ঢাকা ০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

নৈতিকতার আদালতে খালেদা জিয়া নির্দোষ: রিজভী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নৈতিকতার আদালতে নির্দোষ দাবি করেছে বিএনপি। দলটির অভিযোগ, নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও খালেদা জিয়াকে প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে বন্দি করে রাখা হয়েছে। এখন সরকারের ইচ্ছাপূরণে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক ব্যবহৃত হচ্ছে।

রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এর আগে সকালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে দেয়া পাঁচ বছরের কারাদণ্ড আরও বাড়াতে হাইকোর্টে আপিল আবেদন করে দুদক।

এর পর এ সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়াকে নির্দোষ দাবি করে তার বিরুদ্ধে সরকার দুদককে ব্যবহার করছে বলে দাবি করেন রিজভী।

তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে দেয়া সাজা শেখ হাসিনার ইচ্ছাপূরণের সাজা। যেদিন সাজা দেয়া হয়েছে, সেদিন যে উল্লাস তিনি প্রকাশ করেছিলেন, তাতেই মনে হয়েছে- এটি তার অনেক দিনের আকাঙ্ক্ষা। একটি প্রহসনের বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাজা দিয়ে খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে। আর দুদক তো সুধাসদনের নানাবিধ এক্সটেনশন। সুতরাং শেখ হাসিনা যা চাইবেন, তাই হবে।

রিজভী অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের আন্দোলন দমন করতে দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাজানো হয়েছে। তিন বলেন, শেখ হাসিনার দুঃশাসনের প্রকোপ এখন বিপজ্জনক রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। বিএনপিসহ বিরোধী শক্তি এবং বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ শেখ হাসিনার চরম রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার। অন্তহীন ক্ষমতালিপ্সার কারণে জনগণের বদলে বন্দুককেই নিরাপদ মনে করছে এই সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে গত ১৮ মার্চ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া ঢাকা মহানগর সবুজবাগ থানা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক সোহরাব হোসেন সেন্টুকে অবিলম্বে জনসমক্ষে হাজির করার দাবি জানানো হয়।

রিজভী বলেন, সোহরাব হোসেন সেন্টুকে সরকারের বাহিনী নিয়ে গেছে, এটি নিশ্চিত। তারুণ্যের শক্তিকে, তারুণ্যের দ্রোহকে দমানোর জন্য এক ভয়ংকর নীলনকশায় মেতে আছে বর্তমান অবৈধ সরকার। কারণ তরুণরাই হচ্ছেন এই স্বৈরাচার পতনের মূল শক্তি। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার অগ্রদূতই হচ্ছেন তারা। তাই তাদের নিঃশেষ করার জন্য, দমিয়ে রাখার জন্য, ধ্বংস করার জন্য এসব নাটক সাজানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর নাসির, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার পরিকল্পনা: বাংলাদেশের সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

নৈতিকতার আদালতে খালেদা জিয়া নির্দোষ: রিজভী

আপডেট সময় ০৩:১৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নৈতিকতার আদালতে নির্দোষ দাবি করেছে বিএনপি। দলটির অভিযোগ, নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও খালেদা জিয়াকে প্রহসনের বিচারের মাধ্যমে বন্দি করে রাখা হয়েছে। এখন সরকারের ইচ্ছাপূরণে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক ব্যবহৃত হচ্ছে।

রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এর আগে সকালে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে দেয়া পাঁচ বছরের কারাদণ্ড আরও বাড়াতে হাইকোর্টে আপিল আবেদন করে দুদক।

এর পর এ সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়াকে নির্দোষ দাবি করে তার বিরুদ্ধে সরকার দুদককে ব্যবহার করছে বলে দাবি করেন রিজভী।

তিনি বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে দেয়া সাজা শেখ হাসিনার ইচ্ছাপূরণের সাজা। যেদিন সাজা দেয়া হয়েছে, সেদিন যে উল্লাস তিনি প্রকাশ করেছিলেন, তাতেই মনে হয়েছে- এটি তার অনেক দিনের আকাঙ্ক্ষা। একটি প্রহসনের বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাজা দিয়ে খালেদা জিয়াকে আটকে রাখা হয়েছে। আর দুদক তো সুধাসদনের নানাবিধ এক্সটেনশন। সুতরাং শেখ হাসিনা যা চাইবেন, তাই হবে।

রিজভী অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের আন্দোলন দমন করতে দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাজানো হয়েছে। তিন বলেন, শেখ হাসিনার দুঃশাসনের প্রকোপ এখন বিপজ্জনক রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। বিএনপিসহ বিরোধী শক্তি এবং বিশিষ্ট নাগরিক সমাজ শেখ হাসিনার চরম রাজনৈতিক আক্রমণের শিকার। অন্তহীন ক্ষমতালিপ্সার কারণে জনগণের বদলে বন্দুককেই নিরাপদ মনে করছে এই সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে গত ১৮ মার্চ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া ঢাকা মহানগর সবুজবাগ থানা ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক সোহরাব হোসেন সেন্টুকে অবিলম্বে জনসমক্ষে হাজির করার দাবি জানানো হয়।

রিজভী বলেন, সোহরাব হোসেন সেন্টুকে সরকারের বাহিনী নিয়ে গেছে, এটি নিশ্চিত। তারুণ্যের শক্তিকে, তারুণ্যের দ্রোহকে দমানোর জন্য এক ভয়ংকর নীলনকশায় মেতে আছে বর্তমান অবৈধ সরকার। কারণ তরুণরাই হচ্ছেন এই স্বৈরাচার পতনের মূল শক্তি। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার অগ্রদূতই হচ্ছেন তারা। তাই তাদের নিঃশেষ করার জন্য, দমিয়ে রাখার জন্য, ধ্বংস করার জন্য এসব নাটক সাজানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর নাসির, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ প্রমুখ।