ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

বাংলাদেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড হয়েছে। প্রথমবারর মতো ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের মাইলফলক ছুঁয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে সোমবার পিক আউয়ারে দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন ছিল ১০ হাজার ৮৪ মেগাওয়াট।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ১৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও প্রকৃত উৎপাদন কখনও ১০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়ায়নি। এর আগে গত ১৫ মার্চ নয় হাজার ৭১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল। তার তিন দিন আগে উৎপাদন হয় নয় হাজার ৫৩৩ মেগাওয়াট। সেটিও ছিল রেকর্ড।

গত ২৩ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেনন, ‘এখন ১০ হাজার মেগাওয়াটের চাহিদা পূরণ করতে পারবে বিদ্যুৎ বিভাগ।’ ২০০৯ সালে তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। সরকারের টানা দুই মেয়াদের শাসনামলে দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি হয়েছে।

এরই মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা একশটি ছাড়িয়ে হয়েছে ১১৯টি। কয়লাভিত্তিক, গ্যাসভিত্তিক, তেলে চালানো, ডুয়েল ফুয়েল (গ্যাসেও চালানো যায়, তেলেও চালানো যায়) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি চলছে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারও ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে সরকার।

২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এরই মধ্যে স্থাপিত সব কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে হয়েছে ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াট। আর দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৯০ শতাংশই এখন বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।

২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা অর্জন উদযাপনে হাতিরঝিলে আতশবাজি উৎসবের আয়োজন করে বিদ্যুৎ বিভাগ। তিন বছর পর ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা অর্জনের উৎসব হয় একই এলাকায়।

তবে উৎপাদন ক্ষমতা আর প্রকৃত উৎপাদন দুটি ভিন্ন বিষয়। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা জানান, সব কটি বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনও সর্বোচ্চ ক্ষমতায় চালানো সম্ভব হয় না। আবার কিছু কেন্দ্র সব সময় মেরামত কাজ চালাতে হয়, কিছু কেন্দ্র আবার তৈরি করা হয়েছে কেবল পিক আউয়ারে চালানোর জন্য।

বিদ্যুৎ বিভাগের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের ৮৪ শতাংশ জনগণ বিদ্যুতের প্রতি সন্তুষ্ট। গত ২৩ জানুয়ারি সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এই বিষয়টি জানিয়ে বলেন, ‘তবে একখানেও অসন্তুষ্টের বিধান থাকবে। কারণ আমরা দেশের অনেক জায়গায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত প্রদান করতে পারিনি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

বাংলাদেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড

আপডেট সময় ১১:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড হয়েছে। প্রথমবারর মতো ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের মাইলফলক ছুঁয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য মতে সোমবার পিক আউয়ারে দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন ছিল ১০ হাজার ৮৪ মেগাওয়াট।

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ১৬ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও প্রকৃত উৎপাদন কখনও ১০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়ায়নি। এর আগে গত ১৫ মার্চ নয় হাজার ৭১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছিল। তার তিন দিন আগে উৎপাদন হয় নয় হাজার ৫৩৩ মেগাওয়াট। সেটিও ছিল রেকর্ড।

গত ২৩ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেনন, ‘এখন ১০ হাজার মেগাওয়াটের চাহিদা পূরণ করতে পারবে বিদ্যুৎ বিভাগ।’ ২০০৯ সালে তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। সরকারের টানা দুই মেয়াদের শাসনামলে দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির ব্যাপক উন্নতি হয়েছে।

এরই মধ্যে দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা একশটি ছাড়িয়ে হয়েছে ১১৯টি। কয়লাভিত্তিক, গ্যাসভিত্তিক, তেলে চালানো, ডুয়েল ফুয়েল (গ্যাসেও চালানো যায়, তেলেও চালানো যায়) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি চলছে পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারও ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে সরকার।

২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে শতভাগ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এরই মধ্যে স্থাপিত সব কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে হয়েছে ১৬ হাজার ৪৬ মেগাওয়াট। আর দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৯০ শতাংশই এখন বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।

২০১৩ সালের ১২ নভেম্বর ১০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা অর্জন উদযাপনে হাতিরঝিলে আতশবাজি উৎসবের আয়োজন করে বিদ্যুৎ বিভাগ। তিন বছর পর ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর ১৫ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা অর্জনের উৎসব হয় একই এলাকায়।

তবে উৎপাদন ক্ষমতা আর প্রকৃত উৎপাদন দুটি ভিন্ন বিষয়। বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা জানান, সব কটি বিদ্যুৎকেন্দ্র কখনও সর্বোচ্চ ক্ষমতায় চালানো সম্ভব হয় না। আবার কিছু কেন্দ্র সব সময় মেরামত কাজ চালাতে হয়, কিছু কেন্দ্র আবার তৈরি করা হয়েছে কেবল পিক আউয়ারে চালানোর জন্য।

বিদ্যুৎ বিভাগের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশের ৮৪ শতাংশ জনগণ বিদ্যুতের প্রতি সন্তুষ্ট। গত ২৩ জানুয়ারি সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এই বিষয়টি জানিয়ে বলেন, ‘তবে একখানেও অসন্তুষ্টের বিধান থাকবে। কারণ আমরা দেশের অনেক জায়গায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত প্রদান করতে পারিনি।’