ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘তারা বীরের মতো খেলেছে’

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অধিকাংশ পরিচালকই নিদাহাস ট্রফির শুরু থেকে দলের সঙ্গে শ্রীলংকায় ছিলেন। কিছু কূটনৈতিক দিক সামাল দিতে হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দলকেও সাহস জুগিয়েছেন তারা। সোমবার দেশে ফিরে বিসিবি সভাপতি-পরিচালকরা জানালেন, ফাইনালে তীরে এসে তরী ডুবলেও বাংলাদেশের বীরোচিত পারফরম্যান্সে তারা মুগ্ধ।

নাজমুল হাসান : শুরু থেকেই আমি দলের সঙ্গে ছিলাম। যখন গিয়েছিলাম তখন একরকম অভিজ্ঞতা ছিল, ফিরলাম নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে। যাওয়ার সময় কঠিন চ্যালেঞ্জ মাথায় ছিল। শ্রীলংকায় যাওয়ার পর প্রথম ম্যাচ থেকে ওরা যেভাবে ক্রিকেট খেলেছে, তাতে মনে হয়েছে আমরা জিততে পারব। প্রতিটি খেলোয়াড়েরও এই বিশ্বাস ছিল। ফাইনাল ম্যাচটি যে এত ক্লোজ হবে কখনই ভাবিনি। ভারত শক্তিশালী দল, আমরা টি ২০ ক্রিকেটে সেভাবে ভালো করতে পারিনি। তারপরও প্রতিটি খেলোয়াড়ের আত্মবিশ্বাস ছিল যে চ্যাম্পিয়ন হবে। এমন বাংলাদেশকে দেখে খুব ভালো লেগেছে।

এত কাছে গিয়ে হার, বাংলাদেশের সবার মনের অবস্থা একই। এটা কষ্ট বলব নাকি আফসোস বলব…। কিছু ঘটনা থাকে সহজেই মুছে যাওয়ার নয়। এটা সারা জীবন মনে থাকার মতো ঘটনা। একটা কথাই বলব, আমাদের ছেলেরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছে। আমি জানি ওদের অবস্থা। ওরা অনেক ভেঙে পড়েছিল। প্রতিটি ম্যাচ তারা ভালো খেলেছে এবং বীরের মতো খেলেছে।

নাঈমুর রহমান দুর্জয় : বাংলাদেশ দলের তেমন কোনো ভুল আমাদের চোখে পড়েনি। যে মানসিকতা নিয়ে খেলেছে সেটা কাছে থেকে দেখা ছিল অসাধারণ। মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজেদের দারুণভাবে মেলে ধরেছে এই বাংলাদেশ। হারটা তো অবশ্যই হতাশার তবে এটাই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগাবে।

আকরাম খান : কিছু হার হার না। জয়ের সমান। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ফাইনালের হারটাও তেমন। এই দল সবার হৃদয় জয় করে নিয়েছে।

হাবিবুল বাশার : টি ২০ ফরম্যাটটা মনে হয় আমরা বুঝতে পারছি। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ খুব ভালো খেলেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা ট্রফি জিততে পারিনি। এখনও অনেক জায়গায় কাজ করতে হবে অবশ্যই। যখন একটু খারাপ সময় যাচ্ছে সেখান থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য এই দলটার আছে।

সবচেয়ে বড় কথা শেষ সিরিজটা আমাদের ভালো যায়নি, তাই এই সিরিজটা আমাদের জন্য কঠিন ছিল। দেশের বাইরে গিয়ে ভালো খেলা সহজ ছিল না, যা এটাই প্রমাণ করে- মানসিকভাবে ওরা অনেক শক্তিশালী। জেতার ইচ্ছাটা প্রবল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

‘তারা বীরের মতো খেলেছে’

আপডেট সময় ০৪:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অধিকাংশ পরিচালকই নিদাহাস ট্রফির শুরু থেকে দলের সঙ্গে শ্রীলংকায় ছিলেন। কিছু কূটনৈতিক দিক সামাল দিতে হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দলকেও সাহস জুগিয়েছেন তারা। সোমবার দেশে ফিরে বিসিবি সভাপতি-পরিচালকরা জানালেন, ফাইনালে তীরে এসে তরী ডুবলেও বাংলাদেশের বীরোচিত পারফরম্যান্সে তারা মুগ্ধ।

নাজমুল হাসান : শুরু থেকেই আমি দলের সঙ্গে ছিলাম। যখন গিয়েছিলাম তখন একরকম অভিজ্ঞতা ছিল, ফিরলাম নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে। যাওয়ার সময় কঠিন চ্যালেঞ্জ মাথায় ছিল। শ্রীলংকায় যাওয়ার পর প্রথম ম্যাচ থেকে ওরা যেভাবে ক্রিকেট খেলেছে, তাতে মনে হয়েছে আমরা জিততে পারব। প্রতিটি খেলোয়াড়েরও এই বিশ্বাস ছিল। ফাইনাল ম্যাচটি যে এত ক্লোজ হবে কখনই ভাবিনি। ভারত শক্তিশালী দল, আমরা টি ২০ ক্রিকেটে সেভাবে ভালো করতে পারিনি। তারপরও প্রতিটি খেলোয়াড়ের আত্মবিশ্বাস ছিল যে চ্যাম্পিয়ন হবে। এমন বাংলাদেশকে দেখে খুব ভালো লেগেছে।

এত কাছে গিয়ে হার, বাংলাদেশের সবার মনের অবস্থা একই। এটা কষ্ট বলব নাকি আফসোস বলব…। কিছু ঘটনা থাকে সহজেই মুছে যাওয়ার নয়। এটা সারা জীবন মনে থাকার মতো ঘটনা। একটা কথাই বলব, আমাদের ছেলেরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছে। আমি জানি ওদের অবস্থা। ওরা অনেক ভেঙে পড়েছিল। প্রতিটি ম্যাচ তারা ভালো খেলেছে এবং বীরের মতো খেলেছে।

নাঈমুর রহমান দুর্জয় : বাংলাদেশ দলের তেমন কোনো ভুল আমাদের চোখে পড়েনি। যে মানসিকতা নিয়ে খেলেছে সেটা কাছে থেকে দেখা ছিল অসাধারণ। মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজেদের দারুণভাবে মেলে ধরেছে এই বাংলাদেশ। হারটা তো অবশ্যই হতাশার তবে এটাই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগাবে।

আকরাম খান : কিছু হার হার না। জয়ের সমান। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ফাইনালের হারটাও তেমন। এই দল সবার হৃদয় জয় করে নিয়েছে।

হাবিবুল বাশার : টি ২০ ফরম্যাটটা মনে হয় আমরা বুঝতে পারছি। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ খুব ভালো খেলেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা ট্রফি জিততে পারিনি। এখনও অনেক জায়গায় কাজ করতে হবে অবশ্যই। যখন একটু খারাপ সময় যাচ্ছে সেখান থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য এই দলটার আছে।

সবচেয়ে বড় কথা শেষ সিরিজটা আমাদের ভালো যায়নি, তাই এই সিরিজটা আমাদের জন্য কঠিন ছিল। দেশের বাইরে গিয়ে ভালো খেলা সহজ ছিল না, যা এটাই প্রমাণ করে- মানসিকভাবে ওরা অনেক শক্তিশালী। জেতার ইচ্ছাটা প্রবল।