ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঁচানো গেল না হাফিজুর-দীপ্তকেও

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের ভালুকায় ভবনে বিস্ফোরণে দগ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হাফিজুর রহমান ও তার বন্ধু দীপ্ত সরকারও মারা গেছেন। ছয় দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা হাফিজুর বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে মারা যান। এছাড়া তার বন্ধু দীপ্ত মারা যান শুক্রবার সকাল সোয়া নয়টার দিকে।

হাফিজুরের বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলায় এবং দীপ্ত সরকারের বাড়ি মাগুরায়। ঢাকা মেডিকেলের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই নিয়ে ভালুকার ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজনেরই মৃত্যু হলো। নিহতরা সবাই খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থী ছিলেন। ভালুকায় স্কয়ার ফ্যাশন নামে একটি টেক্সটাইল মিলে ইন্টার্ন করছিলেন তারা।

গত শনিবার দিবাগত রাতে ভালুকার মাস্টারবাড়ি এলাকার ছয় তলা বিশিষ্ট আর এস টাওয়ারের তিন তলায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর জানালার গ্রিল ও কাঁচ ভেঙে প্রায় ১০০ মিটার দূরে গিয়ে ছিটকে পড়ে। বিস্ফোরণে ভবনটির তৃতীয় তলার পেছনের পার্টিশনওয়াল ও জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। জানালার অ্যালুমিনিয়ামের স্ট্রাকচারও পড়ে যায়। ৫০ কেজি ওজনের জানালা ও বারান্দার গ্রিল কমপক্ষে ৫০ মিটার দূরে গিয়ে পড়ে।

বিস্ফোরণের সময় ঘটনাস্থলেই মারা যান তৌহিদ অপু নামে একজন। দগ্ধ হন তিনজন। রবিবার ভোরে দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার মারা যান শাহীন। দগ্ধ বাকি দুইজনের মধ্যে হাফিজুর গতকাল রাত দেড়টার দিকে মারা যান। আর দীপ্ত সরকার মারা যান শুক্রবার সকালে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রাজধানীর অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড জোরদার

বাঁচানো গেল না হাফিজুর-দীপ্তকেও

আপডেট সময় ১১:০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ময়মনসিংহের ভালুকায় ভবনে বিস্ফোরণে দগ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হাফিজুর রহমান ও তার বন্ধু দীপ্ত সরকারও মারা গেছেন। ছয় দিন ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা হাফিজুর বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে মারা যান। এছাড়া তার বন্ধু দীপ্ত মারা যান শুক্রবার সকাল সোয়া নয়টার দিকে।

হাফিজুরের বাড়ি নওগাঁর মান্দা উপজেলায় এবং দীপ্ত সরকারের বাড়ি মাগুরায়। ঢাকা মেডিকেলের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই নিয়ে ভালুকার ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় চারজনেরই মৃত্যু হলো। নিহতরা সবাই খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষার্থী ছিলেন। ভালুকায় স্কয়ার ফ্যাশন নামে একটি টেক্সটাইল মিলে ইন্টার্ন করছিলেন তারা।

গত শনিবার দিবাগত রাতে ভালুকার মাস্টারবাড়ি এলাকার ছয় তলা বিশিষ্ট আর এস টাওয়ারের তিন তলায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর জানালার গ্রিল ও কাঁচ ভেঙে প্রায় ১০০ মিটার দূরে গিয়ে ছিটকে পড়ে। বিস্ফোরণে ভবনটির তৃতীয় তলার পেছনের পার্টিশনওয়াল ও জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। জানালার অ্যালুমিনিয়ামের স্ট্রাকচারও পড়ে যায়। ৫০ কেজি ওজনের জানালা ও বারান্দার গ্রিল কমপক্ষে ৫০ মিটার দূরে গিয়ে পড়ে।

বিস্ফোরণের সময় ঘটনাস্থলেই মারা যান তৌহিদ অপু নামে একজন। দগ্ধ হন তিনজন। রবিবার ভোরে দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার মারা যান শাহীন। দগ্ধ বাকি দুইজনের মধ্যে হাফিজুর গতকাল রাত দেড়টার দিকে মারা যান। আর দীপ্ত সরকার মারা যান শুক্রবার সকালে।