ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের মানবিক বাংলাদেশ গড়ায় আপনাদের সহযোগিতা চাই : নজরুল ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী

পাকিস্তান প্রেমে যারা এখনও মশগুল তারা শিক্ষা পাবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে যারা পাকিস্তান প্রেমে এখনও মশগুল তাদেরকে ‘শিক্ষা’ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বলেন, ‘গণহত্যায় যারা সরাসরি যুক্ত এবং যারা মদতদাতা তারা সমান অপরাধী, তাদের বিচার যেন এই মাটিতে চলতেই থাকবে।’

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গণহত্যা শুরুর দিনটি গত দুই বছর ধরে ‘জাতীয় গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। রবিবার বিকালে দিবসটিতে আওয়ামী লীগের আলোচনায় যোগ দেন শেখ হাসিনা।

পৌনে এক ঘণ্টার বক্তব্যে ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণ শুরুর পর বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আর রাজাকার, আলবদরদের গণহত্যা, নির্যাতন, মুক্তিযুদ্ধের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যা, এর পর দালাল আইন বাতিল করে এই বিচার বন্ধ করে স্বাধীনতাবিরোধীদেরকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিয়ে আসাসহ নানা বিষয় তুলে ধরেন।

যাদের হৃদয়ে এখনও পাকিস্তানের জন্য প্রেম রয়ে গেছে তারা বাংলাদেশের অগ্রগতি মেনে নিতে পারছে না বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। বলেন ‘পাকিপ্রেমী যারা তাদের শিক্ষা আমরা দিতে পারব। আমরা যখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, তখন যারা পাকি প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে তারা ডুবেই যাক, সেটাই আমরা চাই।’

‘বাংলাদেশের মানুষকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না’-১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে থাকা এই বাক্যটির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তা আমরা প্রমাণ করেছি। আমরা উন্নয়ন করে তা দেখিয়ে দিয়েছি।’

যারা যুদ্ধাপরাধী ও গণহত্যাকারীদের মদদ দিয়েছে, মন্ত্রী-এমপি বানিয়েছে তাদেরকেও সমান অপরাধী আখ্যা দেন শেখ হাসিনা। বলেন, ‘অপরাধীদের যারা পুরস্কৃত করেছে, তাদেরও সমানভাবে বিচার হওয়া দরকার বলে আমি মনে করি।’

মু্ক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কয়েক বছর আগের করা মন্তব্য নিয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগ প্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশের কোনো নেতা-নেত্রী, খালেদা জিয়া নিজেই সন্দিহান ৩০ লক্ষ লোক না কি মরে নাই, তাদেরকে না কি মারে নাই। তারা তো নিজেরাই মানুষ খুন করে অভ্যস্ত, তারা তো নিজেরাই মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে। তাদের পক্ষে এটা বলাটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় আদৌ তারা বিশ্বাস করে কি না আমার সন্দেহ।’

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত গণহত্যার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অল্প সময়ে এত মানুষ হত্যা, এ রকম গণহত্যা কিন্তু আর কোনো দেশে ঘটে নাই। সেই গণহত্যা গিনেজ বুক অব রেকর্ডেও উঠে এসেছে। এটা ছিলো সব থেকে ভয়াবহ, মারাত্মক এবং অধিক সংখ্যার গণহত্যা।’

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে স্বাধীনতাবিরোধীদেরকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিয়ে আসার বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রত্যেক জায়গায় যারা গণহত্যায় শামিল ছিল, তাদেরকে মন্ত্রী, এমপি, উপদেষ্টা বড় বড় পদ দিয়ে পুরস্কৃত করেছিল জিয়াউর রহমান। …আবার খালেদা জিয়াও বানিয়েছিল।’

‘তারা আর লোক খুঁজে পায় না? ওই গণহত্যাকারীরাই ছিল তাদের পেয়ারের লোক। কারণ তাদের হৃদয়ে পেয়ারে পাকিস্তান।’

স্বাধীনতাবিরোধী গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘পাকিস্তানের পাসপোর্টসহ বাংলাদেশ থেকে চলে গিয়েছিল। সেই গোলাম আযমকে বাংলাদেশে ফিরে আসে জিয়াউর রহমান। পাকিস্তানি পাসপোর্ট হাতেই কিন্তু গোলাম আযম বাংলাদেশে ফিরে আসে।’

‘বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করে ওই যুদ্ধাপরাধী, গণহত্যাকারীদের রাজনীতি করার সুযোগ তৈরি করে দেয় ওই জিয়াউর রহমান।’

২৫ মার্চের নির্মম গণহত্যা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের বাড়ির আশেপাশে সব বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেয়। জাতির পিতা স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ৩২ নম্বরের বাড়িতে আক্রমণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। জাকির খান সাহেব এসে আমাকে, রেহানাকে নিয়ে যান।’

‘আমরা যখন বের হই তখন রাস্তায় রাস্তায় লাশ পড়ে থাকতে আমি নিজে দেখেছি। ধানমন্ডি, মিরপুর রোড থেকে শুরু করে ঢাকা শহরে শুধু লাশ আর লাশ। বস্তিতে আগুন দিয়েছিল, মানুষের চিৎকার আর এ দিকে দাউ দাউ করে আগুন।’

‘সমস্ত জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে ছিল বাংলাদেশের পতাকা, যে বাড়িতে পতাকা দেখেছে সে বাড়িতেই হামলা করেছে।’

‘২৫ মার্চ থেকে শুরু করে পুরো ৯টা মাস গণহত্যা চালিয়েছে। আত্মসমর্পণ করার আগে আমাদের আটক করা হয়। মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করার পর অনেকেই ভেবেছিলো আমরা বুঝি মুক্ত হয়ে গেছি।’

এর আগে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১৯৭০ এর নির্বাচন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন শুরুর বিষয়ে কথা বলেন শেখ হাসিনা। বলেন, এই দেশকে স্বাধীন করা হবে, সে পরিকল্পনা বঙ্গবন্ধু আগেই করে রেখেছিলেন।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাজার চাহিদার ভিত্তিতেই বিমানের বোয়িং কেনা: সিইও

পাকিস্তান প্রেমে যারা এখনও মশগুল তারা শিক্ষা পাবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৮:১৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে যারা পাকিস্তান প্রেমে এখনও মশগুল তাদেরকে ‘শিক্ষা’ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা বলেন, ‘গণহত্যায় যারা সরাসরি যুক্ত এবং যারা মদতদাতা তারা সমান অপরাধী, তাদের বিচার যেন এই মাটিতে চলতেই থাকবে।’

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গণহত্যা শুরুর দিনটি গত দুই বছর ধরে ‘জাতীয় গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে। রবিবার বিকালে দিবসটিতে আওয়ামী লীগের আলোচনায় যোগ দেন শেখ হাসিনা।

পৌনে এক ঘণ্টার বক্তব্যে ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর আক্রমণ শুরুর পর বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আর রাজাকার, আলবদরদের গণহত্যা, নির্যাতন, মুক্তিযুদ্ধের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, বঙ্গবন্ধু হত্যা, এর পর দালাল আইন বাতিল করে এই বিচার বন্ধ করে স্বাধীনতাবিরোধীদেরকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিয়ে আসাসহ নানা বিষয় তুলে ধরেন।

যাদের হৃদয়ে এখনও পাকিস্তানের জন্য প্রেম রয়ে গেছে তারা বাংলাদেশের অগ্রগতি মেনে নিতে পারছে না বলে মনে করেন শেখ হাসিনা। বলেন ‘পাকিপ্রেমী যারা তাদের শিক্ষা আমরা দিতে পারব। আমরা যখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি, তখন যারা পাকি প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে তারা ডুবেই যাক, সেটাই আমরা চাই।’

‘বাংলাদেশের মানুষকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না’-১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণে থাকা এই বাক্যটির কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘তা আমরা প্রমাণ করেছি। আমরা উন্নয়ন করে তা দেখিয়ে দিয়েছি।’

যারা যুদ্ধাপরাধী ও গণহত্যাকারীদের মদদ দিয়েছে, মন্ত্রী-এমপি বানিয়েছে তাদেরকেও সমান অপরাধী আখ্যা দেন শেখ হাসিনা। বলেন, ‘অপরাধীদের যারা পুরস্কৃত করেছে, তাদেরও সমানভাবে বিচার হওয়া দরকার বলে আমি মনে করি।’

মু্ক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কয়েক বছর আগের করা মন্তব্য নিয়েও কথা বলেন আওয়ামী লীগ প্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের দেশের কোনো নেতা-নেত্রী, খালেদা জিয়া নিজেই সন্দিহান ৩০ লক্ষ লোক না কি মরে নাই, তাদেরকে না কি মারে নাই। তারা তো নিজেরাই মানুষ খুন করে অভ্যস্ত, তারা তো নিজেরাই মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে। তাদের পক্ষে এটা বলাটাই স্বাভাবিক। বাংলাদেশের স্বাধীনতায় আদৌ তারা বিশ্বাস করে কি না আমার সন্দেহ।’

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত গণহত্যার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অল্প সময়ে এত মানুষ হত্যা, এ রকম গণহত্যা কিন্তু আর কোনো দেশে ঘটে নাই। সেই গণহত্যা গিনেজ বুক অব রেকর্ডেও উঠে এসেছে। এটা ছিলো সব থেকে ভয়াবহ, মারাত্মক এবং অধিক সংখ্যার গণহত্যা।’

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করে স্বাধীনতাবিরোধীদেরকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় নিয়ে আসার বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রত্যেক জায়গায় যারা গণহত্যায় শামিল ছিল, তাদেরকে মন্ত্রী, এমপি, উপদেষ্টা বড় বড় পদ দিয়ে পুরস্কৃত করেছিল জিয়াউর রহমান। …আবার খালেদা জিয়াও বানিয়েছিল।’

‘তারা আর লোক খুঁজে পায় না? ওই গণহত্যাকারীরাই ছিল তাদের পেয়ারের লোক। কারণ তাদের হৃদয়ে পেয়ারে পাকিস্তান।’

স্বাধীনতাবিরোধী গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টিও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘পাকিস্তানের পাসপোর্টসহ বাংলাদেশ থেকে চলে গিয়েছিল। সেই গোলাম আযমকে বাংলাদেশে ফিরে আসে জিয়াউর রহমান। পাকিস্তানি পাসপোর্ট হাতেই কিন্তু গোলাম আযম বাংলাদেশে ফিরে আসে।’

‘বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন করে ওই যুদ্ধাপরাধী, গণহত্যাকারীদের রাজনীতি করার সুযোগ তৈরি করে দেয় ওই জিয়াউর রহমান।’

২৫ মার্চের নির্মম গণহত্যা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের বাড়ির আশেপাশে সব বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দেয়। জাতির পিতা স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ৩২ নম্বরের বাড়িতে আক্রমণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। জাকির খান সাহেব এসে আমাকে, রেহানাকে নিয়ে যান।’

‘আমরা যখন বের হই তখন রাস্তায় রাস্তায় লাশ পড়ে থাকতে আমি নিজে দেখেছি। ধানমন্ডি, মিরপুর রোড থেকে শুরু করে ঢাকা শহরে শুধু লাশ আর লাশ। বস্তিতে আগুন দিয়েছিল, মানুষের চিৎকার আর এ দিকে দাউ দাউ করে আগুন।’

‘সমস্ত জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে ছিল বাংলাদেশের পতাকা, যে বাড়িতে পতাকা দেখেছে সে বাড়িতেই হামলা করেছে।’

‘২৫ মার্চ থেকে শুরু করে পুরো ৯টা মাস গণহত্যা চালিয়েছে। আত্মসমর্পণ করার আগে আমাদের আটক করা হয়। মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করার পর অনেকেই ভেবেছিলো আমরা বুঝি মুক্ত হয়ে গেছি।’

এর আগে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ১৯৭০ এর নির্বাচন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলন শুরুর বিষয়ে কথা বলেন শেখ হাসিনা। বলেন, এই দেশকে স্বাধীন করা হবে, সে পরিকল্পনা বঙ্গবন্ধু আগেই করে রেখেছিলেন।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম প্রমুখ।