ঢাকা ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দেশের ৮১ শতাংশ শিশু-কিশোর সময় কাটায় সোশ্যাল মিডিয়ায়

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

দেশের ৮১ দশমিক ২ শতাংশ শিশু-কিশোর সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রতিদিন সময় কাটায়। এদের ৯০ শতাংশই মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে।

‘বিশ্ব শিশু পরিস্থিতি : ডিজিটাল দুনিয়ায় শিশুরা’ শীর্ষক জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থার (ইউনিসেফ) এক জরিপে বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে এই তথ্য উঠে এসেছে।

শিশুদের জন্য ইন্টারনেট নিরাপদ করতে দেশে বছরব্যাপী গণসচেতনতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুক্রবার ঢাকায় এ জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারে যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইউনিসেফ ও ফেসবুক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের কমিউনিকেশন ম্যানেজার এ এম শাকিল ফায়েজুল্লাহ জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াসেফ ওসমান।

তিন সপ্তাহ আগে ইন্টারনেটে নিরাপত্তা নিয়ে শিশুরা কী ভাবে, তাদের পরিস্থিতি কী-এসব জানতে দেশব্যাপী অনলাইনভিত্তিক এই জরিপ চালানো হয়। এতে অংশ নেয় ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী ১১ হাজার ৮২১ ছেলে-মেয়ে।

জরিপের অংশ নেয়া শিশু-কিশোরদের ৫২ দশমিক ৩ শতাংশ জানিয়েছে, কোনো অপরিচিত লোক তাদের অনলাইনে বন্ধু হতে চাইলে তারা বন্ধু হবে। তবে ৩৩ দশমিক ৯ শতাংশ শিশু-কিশোর জানায়, তারা বন্ধু হবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ১৩ শতাংশ শিশু-কিশোর সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানি বা উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছে।

ফেসবুকের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার পলিসি প্রোগ্রাম ম্যানেজার শ্রুতি মগি বলেন, দিনদিন শিশুরা অনলাইনে বেশি সময় ব্যয় করছে। তাই তাদের অনলাইনে নিজেকে নিরাপদ রাখা এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে জানানো খুব জরুরি।

তিনি বলেন, আমাদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিশুদের সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে যেতে চাই। যেমনটা আমরা তাদের শেখাই কীভাবে জনাকীর্ণ জায়গায়, খেলার মাঠে ও স্কুলে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দেশের ৮১ শতাংশ শিশু-কিশোর সময় কাটায় সোশ্যাল মিডিয়ায়

আপডেট সময় ০৯:১২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

দেশের ৮১ দশমিক ২ শতাংশ শিশু-কিশোর সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রতিদিন সময় কাটায়। এদের ৯০ শতাংশই মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে।

‘বিশ্ব শিশু পরিস্থিতি : ডিজিটাল দুনিয়ায় শিশুরা’ শীর্ষক জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থার (ইউনিসেফ) এক জরিপে বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে এই তথ্য উঠে এসেছে।

শিশুদের জন্য ইন্টারনেট নিরাপদ করতে দেশে বছরব্যাপী গণসচেতনতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুক্রবার ঢাকায় এ জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটারে যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইউনিসেফ ও ফেসবুক।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের কমিউনিকেশন ম্যানেজার এ এম শাকিল ফায়েজুল্লাহ জরিপের ফলাফল তুলে ধরেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াসেফ ওসমান।

তিন সপ্তাহ আগে ইন্টারনেটে নিরাপত্তা নিয়ে শিশুরা কী ভাবে, তাদের পরিস্থিতি কী-এসব জানতে দেশব্যাপী অনলাইনভিত্তিক এই জরিপ চালানো হয়। এতে অংশ নেয় ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী ১১ হাজার ৮২১ ছেলে-মেয়ে।

জরিপের অংশ নেয়া শিশু-কিশোরদের ৫২ দশমিক ৩ শতাংশ জানিয়েছে, কোনো অপরিচিত লোক তাদের অনলাইনে বন্ধু হতে চাইলে তারা বন্ধু হবে। তবে ৩৩ দশমিক ৯ শতাংশ শিশু-কিশোর জানায়, তারা বন্ধু হবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের ১৩ শতাংশ শিশু-কিশোর সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়রানি বা উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছে।

ফেসবুকের ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার পলিসি প্রোগ্রাম ম্যানেজার শ্রুতি মগি বলেন, দিনদিন শিশুরা অনলাইনে বেশি সময় ব্যয় করছে। তাই তাদের অনলাইনে নিজেকে নিরাপদ রাখা এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে জানানো খুব জরুরি।

তিনি বলেন, আমাদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা নিরাপত্তা ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিশুদের সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে যেতে চাই। যেমনটা আমরা তাদের শেখাই কীভাবে জনাকীর্ণ জায়গায়, খেলার মাঠে ও স্কুলে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়।