ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ধানের শীষের বিকল্প নেই : ড. মোশাররফ এবার দুষ্কৃতকারীদের ভোটকেন্দ্র থেকে ব্যালট ছিনতাইয়ের সুযোগ নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নির্বাচনী মিছিলে অসুস্থ হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু নারী ও পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলব: জামায়াত আমির হাসিনা যুগের সমাপ্তি? জয় বললেন ‘সম্ভবত তাই’ ‘দুলাভাই’ ‘দুলাভাই’ ধ্বনিতে মুখরিত সিলেটের আলিয়া মাঠ ভারতে টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারের বিপুল ভোটে জিতে ১০ দলীয় জোট সরকার গঠন করবে : নাহিদ ইসলাম ১ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব টেক্সটাইল মিল বন্ধের ঘোষণা ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি থাকবে : শফিকুল আলম

খালেদার সাজা কেন বাড়বে না: হাইকোর্ট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা কেন বাড়ানো হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপ‌তি এম ইনা‌য়েতুর র‌হিম এবং বিচারপ‌তি স‌হিদুল ক‌রি‌মের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে খালেদা জিয়া ও রাষ্ট্রকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। খালেদার জিয়ার আপিল শুনানির দিন রুলের শুনানি হবে বলে আদালত জানিয়েছে।

দুদকের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এবং মওদুদ আহমেদ।

খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে গত রবিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেছিল দুদক। গতকাল মঙ্গলবার মামলাটি শুনানির জন্য আদালতে উপস্থাপন করা হলে বুধবার দিন নির্ধারণ করে আদালত। আজ সকালে আদালত শুনানির জন্য দুপুর দুইটায় সময় দেয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া তারেক রহমানসহ মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রায় ঘোষণার পর খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়া হয়।

২০ ফেব্রুয়ারি কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া। আপিল আবেদনে বিচারিক আদালতের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে ৪৪টি যুক্তি দেখানো হয়। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচারিক আদালতের দণ্ড স্থগিত চাওয়া হয়।

২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বিচারিক আদালতের দেয়া জরিমানার আদেশও স্থগিত করা হয়। আপিল বিচারাধীন থাকাবস্থায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদন ২৫ ফেব্রুয়ারি শুনানির জন্য রাখেন আদালত।

এছাড়া মামলাটিতে বিচারিক আদালতের নথি তলব করে ১৫ দিনের মধ্যে তা হাইকোর্টে পাঠাতে সংশ্লিষ্ট আদালতকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

২৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শেষে আদালত বলেছিলেন বিচারিক আদালতের নথি আসার পর আদেশ দেবেন। ১২ মার্চ শুনানি শেষে খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেয় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ। একইসঙ্গে চার মাসের মধ্যে এ মামলার পেপারবুক তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

১৪ মার্চ দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খানের শুনানি নিয়ে আদালত তাদের লিভ টু আপিল করতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ১৮ মার্চ পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে দেওয়া হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত করে ওইদিন লিভ টু আপিলের শুনানির দিন ধার্য করেন।

১৮ মার্চ শুনানি শেষে আদেশের জন্য ১৯ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত। এদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আপিলের অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ। পরে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে আপিল শুনানির জন্য ৮ মে দিন ধার্য করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রহস্যময়ী ফেসবুক পোস্টে কাকে ইঙ্গিত করলেন ওমর সানী?

খালেদার সাজা কেন বাড়বে না: হাইকোর্ট

আপডেট সময় ০৫:৩৬:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এতিমখানা ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজা কেন বাড়ানো হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপ‌তি এম ইনা‌য়েতুর র‌হিম এবং বিচারপ‌তি স‌হিদুল ক‌রি‌মের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে খালেদা জিয়া ও রাষ্ট্রকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। খালেদার জিয়ার আপিল শুনানির দিন রুলের শুনানি হবে বলে আদালত জানিয়েছে।

দুদকের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এজে মোহাম্মদ আলী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন এবং মওদুদ আহমেদ।

খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে গত রবিবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেছিল দুদক। গতকাল মঙ্গলবার মামলাটি শুনানির জন্য আদালতে উপস্থাপন করা হলে বুধবার দিন নির্ধারণ করে আদালত। আজ সকালে আদালত শুনানির জন্য দুপুর দুইটায় সময় দেয়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিচারিক আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটির রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি প্রধান খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া তারেক রহমানসহ মামলার অন্য পাঁচ আসামিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। রায় ঘোষণার পর খালেদা জিয়াকে কারাগারে নেয়া হয়।

২০ ফেব্রুয়ারি কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া। আপিল আবেদনে বিচারিক আদালতের দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে ৪৪টি যুক্তি দেখানো হয়। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচারিক আদালতের দণ্ড স্থগিত চাওয়া হয়।

২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বিচারিক আদালতের দেয়া জরিমানার আদেশও স্থগিত করা হয়। আপিল বিচারাধীন থাকাবস্থায় জামিন চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদন ২৫ ফেব্রুয়ারি শুনানির জন্য রাখেন আদালত।

এছাড়া মামলাটিতে বিচারিক আদালতের নথি তলব করে ১৫ দিনের মধ্যে তা হাইকোর্টে পাঠাতে সংশ্লিষ্ট আদালতকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

২৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি শেষে আদালত বলেছিলেন বিচারিক আদালতের নথি আসার পর আদেশ দেবেন। ১২ মার্চ শুনানি শেষে খালেদা জিয়াকে চার মাসের জামিন দেয় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি সহিদুল করিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ। একইসঙ্গে চার মাসের মধ্যে এ মামলার পেপারবুক তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

১৪ মার্চ দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খানের শুনানি নিয়ে আদালত তাদের লিভ টু আপিল করতে নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে ১৮ মার্চ পর্যন্ত খালেদা জিয়াকে দেওয়া হাইকোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত করে ওইদিন লিভ টু আপিলের শুনানির দিন ধার্য করেন।

১৮ মার্চ শুনানি শেষে আদেশের জন্য ১৯ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত। এদিন রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে আপিলের অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ। পরে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে আপিল শুনানির জন্য ৮ মে দিন ধার্য করা হয়।