ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের তুলনা করা অন্যায় : ফজলুর রহমান বিরোধী দলের অনেকেই আমাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকে: সংসদে ফজলুর রহমান থানায় মামলা করতে গিয়ে হয়রানি ঠেকাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জ্বালানি লোডিং শুরু, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ বাণিজ্যমন্ত্রীর রাজধানীতে বিদেশি নাগরিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনসিপির নুসরাতের মনোনয়ন গ্রহণ করবে ইসি, আপিল না করার সিদ্ধান্ত প্রিজনভ্যান দুর্ঘটনায় আহত সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর গণতন্ত্রের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে: ইকবাল মাহমুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘কে কী বলল, এটা আমাদের দেখার বিষয় না। অভিযোগ এসেছে, তদন্ত হবে। তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে।’

বিএনপির আট নেতার ব্যাংক লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে দলটির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে এসব কথা বলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা কে কী বলছে, এটা তাদের ব্যাপার। রাজনৈতিক ব্যাপারে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

নির্বাচনের বছর বলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে নির্বাচন কোনো ইস্যু না। নির্বাচন যাদের কাছে ইস্যু, বিষয়টি তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমাদের কাছে সব বছরই সমান বছর। সব দিনই সমান দিন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা কী কখনো দেখেছেন আমাদের বেশি উত্তেজিত হতে বা অতি উৎসাহী হয়েছি। আমরা সব সময় সমানভাবে কাজ করে যাই।’

তিনি বলেন, ‘কারো প্রতিক্রিয়া দ্বারা তো দেশ বা কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। সবকিছু আমরা আমাদের বিদ্যা-বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা দিয়ে কাজ করি। কোনো কিছুই আমাদের বাধাগ্রস্ত করবে না। কারো প্রতি অন্যায় হবে এটাও আমরা চাই না।’

ইববাল মাহমুদ সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই আমরা তদন্ত করি। আমার বা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। আর অভিযোগ এলেই সবকিছু সত্য না-ও হতে পারে। কাজেই এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বলা যাবে না।’

উল্লেখ্য, সন্দেহজনক লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলামখান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, হাবিবুন্নবী খান সোহেল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ফজলুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে নিজের অবদান বলতে গিয়ে অন্যের অবদানকে হাতুড়িপেটা করেছেন :শফিকুর রহমান

তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে: ইকবাল মাহমুদ

আপডেট সময় ১০:১৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘কে কী বলল, এটা আমাদের দেখার বিষয় না। অভিযোগ এসেছে, তদন্ত হবে। তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে।’

বিএনপির আট নেতার ব্যাংক লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে দলটির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে এসব কথা বলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা কে কী বলছে, এটা তাদের ব্যাপার। রাজনৈতিক ব্যাপারে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

নির্বাচনের বছর বলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে নির্বাচন কোনো ইস্যু না। নির্বাচন যাদের কাছে ইস্যু, বিষয়টি তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমাদের কাছে সব বছরই সমান বছর। সব দিনই সমান দিন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা কী কখনো দেখেছেন আমাদের বেশি উত্তেজিত হতে বা অতি উৎসাহী হয়েছি। আমরা সব সময় সমানভাবে কাজ করে যাই।’

তিনি বলেন, ‘কারো প্রতিক্রিয়া দ্বারা তো দেশ বা কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। সবকিছু আমরা আমাদের বিদ্যা-বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা দিয়ে কাজ করি। কোনো কিছুই আমাদের বাধাগ্রস্ত করবে না। কারো প্রতি অন্যায় হবে এটাও আমরা চাই না।’

ইববাল মাহমুদ সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই আমরা তদন্ত করি। আমার বা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। আর অভিযোগ এলেই সবকিছু সত্য না-ও হতে পারে। কাজেই এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বলা যাবে না।’

উল্লেখ্য, সন্দেহজনক লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলামখান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, হাবিবুন্নবী খান সোহেল।