ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে শ্রদ্ধা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ বাংলাদেশির জানাজা সম্পন্ন হয়েছে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে। সোমবার আসরের নামাজের পর ৫টা ২০ মিনিটে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, সরকারি কর্মকর্তা, সেনাকর্মকর্তা, নিহতদের স্বজন-সহকর্মী ও বিভিন্ন স্তরের মানুষ জানাজায় অংশ নেন।

এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শ্রদ্ধা জানান। আর জাতীয় সংসদের পক্ষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নিহতদের প্রতি।

এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে আর্মি স্টেডিয়ামে আনা হয় ২৩টি মরদেহ। এ সময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সৃষ্টি হয় এক শোকাবহ পরিবেশ।

তারও আগে চারটা ১০ মিনিটের দিকে ২৩টি মরদেহ নিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ কার্গো বিমান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বেলা আড়াইটার দিকে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দর থেকে ২৩ মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় এয়ারক্রাফটটি।

যে ২৩ জনের মরদেহ দেশে আনা হয়, তারা হলেন- আঁখি মনি, বেগম নুরুন্নাহার, শারমিন আক্তার, নাজিয়া আফরিন, এফএইচ প্রিয়ক, উম্মে সালমা, বিলকিস আরা, আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসান, মো. হাসান ইমাম, মিনহাজ বিন নাসির, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহারা তানভীন শশী রেজা, অনিরুদ্ধ জামান, রফিক উজ জামান, পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশিদ, খাজা সাইফুল্লাহ, ফয়সাল আহমেদ, সানজিদা ও নুরুজ্জামান।

কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে গত ১২ মার্চ বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। বিমানের ৭১ আরোহীর মধ্যে চার ক্রুসহ ৫১ জন মারা যান। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। ২৩ জনের পরিচয় শনাক্ত হলেও অন্য তিনজনকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে শ্রদ্ধা

আপডেট সময় ০৮:৪১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলার বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ২৩ বাংলাদেশির জানাজা সম্পন্ন হয়েছে বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে। সোমবার আসরের নামাজের পর ৫টা ২০ মিনিটে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, সরকারি কর্মকর্তা, সেনাকর্মকর্তা, নিহতদের স্বজন-সহকর্মী ও বিভিন্ন স্তরের মানুষ জানাজায় অংশ নেন।

এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের শ্রদ্ধা জানান। আর জাতীয় সংসদের পক্ষে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর স্বজন ও সর্বস্তরের মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় নিহতদের প্রতি।

এর আগে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিকাল ৫টা ১০ মিনিটে আর্মি স্টেডিয়ামে আনা হয় ২৩টি মরদেহ। এ সময় স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সৃষ্টি হয় এক শোকাবহ পরিবেশ।

তারও আগে চারটা ১০ মিনিটের দিকে ২৩টি মরদেহ নিয়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ কার্গো বিমান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বেলা আড়াইটার দিকে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দর থেকে ২৩ মরদেহ নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় এয়ারক্রাফটটি।

যে ২৩ জনের মরদেহ দেশে আনা হয়, তারা হলেন- আঁখি মনি, বেগম নুরুন্নাহার, শারমিন আক্তার, নাজিয়া আফরিন, এফএইচ প্রিয়ক, উম্মে সালমা, বিলকিস আরা, আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসান, মো. হাসান ইমাম, মিনহাজ বিন নাসির, তামারা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহারা তানভীন শশী রেজা, অনিরুদ্ধ জামান, রফিক উজ জামান, পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশিদ, খাজা সাইফুল্লাহ, ফয়সাল আহমেদ, সানজিদা ও নুরুজ্জামান।

কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে গত ১২ মার্চ বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান সংস্থা ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। বিমানের ৭১ আরোহীর মধ্যে চার ক্রুসহ ৫১ জন মারা যান। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি। ২৩ জনের পরিচয় শনাক্ত হলেও অন্য তিনজনকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি।