আমাদের বেশি উত্তেজিত হতে বা অতি উৎসাহী হয়েছি। আমরা সব সময় সমানভাবে কাজ করে যাই।’

তিনি বলেন, ‘কারো প্রতিক্রিয়া দ্বারা তো দেশ বা কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। সবকিছু আমরা আমাদের বিদ্যা-বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা দিয়ে কাজ করি। কোনো কিছুই আমাদের বাধাগ্রস্ত করবে না। কারো প্রতি অন্যায় হবে এটাও আমরা চাই না।’

ইববাল মাহমুদ সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই আমরা তদন্ত করি। আমার বা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। আর অভিযোগ এলেই সবকিছু সত্য না-ও হতে পারে। কাজেই এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বলা যাবে না।’

উল্লেখ্য, সন্দেহজনক লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলামখান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, হাবিবুন্নবী খান সোহেল।