আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অধিকাংশ পরিচালকই নিদাহাস ট্রফির শুরু থেকে দলের সঙ্গে শ্রীলংকায় ছিলেন। কিছু কূটনৈতিক দিক সামাল দিতে হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ দলকেও সাহস জুগিয়েছেন তারা। সোমবার দেশে ফিরে বিসিবি সভাপতি-পরিচালকরা জানালেন, ফাইনালে তীরে এসে তরী ডুবলেও বাংলাদেশের বীরোচিত পারফরম্যান্সে তারা মুগ্ধ।
নাজমুল হাসান : শুরু থেকেই আমি দলের সঙ্গে ছিলাম। যখন গিয়েছিলাম তখন একরকম অভিজ্ঞতা ছিল, ফিরলাম নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে। যাওয়ার সময় কঠিন চ্যালেঞ্জ মাথায় ছিল। শ্রীলংকায় যাওয়ার পর প্রথম ম্যাচ থেকে ওরা যেভাবে ক্রিকেট খেলেছে, তাতে মনে হয়েছে আমরা জিততে পারব। প্রতিটি খেলোয়াড়েরও এই বিশ্বাস ছিল। ফাইনাল ম্যাচটি যে এত ক্লোজ হবে কখনই ভাবিনি। ভারত শক্তিশালী দল, আমরা টি ২০ ক্রিকেটে সেভাবে ভালো করতে পারিনি। তারপরও প্রতিটি খেলোয়াড়ের আত্মবিশ্বাস ছিল যে চ্যাম্পিয়ন হবে। এমন বাংলাদেশকে দেখে খুব ভালো লেগেছে।
এত কাছে গিয়ে হার, বাংলাদেশের সবার মনের অবস্থা একই। এটা কষ্ট বলব নাকি আফসোস বলব…। কিছু ঘটনা থাকে সহজেই মুছে যাওয়ার নয়। এটা সারা জীবন মনে থাকার মতো ঘটনা। একটা কথাই বলব, আমাদের ছেলেরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি কষ্ট পেয়েছে। আমি জানি ওদের অবস্থা। ওরা অনেক ভেঙে পড়েছিল। প্রতিটি ম্যাচ তারা ভালো খেলেছে এবং বীরের মতো খেলেছে।
নাঈমুর রহমান দুর্জয় : বাংলাদেশ দলের তেমন কোনো ভুল আমাদের চোখে পড়েনি। যে মানসিকতা নিয়ে খেলেছে সেটা কাছে থেকে দেখা ছিল অসাধারণ। মাঠ ও মাঠের বাইরে নিজেদের দারুণভাবে মেলে ধরেছে এই বাংলাদেশ। হারটা তো অবশ্যই হতাশার তবে এটাই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগাবে।
আকরাম খান : কিছু হার হার না। জয়ের সমান। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ফাইনালের হারটাও তেমন। এই দল সবার হৃদয় জয় করে নিয়েছে।
হাবিবুল বাশার : টি ২০ ফরম্যাটটা মনে হয় আমরা বুঝতে পারছি। এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ খুব ভালো খেলেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা ট্রফি জিততে পারিনি। এখনও অনেক জায়গায় কাজ করতে হবে অবশ্যই। যখন একটু খারাপ সময় যাচ্ছে সেখান থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য এই দলটার আছে।
সবচেয়ে বড় কথা শেষ সিরিজটা আমাদের ভালো যায়নি, তাই এই সিরিজটা আমাদের জন্য কঠিন ছিল। দেশের বাইরে গিয়ে ভালো খেলা সহজ ছিল না, যা এটাই প্রমাণ করে- মানসিকভাবে ওরা অনেক শক্তিশালী। জেতার ইচ্ছাটা প্রবল।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























