ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে: ইকবাল মাহমুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘কে কী বলল, এটা আমাদের দেখার বিষয় না। অভিযোগ এসেছে, তদন্ত হবে। তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে।’

বিএনপির আট নেতার ব্যাংক লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে দলটির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে এসব কথা বলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা কে কী বলছে, এটা তাদের ব্যাপার। রাজনৈতিক ব্যাপারে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

নির্বাচনের বছর বলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে নির্বাচন কোনো ইস্যু না। নির্বাচন যাদের কাছে ইস্যু, বিষয়টি তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমাদের কাছে সব বছরই সমান বছর। সব দিনই সমান দিন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা কী কখনো দেখেছেন আমাদের বেশি উত্তেজিত হতে বা অতি উৎসাহী হয়েছি। আমরা সব সময় সমানভাবে কাজ করে যাই।’

তিনি বলেন, ‘কারো প্রতিক্রিয়া দ্বারা তো দেশ বা কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। সবকিছু আমরা আমাদের বিদ্যা-বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা দিয়ে কাজ করি। কোনো কিছুই আমাদের বাধাগ্রস্ত করবে না। কারো প্রতি অন্যায় হবে এটাও আমরা চাই না।’

ইববাল মাহমুদ সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই আমরা তদন্ত করি। আমার বা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। আর অভিযোগ এলেই সবকিছু সত্য না-ও হতে পারে। কাজেই এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বলা যাবে না।’

উল্লেখ্য, সন্দেহজনক লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলামখান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, হাবিবুন্নবী খান সোহেল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিরতির পর নতুন রূপ নিয়ে ফিরছেন রাইমা সেন

তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে: ইকবাল মাহমুদ

আপডেট সময় ১০:১৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘কে কী বলল, এটা আমাদের দেখার বিষয় না। অভিযোগ এসেছে, তদন্ত হবে। তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে।’

বিএনপির আট নেতার ব্যাংক লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে দলটির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে এসব কথা বলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা কে কী বলছে, এটা তাদের ব্যাপার। রাজনৈতিক ব্যাপারে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

নির্বাচনের বছর বলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে নির্বাচন কোনো ইস্যু না। নির্বাচন যাদের কাছে ইস্যু, বিষয়টি তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমাদের কাছে সব বছরই সমান বছর। সব দিনই সমান দিন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা কী কখনো দেখেছেন আমাদের বেশি উত্তেজিত হতে বা অতি উৎসাহী হয়েছি। আমরা সব সময় সমানভাবে কাজ করে যাই।’

তিনি বলেন, ‘কারো প্রতিক্রিয়া দ্বারা তো দেশ বা কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। সবকিছু আমরা আমাদের বিদ্যা-বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা দিয়ে কাজ করি। কোনো কিছুই আমাদের বাধাগ্রস্ত করবে না। কারো প্রতি অন্যায় হবে এটাও আমরা চাই না।’

ইববাল মাহমুদ সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই আমরা তদন্ত করি। আমার বা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। আর অভিযোগ এলেই সবকিছু সত্য না-ও হতে পারে। কাজেই এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বলা যাবে না।’

উল্লেখ্য, সন্দেহজনক লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলামখান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, হাবিবুন্নবী খান সোহেল।